Fakir Abdur Razzak

রবিবার, ২৯ আগস্ট ২০১০

লিনাক্স পরিমন্ডলে রয়েছে তিন বৃহৎ শক্তি। বৃহৎ শক্তির ডিস্ট্রিবিউশন তিনটি সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ন এবং অন্য ডিস্ট্রোগুলির অধিকাংশই তাদের থেকে বিকশিত হয়েছে। কি কি বৈশিষ্ট্য তাদেরকে অনন্য করেছে

বুধবার, ১৮ আগস্ট ২০১০

ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং নিয়ে "কম্পিউটার জগৎ" এ লিখছি প্রায় দুই বছর হতে চলল। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। পড়ালেখা শেষ করে পূর্ণকালীন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে অনেকেই আত্মপ্রকাশ করছেন। ফ্রিল্যান্সিং এর সবচেয়ে ভাল দিক হচ্ছে পড়ালেখা শেষ করে একটা চাকুরীর জন্য বসে থাকতে হয় না। ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে স্বল্প

বুধবার, ১৮ আগস্ট ২০১০

বর্তমানে ওডেস্ক (www.oDesk.com) মার্কেটপ্লেসে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সররদের অবস্থান বেশ সন্তোষজনক। ওডেস্কে যে কয়জন ফ্রিল্যান্সার সফলতার সাথে কাজ করছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে "আলফা ডিজিটাল" নামক একটি টিম। বর্তমানে এই টিমের সদস্য সংখ্যা ৫০ এর

বুধবার, ১৮ আগস্ট ২০১০

২০০৭ সালে আইফোন (iPhone) প্রকাশের পর থেকে এর প্রতিষ্ঠাতা Apple Inc. মোবাইল ডিভাইসের ধারণাই পাল্টে দেয়। এর সাবলীল টাচ ইন্টারফেস, দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন এবং ২০০ টির অধিক প্যাটেন্টকৃত আকর্ষণীয় সব ফিচারের কল্যাণে সহজেই সবার মনোযোগ

বৃহস্পতিবার, ১২ আগস্ট ২০১০

মাইক্রোওয়ার্কিং সাইট হিসেবে আমরা মাইক্রোওয়ার্কস এর নাম বেশ কিছুদিন থেকেই শুনছি। এখানে কাজ করে অনেকেই বড় কোন সাফল্য না পেলেও মোটামুটি লাভবান হচ্ছে। এর কারন হচ্ছে এখানে ছোট ছোট বিভিন্ন কাজ সারাদিনই আসতে থাকে আর সম্পন্নও করা যায় খুব তাড়াতাড়ি। আর কাজ গুলো পাওয়া বা করা কোনটাই খুব একটা কঠিন নয়। আর এখানে লাভবান হবার এটাই হল মূল কারন।

এরই পরিপ্রেক্ষেতে এখন আরো কিছু মাইক্রোওয়ার্কিং সাইট আসছে যার মধ্যে আমার কাছে খুবই ভাল এবং সম্ভাবনাময় সাইট হিসেবে মনে হয়েছে Jobcart.net কে। আমি নিজে এখানে নিজে কয়েকটা কাজ করে দেখেছি যাচাই করার জন্য যদিও আমি এধরনের শর্টটার্ম কাজ তেমন একটা করিনা। তবে অন্যকে বলার আগে নিজে যাচাই করে দেখা দরকার তাই দেখেছি মূলত। আর তার ফল যা তা এককথায় বলতে গেলে আমি তাদের ওপর খুবই সন্তুষ্ট। কারন আমার ব্যালান্স পেআউট করার সীমা ছাড়ানোর পর আমার বলার আগেই তারা নিজেরা সেটা পাঠিয়ে দিয়েছে। তাছাড়া তাদের সাইটের যে আচরন ফ্রিল্যান্সারদের সাথে তা অত্যান্ত প্রশংসনীয় এবং বোঝাই যায় যে তাদের পরিকল্পনা সুদূরপ্রসারী। যাইহোক এই সাইটের বিভিন্ন দিক কাজের উৎস, অর্থ উত্তোলন পদ্ধতি সহ কিছু আনুসাঙ্গিক দিক নিয়েই লিখব আজ।

শনিবার, ০৭ আগস্ট ২০১০

ইন্টারনেটে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য যে সকল মার্কেটপ্লেস রয়েছে তাদের মধ্যে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী একটি সাইট হচ্ছে www.99designs.com। এই সাইটটি শুধুমাত্র ডিজাইনারদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। যে সকল বিষয়ের উপর এই সাইটে কাজ পাওয়া যায় তা হচ্ছে - ওয়েবসাইট ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, বাটন ও আইকন

শনিবার, ০৭ আগস্ট ২০১০

ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট করতে অসংখ্য সাহায্যকারী সফটওয়্যার পাওয়া যায়। তারমধ্যে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের কেবলমাত্র একটি সফটওয়্যার নিয়ে এখানে আলোচনা করা হল। উল্ল্যেখিত প্রত্যেকটি সফটওয়্যারই ওপেন সোর্স এবং ইন্টারনেট থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যায়।

শনিবার, ০৭ আগস্ট ২০১০
গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে আউটসোর্সিং নিয়ে সকলের মধ্যে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে যথেষ্ঠ পরিমাণ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এসময় আউটসোর্সিং নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কর্মশালা, প্রশিক্ষণ, পত্রিকায় লেখালেখি ইত্যাদি ছিল চোখে পড়ার মত বিষয়। বেকার সমস্যায় জর্জরিত আমাদের দেশের জন্য আউটসোর্সিং নিঃসন্দেহে একটি সুফলবার্তা বয়ে এনেছে। পড়ালেখার পাশাপাশি বা পড়ালেখা শেষ করে অনেকেই অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিংকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করছেন। কিন্তু ফ্রিল্যান্সার হতে গিয়ে সবাই প্রথম যে বিষয়টি লক্ষ্য করে তা হচ্ছে
শনিবার, ০৭ আগস্ট ২০১০
বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বে এনিমেশন, ওয়েবসাইট, ব্যানার, দ্বিমাত্রিক গেমস ইত্যাদি তৈরির জন্য ফ্লাশ (Flash) অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সফটওয়্যার। আমাদের দেশেও প্রচুর প্রফেশনাল ফ্লাশ ডেভেলপার রয়েছেন। আউটসোর্সিং এর জগতে ফ্লাশের রয়েছে বেশ ভাল কদর। ফ্লাশ দিয়ে তৈরি করা একটি ওয়েবসাইটের দাম সাধারণ ওয়েবসাইট থেকে অনেক বেশি হয়ে থাকে। ফ্লাশ দিয়ে
শনিবার, ০৭ আগস্ট ২০১০

মানিবুকারস (www.MoneyBookers.com) হচ্ছে ইউরোপের একটি অন্যতম প্রধান অনলাইনে অর্থ লেনদেনের প্রতিষ্ঠান। এটি যুক্তরাজ্যের দ্রুত প্রসারমাণ প্রাইভেট টেকনোলজি কোম্পানির মধ্যে প্রথম দশের মধ্যে রয়েছে। ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটির দ্রুত উন্নতি ঘটছে। এর বাৎসরিক লেনদেনের পরিমাণ ৩.৫ বিলিয়ন ইউরো এর উপরে। ২০০৮ সালে

শনিবার, ০৭ আগস্ট ২০১০

আজকে আপনাদেরকে যে সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব তা থেকে কাজ পেতে কোন অপেক্ষা করতে হবে না। এই মূহুর্ত থেকেই কাজে লেগে যেতে পারবেন। সাইটটি হচ্ছে - www.microworkers.com। প্রথম দর্শনে সাইটটিকে আমার খুবই চমৎকার এবং সহজ মনে হয়েছে। মনে হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি ফ্রিল্যান্সাররা এই সাইটকে স্বাদরে গ্রহণ করবে।

ব্যবহারকারীর দেয়া রেটিং: / 1
খারাপউত্তম 
মঙ্গলবার, ০৩ আগস্ট ২০১০

ইদানিং আমাদের মধ্যে একটা চল শুরু হয়েছে, আমরা টিভি সিরিয়াল, সিনেমা বা কম্পিউটার গেইমস্ ডাউনলোড করি। কেনো? বাজারের সিনেমার ডিভিডিগুলিতে কথা কাজের মিল থাকেনা, বেশীরভাগই ভালো কোয়ালিটির হয়না। আর গেইমস্ কিনে আনলে দেখা যায় ভেতরে শত শত ভাইরাস দিয়ে ভরা। তাই অগত্যা ডাউনলোড

রবিবার, ০১ আগস্ট ২০১০

বাংলাদেশের মানুষ এখনো পেপ্যাল একাউন্ট করতে পারেনা। এই মুহূর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ফাহমিদুল হক একটি জরীপ চালাচ্ছেন সেখানে একটি পয়েন্ট হলো অনলাইন কমিউনিটি হিসেবে ব্লগগুলো কোনো জরুরী প্রয়োজনে এগিয়ে আসে কীনা? আসে নি:সন্দেহে। আমরা প্রথম পাতার ডান পাশের একটি বক্সে দেখতে পাই ‘হাত বাড়িয়ে দাও’ শীর্ষক একটি বক্স। আপনারা জানেন

বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০১০

বর্তমান সময়ে জুমলা হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপারদের মধ্যে একটি আলোচিত বিষয়। এটি দিয়ে একদিকে যেমন খুব সহজেই ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়, অন্য দিকে জুমলা হতে পারে ফ্রিল্যান্সারদের আয়ের প্রধান উৎস। প্রায় সকল ফ্রিল্যান্সিং সাইটেই জুমলার কাজ পাওয়া যায়। তবে শুধুমাত্র জুমলা ডেভেলপারদের জন্য সম্পূর্ণ একটি ফ্রিল্যান্সিং পোর্টাল হচ্ছে জুমল্যান্সার্স। এই পর্বে জুমল্যান্সার্স সাইটের বিভিন্ন ফিচার নিয়ে আলোচনা করা হল।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০১০

একটা সময় ছিল যখন পড়ালেখা শেষ করে একজন তরুনকে একটি চাকুরীর জন্য বিভিন্ন কোম্পানীর দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হত। কিন্তু চাকুরী যেন সোনার হরিণ এর মত অধরা থেকে যেত। যদিওবা চাকুরী পাওয়া গেল কিন্তু থাকত না অর্জিত শিক্ষার সাথে কোন সম্পর্ক। পাওয়া যেত না যোগ্যতার উপযুক্ত সম্মান। আর এখন তরুনরা একটা চাকুরীর জন্য বসে নেই, নিজেরাই খোঁজে নিয়েছে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের চাকা। ...ভাবছেন স্বপ্ন দেখাচ্ছি, সত্যি করে

বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০১০

ইন্টারনেটে আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে আয়ের যে সকল পদ্ধতি রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে ওয়েবসাইট তৈরির কাজগুলোতে। এর একটা প্রধান কারণ হচ্ছে ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়ীক উদ্দ্যেশ্যে ইন্টারনেটের উপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরশীলতা। কারণ একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠান একদিকে যেভাবে তার গ্রাহকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে, অপরদিকে বিভিন্ন শহরে বা বিভিন্ন দেশে অবস্থিত নিজস্ব শাখার সাথে আন্তঃযোগাযোগও সহজে এবং কম খরচে করতে পারে। তাই বর্তমান সময়ে একটি ডেস্কটপ সফটওয়্যার তৈরি করার চাইতে ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরি করার দিকেই সবার ঝোঁক থাকে।

ব্যবহারকারীর দেয়া রেটিং: / 1
খারাপউত্তম 
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০১০

ধরে নিচ্ছি আপনি লিনাক্স এবং উবুন্টুর মধ্যে কী সম্পর্ক আছে সেটা জানেন। না জানলেও সমস্যা নেই, এখান থেকে দেখে নিন। যেহেতু আপনি উবুন্টু’র নাম শুনেছেন, সেহেতু ধরে নেয়া যায় যে আপনি কুবুন্টু, জুবুন্টু, লুবুন্টু এইসবের নামও শুনেছেন। এবং সেই সাথে চার-চারটা বুন্টু’র নাম শুনে নিশ্চয়ই মাথায় ব্যাড়াছ্যাড়া লেগে গিয়েছে। নিশ্চয়ই মাথার মধ্যে গাদাগাদি করে বহু প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে! “বুন্টু”র আগে “হ্রস্ব-উ” ঠিক আছে, কিন্তু “বুন্টু”র আগে “কু”, “জু”, “লু” – এইসব লাগানোর শানে নুযুল কি? বিশাল এই বুন্টু ব্যাটেলিয়ন কি কাজে আসে? এত্তোগুলো বুন্টুর মধ্যে সম্পর্কই বা কি? আসুন তাহলে শুরু করা যাক।

উবুন্টু, কুবুন্টু, জুবুন্টু, লুবুন্টু- প্রথমেই এ চারটা শব্দের সাথে পরিচিত হয়ে নিন (যদি আগে শুনে না থাকেন)। কুবুন্টু, জুবুন্টু, লুবুন্টু হচ্ছে উবুন্টু’র বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট বা রূপভেদ। এরা সবাই আদতে উবুন্টুই কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন রূপ। এদের সবগুলোকেই ক্যানোনিকাল তৈরি করে। এদের সবগুলোই একই সাথে রিলিজ হয়। এদের মধ্যে পার্থক্য কেবল এদের ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট (Desktop Environment বা DE)। সোজা করে বললে, ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট বা ডিই হচ্ছে ইউজার ইন্টারফেস। অর্থাৎ যে ইন্টারফেস ব্যবহার করে একজন মানুষ কম্পিউটার ব্যবহার করে। অনেক ধরনের ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট আছে; যেমন: গ্নোম, কেডিই, এক্সএফসিই, এলএক্সডিই ইত্যাদি। সহজভাষায় লিনাক্সবেজড অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করলে ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড দেয়ার পর গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেসের যে ডেস্কটপ দেখেন সেটাই হচ্ছে ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট বা ডিই। ডিইকে অনেকটা পোশাকের সাথে তুলনা করা যায়। উবুন্টু’র ডিই (বা পোশাক) হচ্ছে গ্নোম, কুবুন্টুর হচ্ছে কেডিই, জুবুন্টুর হচ্ছে এক্সএফসিই, লুবুন্টুর হচ্ছে এলএক্সডিই। একই মানুষ বিভিন্ন পোশাক পড়ে যেমন বিভিন্ন রূপে হাজির হতে পারে, ঠিক সেভাবে উবুন্টুর উপর বিভিন্ন পোশাক চাপিয়ে তার চেহারায়ও পরিবর্তন আনা হয়। এজন্য দেখবেন উবুন্টু, কুবুন্টু, জুবুন্টু, লুবুন্টু’র চেহারায় অনেক তফাৎ।

মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০১০

ইদানিং দেখি লোকজন নতুন ফ্যাশান ধরেছে- কম্পিউটারে লিনাক্স ব্যবহার করে! স্টাইল নিয়ে বলে “আমি বন্টু”-”আমি মিন্টু”। ভড়কে গেলেন? ভাবছেন বন্টু-মিন্টু কী জিনিস! হে হে হে, এগুলো হলো গিয়ে উবুন্টু আর মিন্ট ব্যবহারকারীদের নয়া নাম! কম্পুকানা পোলাপান যারা লেখালেখি, গেম আর গান-মুভি ছাড়া কিছু বুঝেনা, তারাও দেখি এখন লিনাক্স চালায়। আবার ঠোঁট উল্টে বলে কিনা লিনাক্স চালাতে কোন কম্পুজ্ঞান লাগেনা। বুঝেন ঠ্যালা! সারাজীবন শুনলাম উইন্ডোজ চালাতে কোন কম্পুজ্ঞান লাগেনা আর এরা বলে কিনা পোলাপান-বুড়াপান-খিলিপান-সবুজপান সবাই নাকি লিনাক্স ব্যবহার করতে পারবে। যাইহোক, ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে আমিও উবুন্টু আর মিন্ট নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লাম। ঘাঁটাঘাঁটি করে বুঝলাম যে লিনাক্সের মত কঠিন ও জঘন্য জিনিস দুইটা নাই। প্রমাণ চান? তাহলে চলেন, সামনে যেতে যেতে আলাপ করি…

আলাপের আগে ছোট একটা কথা। যে জিনিসকে কিলাতে চাই সেটার ছোটখাট কিছু বর্ণনা দেয়া উচিৎ। লিনাক্স হচ্ছে গিয়ে একটা কার্নেল। কার্নেলের সাথে বহু কিছু যোগ-বিয়োগ করে অপারেটিং সিস্টেম বানানো হয়। এভাবে লিনাক্সের অনেকগুলা অপারেটিং সিস্টেম আছে। এই যেমন- উবুন্টু, লিনাক্স মিন্ট, রেডহ্যাট, ফেডোরা, স্যুযে – এরকম বহু ওএস আছে, সবগুলাকেই লিনাক্সের উপর বানানো হয়েছে। তাই সবগুলোকে না নিয়ে এখনকার পোলাপান যেই দুটাকে নিয়ে ফুটুংফাটুং করে সেই দুটা – উবুন্টু আর মিন্ট নিয়েই আলাপ করি।

ব্যবহারকারীর দেয়া রেটিং: / 1
খারাপউত্তম 
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০১০

১। আচ্ছা! চুরির সংজ্ঞা কি? কেবল যে চুরি করে শুধু সে-ই চোর? নাকি যারা তাকে চুরি করতে উৎসাহিত করলো তারাও চোর? যারা চুরি করতে ইন্ধন যোগায় বা উৎসাহিত করে তারা কি চোরের চেয়ে কোন অংশে কম? ধরুন আপনার মোবাইল ফোন দরকার, কিন্তু আপনার পঞ্চাশ হাজার টাকার মোবাইল কেনার সামর্থ্য নেই। হঠাৎ একদিন অফার পেলেন যে ঐ মোবাইলটার একটা চোরাই ভার্সন হাজার পাঁচেক টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আপনি কি করবেন? আপনি কি সেই চোরাই জিনিসটা অল্পমূল্যে কিনে ব্যবহার করবেন? নাকি পাঁচ হাজার টাকায় নতুন একটা ফোন কিনবেন যাতে আপনার প্রয়োজনীয় কাজগুলো (কথা বলা, টেক্সট করা ইত্যাদি) করা যায়? একজন চোরের কাছ থেকে একটা চুরির জিনিস কিনে ব্যবহার করতে কি আপনার এতটুকু খারাপ লাগবেনা? কখনো কি মনে হবেনা এই যে আপনি টাকাটা খরচ করলেন চোরাই জিনিসটা কেনার জন্য, এটা করে আপনি আসলে একজন চোরকে আবার চুরি করতে উৎসাহী করলেন?

বুধবার, ২১ জুলাই ২০১০

ক্ষেতে সেচ দেওয়ার জন্য কৃষককে এখন তেল, ডিজেল বা বিদ্যুতের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না। মাঠ ফেটে চৌচির হবে না সেচের অভাবে। যথাসময় কৃষক পানি পাবে। সেই পানি পেয়ে মাঠের ফসল উঠবে ডগমগিয়ে।

চট্টগ্রামের রাউযান উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের মোঃ জয়নাল আবেদীন জসীম। জ্বালানিবিহীন সেচপাম্প তার তৃতীয় উদ্ভাবন। এর আগে তিনি উদ্ভাবন করেছেন পানি দিয়ে ডিজেল সাশ্রয়ী গাড়ি চালানো, নামেমাত্র বিদ্যুৎ খরচ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন। এবার তিনি দীর্ঘ আট বছর গবেষণা করে উদ্ভাবন করেছেন জ্বালানিবিহীন সেচপাম্প। এই সেচপাম্পে কোনো রকম বৈদ্যুতিক চার্জ বা জ্বালানি ছাড়া একাধারে ২০ ঘণ্টা চলতে সক্ষম। প্রথমে একটি ব্যাটারির মাধ্যমে পাম্পটিকে চালু করা হলে পরবর্তীতে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে থাকবে দীর্ঘ সময়। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি ও কাঁচামাল ব্যবহার করে তৈরি করা জয়নালের সেচপাম্পটি কৃষকের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে।

লেখক : এ্যাডভোকেট আলেয়া রাহাত, খুলনাক্ষেতে সেচ দেওয়ার জন্য কৃষককে এখন তেল, ডিজেল বা বিদ্যুতের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না। মাঠ ফেটে চৌচির হবে না সেচের অভাবে। যথাসময় কৃষক পানি পাবে। সেই পানি পেয়ে মাঠের ফসল উঠবে ডগমগিয়ে।

রবিবার, ১৮ জুলাই ২০১০

 

ছবি

আপনারা কি আমাদের চেহারাটা দেখতে চান কিংবা নিজের চেহারাটা দেখাতে চান? অথবা, উবুন্টু বা লিনাক্স মিন্টের প্রচার করতে গিয়ে নিজে কি কি নাকানি-চুবানি খেয়েছেন কিংবা কবে, কার কাছে দাবড়ানি খেয়েছেন সেইসব মনের দুঃখের কথা বলার মানুষ পাচ্ছেন না? অথবা এইসব উবুন্টু আর লিনাক্স মিন্টু 'অ্যাজাইরা প্যাঁকপ্যাঁক' শুনতে শুনতে আপনি চরম বিরক্ত? বহুদিন ধরে ভাবছেন 'সামনে পাইলে এক ঝাড়িতে লিনাক্সের ভুত ভাগাইয়া দিতাম!', কিন্তু ভুত ভাগানোর লোকগুলোকে নাগালে পাচ্ছেন না? কিংবা 'হুমম, এরা যে এতো নাচতেছে, এগো স্বার্থটা কি?!' ভেবে মাথা চুল্কে টাক ফেলার যোগাড় করে ফেলছেন? ব্যস! তাবড় প্রশ্ন আর সমস্যার সমাধান দিতে বাংলাদেশের সকল চিপাচাপা থেকে সব বন্টু আর মিন্টু-রা ঢাকায় জড় হচ্ছেন আগামী ২৩ জুলাই, ২০১০। তো আসুন, সবাই মিলে একটু আড্ডা পেটাই। :C

অনুষ্ঠানের বিস্তারিত:
অনুষ্ঠানের নাম: বন্টু-মিন্টুর আড্ডা
তারিখ: ২৩ জুলাই, ২০১০, শুক্রবার
সময়: বিকাল ৩:৩০ থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০
স্থান: আরসি মজুমদার মিলনায়তন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ফেসবুক ইভেন্ট লিংক: ক্লিক করুন...
গুগল ম্যাপে অবস্থান দেখুন: ক্লিক করুন...

রবিবার, ১১ জুলাই ২০১০
বার্মার সরকারী টেলিভিশনে একটি সতর্কবার্তা প্রচার করা হয় - ‘চায়নার বিষাক্ত কৃত্রিম ডিম থেকে সাবধান’। এই সতর্কবার্তায় বলা হয়, বার্মার রেঙ্গনে সীমান্ত পথ দিয়ে চায়না থেকে কৃত্রিম হাঁস ও মুরগীর ডিম পাচার হয়ে আসছে যা দেখতে অবিকল হাঁস মুরগীর ডিমের মতো। কৃত্রিম উপায়ে প্রস্ত্ততকৃত এই ডিমগুলো চায়না থেকে সীমান্তবর্তী পথ দিয়ে বার্মাসহ আশে পাশের প্রায় সব দেশে পাচার হচ্ছে। বার্মার সরকারী টেলিভিশনে খবরের সত্যতা প্রচারের জন্য হাঁস ও মুরগীর প্রাকৃতিক ডিমের সাথে রাসায়নিকভাবে প্রস্ত্ততকৃত কৃত্রিম ডিমের ছবিও দেখানো হয়। খবরে বলা হয় রাসায়নিক ভাবে প্রস্ত্ততকৃত কৃত্রিম ডিমের কুসুম দেখতে অনেকটা হলুদ রংয়ের মনে হয় এবং এটি প্রাকৃতিক ডিমের মতো নয়। বার্মার সরকারী টেলিভিশন থেকে প্রচার করা হয় যে, কোন ব্যক্তি যদি ডিম ব্যবহার, রান্না অথবা বেচাকেনার সময় কৃত্রিম ডিমের সন্ধান পান তবে অবশ্যই আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কতৃপক্ষকে জানাতে হবে।

প্রিয় পাঠক, বার্মার রাষ্ট্রিয় টিভি চ্যানেল এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট মর্ণি নিউজ এজেন্সি থেকে এ সংবাদ প্রচারের সাথে সাথে জনমনে কৃত্রিম ডিম সম্পর্কে আতংক সৃষ্টি হয়। বার্মার প্রচার মাধ্যমে যখন এ সংবাদটি প্রচারিত হয় ঠিক তার কিছু সময় পর থাইল্যান্ড, শ্রীলংকা, বাংলাদেশ, ভারত, চীন সহ পৃথিবীর উন্নত ও উন্নয়নশীল প্রায় সব দেশে কৃত্রিম ডিমের সত্যতা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তৈরী হয়। আমেরিকা ভিত্তিক ইন্টারনেটে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সায়েন্টিফিক জার্নাল যেমনঃ- The Internet Journal of Toxicology উক্ত কৃত্রিম ডিমের উৎস, গবেষনা, ইত্যাদি বিষয়ে বিশ্লেষন ধর্মী তথ্য প্রচার করে। খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মধ্যে অনেকেই কৃত্রিম ডিম আবিস্কারকে পৃথিবীর সবচেয়ে বিস্ময় ও অবিশ্বাস্য আবিস্কারের সাথে তুলনা করেন। যদিও অনেক পুষ্টি বিজ্ঞানী কৃত্রিম ডিম আবিস্কারকে অবাস্তব ও আষাঢ়ে গল্পের সাথে তুলনা করেছেন।
শনিবার, ০৩ জুলাই ২০১০

Make Money Online

There are many ways to make money online. I like to group them into three main categories:

  1. Making money selling your stuff
  2. Making money selling other people’s stuff
  3. Getting paid to do something

Let’s talk a little more about each of these categories…

Way #1 – Making money selling your stuff
When most people think of starting a business they think of selling their own stuff. Here are some of the ways that people sell their own stuff online:

ExitJunction.com  - Make Money From Your Exit Traffic!
  1. Selling products
    When I started out online my intention was to create educational software and sell it online. Like myself, most people that start a business online start off with the idea of selling a product. Almost every product imaginable can be sold online. Arguably, the easiest to create are information products.
  2. Selling Services/Freelancing
    One of the quickest ways to start making money online is by selling your services. You call sell all kinds of services online. Some of the more common online services being sold are web design, freelance writing, coaching/teaching, virtual assistants, copywriting, traffic generation, and software development.
  3. Domaining
    Domaining is essentially the process of buying and selling domains. While I own quite a few domains, most of them were bought with the purpose of developing them at some point in time. Although, I would be willing to sell some of them. For example, when John Reese bought trafficjam.com I wish he had contacted me about buying one of my domains blogtrafficjam.com, since I am not sure I will develop the idea I had for it when I bought it several years ago.
  4. Website Flipping
    Website flipping is a very tempting business model to me. Flipping websites is a lot like flipping houses. You buy a website with the sole purpose of making it better so that you can turn around sell it. Much like house flipping, you should buy a website with good potential that is not properly monetized and/or not properly designed and marketed. After “rehabbing” the website, you can sell it at a much higher price. This process sounds like fun to me, except that I would have a hard time parting with the site after fixing it. I am more likely to buy a website, fix it up, and keep it for the residual income.

 

শনিবার, ০৩ জুলাই ২০১০

Joomla! 1.5 SEOProduct Description
Some sites always appear at the top of a search result while others fail to even make it to the top ten. Wouldn’t you want to see your site on the first page of any search result? This is not easily feasible if you are depending solely on the marketing guys whom you hire for SEO.

Joomla! SEO will help you to attract more visitors and improve the way you rank in search engines by giving you the techniques and knowledge to work your site into higher visitor numbers. It will help you to create and improve your site in an easy way. Joomla! is great, and you can make it perform even better by using the guidelines and ideas in this book.

Search Engine Optimization is becoming a must for every web site. As the competition on the Internet grows you need to make sure your site is among the top results on the major search engines. More and more people use search engines to find the information they are looking for, so you need to make sure you show up in those search result pages to get those visitors to your web site.

শনিবার, ০৩ জুলাই ২০১০

All Wordpress Themes from One ThemeThumbnail Generator

One Panel does the work for you when it comes to thumbnails…

Easily search for a post and choose between three easy options:

  • Upload an image from your computer.
  • Scan the current article for images to assign as thumbnails.
  • Grab an image from a URL.

One Panel will crop your image to the right size, not only once, but for all the Thumbnail types you choose to generate for the post.

শনিবার, ০৩ জুলাই ২০১০

Shift+Refresh Is Like the Restart Button for Web SitesWhen a friend or family member comes to you asking for help with a program that's not working correctly, the first thing most of us ask is: "Did you try restarting?" When I'm talking web sites, it changes to: "Did you Shift+Refresh?"

Note: For the purposes of this discussion, I'm assuming the person with the problem still has an active internet connection and every other web site is working just fine. And this isn't a new browser feature or shortcut by any means, but we've never fully covered it, and it's a lifesaver.

শনিবার, ০৩ জুলাই ২০১০


Browser Speed Tests: The Latest Chrome, Firefox, Opera, and Safari—on a MacMany readers have asked us to replicate our browser speed tests on a Mac, to see the difference in platforms and performance. So we snagged a new MacBook Pro when nobody was looking and tested the latest browsers on it.

While this is a pretty good match to the tests we just finished on Windows, we're adding in a Firefox 4 pre-release build and the final version of Opera 10.6—which, all told, probably isn't that different from the beta, given the short time distance between them. We used the same browser testing parameters we're regularly using for Windows browsers, with a few exceptions.

মঙ্গলবার, ২৯ জুন ২০১০

Photobucketবিল পরিশোধ হোক আর ক্রেডিট সংক্রান্ত সমস্যা হোক, যুক্তরাষ্ট্র হতে ১৮০০ নাম্বারে ডায়াল করলে প্রায়শই ফোনের অপর প্রান্ত হতে ভেসে আসে পরিচিত গলার আওয়াজ। তিতা মিঠা যাই হোক, পৃথিবীর এ অঞ্চলে বসবাসকারী সবাইকে কম বেশি এ অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হয়। বলছিলাম ভারত ও দেশটার বিদেশমুখী কলসেন্টার গুলোর কথা। ভারতীয়দের ইংরেজী উচ্চারণ নিয়ে এ দেশে (যুক্তরাষ্ট্র) অনেক ঠাট্টা তামাশা হয়, আলোচনা সমালোচনা হয়। উচ্চারণে ডিফেক্ট থাকলেও ব্যাকরণ আর ফ্লুয়েন্সিতে এদের সুনাম বিশ্বব্যাপী। বাংলায় একটা কথা আছে ’ভ্রমরে ভ্রমর চিনে‘। এ অর্থে কর্পোরেট দুনিয়াও ভারতকে চিনতে ভুল করেনি। আউটসোর্সিং আর ইনসোসিং’এর আষ্টেপৃষ্ঠে বাধা পরলেও পশ্চিমা দুনিয়ায় ভারত বিরোধীদের সংখ্যা হাতে গোনার মধ্যেই সীমিত থাকবে। সিটি গ্রুপের মত কর্পোরেট জায়ান্ট কে সচল রাখতে যেমন ভারতীয় সিইওর দ্বারস্থ হতে হয়, তেমনি আমেরিকার নিভৃত অঞ্চলের গর্ভবতী মাকেও প্রয়োজনে সাহায্য নিতে হয় ভারতের ব্যাঙ্গালুরের। প্রশ্নটা অনেকের মত আমার মাথায়ও ঘুরপাক খায়, কেন বিক্রম পণ্ডিত, কেন ব্যাঙ্গালুর? আমাদের ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী কি হতে পারত না এর বিকল্প?

এ নিয়ে জাতিকে বেশকিছু মেগা স্বপ্ন দেখিয়েছিল ১/১১ সরকার। কথা ছিল বাংলাদেশ হবে দুনিয়াব্যাপী আউটসোর্সিংয়ের অন্যতম প্রধান ঠিকানা। প্রাথমিকভাবে এ খাত হতে ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (যদি ভুল না হয় টাকার অংকে প্রায় ৪২,০০০ কোটি) আয়ের লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল এ খাত পোশাক শিল্পকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের জন্যে হয়ে দাঁড়াবে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। এ উদ্দেশ্য ৪২৬ টি কল সেন্টারের লাইসেন্সও ইস্যু করা হয়েছিল। হুম! স্বপ্ন বোধহয় শুধু দেখার জন্যেই, অন্তত বাংলাদেশের বেলায়। তা না হলে আজ কেন শুধু ৮৯ টা চালু থাকবে (বর্তমান আয় শতকরা ১ ভাগেরও কম)! এই ৮৯টির অবস্থাও না-কি তথৈবচ এবং যে কোন মুহূর্তে সমাহিত হওয়ার প্রহর গুনছে। স্বপ্ন আর বাস্তবতার মাঝে যোজন যোজন মাইলের দূরত্বের মূল কারণ হিসাবে উল্লেখ করা হচ্ছে দক্ষ জনবল। এক কথায়, প্রয়োজনীয় ইংরেজী।

বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০১০

VoIP in Bangladeshখুবই চমকপ্রদ ও অভিনব খবর। আপনাদের অনেকেরই হয়ত মনে আছে অবৈধ বিদেশি কল আদান-প্রদান (ভিওআইপি) বন্ধে সরকারের জেহাদ ঘোষণার কথা। এ ব্যবসায় জড়িত অনেক রাঘব বোয়ালদের নেটওয়ার্ক গুড়িয়ে দিয়ে সাফল্যের বাহবা নিতেও ভুল করেনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও তার মন্ত্রী। তবে বাস্তবতা হল, চাঁদের অন্য পিঠের মত অন্য একটা পীঠ থাকে দেশীয় খবরে, যা ঘন্টা বাজিয়ে উন্মোচন করা হয়না ভিন্ন কারণে। এতদ্সংক্রান্ত তেমনি একটা খবর প্রকাশ করেছে দৈনিক প্রথম আলো। পত্রিকাটি লিখছে অবৈধভাবে বিদেশি কল আদান-প্রদানের (ভিওআইপি) ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে সরকারি মালিকানাধীন টেলিটকের সংযোগ। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) হিসাবে গত ৩৯ দিনে ২২ হাজার ১৬৭ বার টেলিটক সংযোগ দিয়ে অবৈধ ভিওআইপি করা হয়েছে। এ হিসাবে ভিওআইপির অবৈধ ব্যবহারের মোট সংযোগের ৫৯ শতাংশই টেলিটকের। বিটিআরসির হিসাবে, ৩৯ দিনে টেলিটকের তিন হাজার ৬২টি সংযোগে কথা বলা হয়েছে ২২ হাজার ১৬৭ বার। অবৈধ ভিওআইপি বন্ধে সরকারী জেহাদের পাশাপাশি বেসরকারী ৪টি মোবাইল কোম্পানী শুরু করেছে তাদের নিজস্ব জেহাদ। নিজেদের গা হতে অবৈধতার কালিমা দূর করার জন্যে বসিয়েছে অবৈধ কল ডিটেক্ট মেশিন।

সোমবার, ১৪ জুন ২০১০

রাজধানীতে দিন দিন বাড়ছে জনসংখ্যার চাপ। সেইসঙ্গে প্রতিদিনের অন্যান্য সমস্যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যোগাযোগের প্রকট এক সমস্যা। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য সরকারি তরফে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিকল্পনা নেয়াও হয়েছে। এর মধ্যে বেশ কিছু প্রকল্প আলোর মুখও দেখেনি আবার বেশ কয়েকটি সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দাঁড়িয়েছে। জানা গেছে, ঢাকা শহরকে পরিছন্ন নগর হিসেবে গড়ে তুলতে, যানযট কমাতে এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হলে বর্তমান সরকারের নেয়া বেশ কিছু কর্মসূচি সফলভাবেই সম্পন্ন করতে হবে। সরকারের গৃহীত এসব কর্মসূচির মধ্যে যেমন অবকাঠামোগত উন্নয়ন আছে তেমনি রয়েছে প্রযুক্তির উৎকর্ষতাও।

বর্তমান সরকারের ‘ভিশন ২০২১‘ কার্যকর করতে গত অর্থবছরে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশকিছু প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। এসব প্রকল্প প্রযুক্তিগত ও কারিগরি দিক থেকে বাংলাদেশকে বড় স্বপ্ন দেখাতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ এইসব প্রজেক্ট বাস্তবায়িত হলে দেশ অনেকটাই এগিয়ে যাবে। এসব প্রকল্পের মধ্যে কয়েকটির প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরুও হয়েছে। এ প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, পদ্মা বহুমুখী সেতু, ঢাকা বৃত্তাকার উড়াল সড়ক বা ফ্লাইওভার এবং মেট্রোরেল। এছাড়াও আছে হাইটেক পার্ক ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতু এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনবৃদ্ধিসহ বেশকিছু প্রকল্পও।

সর্বশেষ মন্তব্যঃ

আরও সংবাদ...