Fakir Abdur Razzak

সোমবার, ২৩ আগস্ট ২০১০

“মৃত্যুর পরেও যদি মানুষের উপকার করা যায়, কবর না দিয়ে মোরে পাঠিয়ে দিও চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়” এ উক্তি পোষন করেছেন কবিরাজ হোসেন মোল্লা (৮২)। তিনি অন্ধ এতিম ও দুস্থদের কল্যানে সবকিছু

বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট ২০১০

১৯৭১ সালে শক্ত হাতে যে কাঞ্চন বেগ রনাঙ্গন কাঁপিয়েছিলেন। নয় মাস যুদ্ধ করে যে ছিনিয়ে এনেছিলেন সবুজে রক্তে লাল বিজয় পতাকা। সেই রনাঙ্গণ কাঁপানো মুক্তিযোদ্ধা কাঞ্চন বেগ (৬০) এখন জীবন যুদ্ধে আজ পরাজিত। দিনমজুরের কাজ করে স্ত্রী, ৩ পুত্র, ২

বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট ২০১০

Gournadi.com বিশেষ প্রতিবেদনঃ মানদাত্তার আমলের গ্রামের সহজ সরল কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে কৃষি উৎপাদনে কৃষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান, কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারন, পরিবেশ বান্ধব চাষাবাদ, কৃষকদের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন, সর্ব প্রথম ফেরোমন ট্রাপ (যাদুর বাক্স) ব্যবহার বৃদ্ধি ও কৃষির উন্নয় সাধনের লক্ষে

বুধবার, ১৮ আগস্ট ২০১০

মোঃ নুরুল ইসলাম (৪১) একজন চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা। চাকুরীর মাত্র ৫ বছরে মধ্যেই দেশ মাতৃকার টানে দুরন্ত সাহসিকতায় অসামান্য অবদানের জন্য লাভ করেন রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম)। এরপরেও থেমে থাকেনি এ চৌকস

বুধবার, ১৮ আগস্ট ২০১০

সিনেমার গল্পকাহিনীকেও হার মানিয়েছে বরিশালের প্রত্যন্ত আগৈলঝাড়া উপজেলার কাঠিরা গ্রামের শতীশ অধিকারী (৫৫)। এক সময় ভিক্ষা করেই সংসার চালাতেন শতীশ। সে সময় তার একটাই ইচ্ছে ছিল ভবিষ্যতে বাবা লোকনাথের নামে নয়নাভিরাম একটি মন্দির ও আশ্রম প্রতিষ্ঠিত করার। শ্রী শ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীকে বুকে ধারন করে ভিক্ষুক থেকে কিনারাও খুঁজে পেয়েছেন।

 

বুধবার, ১৮ আগস্ট ২০১০

দারিদ্রতার নির্মম কষাঘাতেও পিছু ফেরাতে পারেনি শারিরিক প্রতিবন্ধী ইভা রায়কে (৩৫)। অভাবী পিতার সংসারে যেখানে নুন আনতে পান্তা ফুয়ায় সেখানে শারিরিক প্রতিবন্ধী হয়েও ভিক্ষার জন্য তিনি হাত বাড়ায়নি কারো কাছে। আপন প্রতিভাগুনে প্রতিভাবান কণ্ঠ শিল্পী ইভা রায়ের দ্রুতি ছড়াতে থাকে গ্রাম থেকে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে। স্থানীয় পর্যায়ের যেকোন অনুষ্ঠান ইভাকে ছাড়া

বুধবার, ১৮ আগস্ট ২০১০

Gournadi.com

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার জোবারপাড় গ্রামের আত্মপ্রত্যয়ী এক নারীর নাম শচি রানী হালদার (৬০)। বয়স বেড়ে গেলেও থেমে থাকেনি তার জীবন সংগ্রাম। শিক্ষা বঞ্চিত অবহেলিত শিশুদের মাঝে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে পাঠশালা খুলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন তিনি।

মঙ্গলবার, ১৭ আগস্ট ২০১০

খোকন আহম্মেদ হীরা, আগৈলঝাড়া থেকে ফিরে ॥ বরিশালের হিন্দু সম্প্রদায় অধৃষ্যিত প্রত্যন্ত অঞ্চল আগৈলঝাড়া উপজেলা। ওই উপজেলার জোবারপার নামকস্থানে ভক্তদের অনুদানে তিল তিল করে গড়ে উঠেছে দৃষ্টি নন্দন কারা শ্রীমৎ স্বামী মনোহর গোস্বামী

ব্যবহারকারীর দেয়া রেটিং: / 1
খারাপউত্তম 
সোমবার, ১৬ আগস্ট ২০১০

জীবন নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে শেষ বিকেলে সবাইকে ভাবতে হয় তার অতীত জীবনের প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি নিয়ে। কেন সে এসেছেন এ পৃথিবীতে। আর কতটাই বা সফল হয়েছে তার এই আগমনের উদ্দেশ্য..? যুগে যুগে অনেক মনিষীরা এসেছেন আলোকিত করতে এ ধারিত্রিকে। তেমনি এক জাগ্রত বিবেকের মানুষ মহারাজ মন্ডল। মহারাজ নামটির মধ্যেই নিহিত তাঁর জীবনের মহত্ব এবং কর্মময় জীবনের ব্যাপ্তি। তিনি নিজেকেনিবেদিত করেছেন মানুষের মাঝের মনুষ্যত্বকে বিকশিত করার কাজে। যারা তাঁর সান্নিধ্য লাভের

সোমবার, ১৬ আগস্ট ২০১০

নিঃসন্দেহে তিনি একজন গুনীব্যক্তি। সংগীত বোদ্ধাতো বটেই। সেই সাথে তিনি সংগীত বিশেষজ্ঞও। এ যাবৎ তিনি লিখেছেন পাঁচ’শর অধিক বিভিন্ন আঙ্গিকের গান। সংগীতে বহুমুখী প্রতিভাধর এ ব্যক্তিটি বিভিন্ন মাধ্যমে সমাজ সচেতনতা সৃষ্টির জন্য নানা কর্মকান্ডে কখনও সংগঠক, স্ত্রিপ্ট রাইটার, মডেল, শিল্পী, গীতিকার, সুরকার, কখনও বা নির্দেশকের গুরু দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

রবিবার, ১৬ মে ২০১০

প্রতিবন্ধিরা সমাজের বোঝা নয়। এ দিপ্ত শপথ নিয়ে প্রতিবন্ধিদের স্বাবলম্বী করতে জীবন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধি মো. বদিউল আলম বাবুল। চোখে আলো নেই তার। তবুও তিনি নিজেকে শিক্ষার আলোয় অলোকিত করে সমাজের প্রতিবন্ধিদের আলোকিত করার প্রত্যয় নিয়ে নেমেছেন জীবন সংগ্রামে।
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বারপাইকা গ্রামের মৃত মো. এরফান শাহ পুত্র বদিউল আলম জানান, জন্মের ৪ বছর পর ১৯৭৭ সালে জল বসন্ত (চিকেন পক্স) রোগে আক্রান্ত হয়। হত দরিদ্র পিতা টাকার অভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে পারেননি। বিনা চিকিৎসায় ধুকে ধুকে তিনি দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলেন। শৈশব থেকে তিনি ভাবেন পরিবার ও সমাজের বোঝা হবেন না। তিনি নিজেকে শিক্ষার আলোয় অলোকিত করে সমাজের প্রতিবন্ধিদের আলোকিত করার প্রত্যয় নিয়ে নেত্রকোনা অন্ধ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখান থেকে লেখাপড়া শুরু করে অগৈলঝাড়া শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজ থেকে সাইটেড পারসন দ্বারা পরিক্ষা দিয়ে বিএ পাস করেন। ১৯৯১ সালে প্রতিবন্ধিদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ও পূর্ণবাসনের লক্ষে বদিউল আলম ‘প্রতিবন্ধি উন্নয়ন সংস্থা’ (বিপিইউএস) নামের একটি বে-সরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। উক্ত সংস্থার মাধ্যমে তিনি গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, উজিরপুরসহ পার্শ্ববতী এলাকার প্রতিবন্ধিদের মানবিক ও দক্ষতা প্রশিক্ষন, দর্জি, বাঁশ বেত শিল্প, হাঁস মুরগী ও গবাদী পশু পালনের প্রশিক্ষন দিয়ে সহজ শর্তে ও বিনামুল্যে ঋন দিয়ে এ যাবৎ ২২০ জন প্রতিবন্ধিকে স্বাবলম্বী করেছেন। বদিউল আলম আরো জানান, ভবিষ্যতে তিনি প্রতিবন্ধি আবাসিক প্রশিক্ষন কেন্দ্র স্থাপন করে প্রতিবন্ধীদের প্রশিক্ষন দিয়ে পূর্ণবাসন করবেন।
আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়াম্যান গোলাম মোর্তুজা খান বলেন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বদিউল আলমের কর্মকান্ড প্রসংশনীয়। তার এ কর্মকান্ডে অনেক প্রতিবন্ধীরা আজ স্বাবলম্বী হয়েছেন।

শনিবার, ০১ মে ২০১০

শনিবার, ০১ মে ২০১০

এ্যাহনো মাটে (মাঠে) নামলে মোরে দুই চাইড্যায় ধইরা রাকতে পারবেনা। তয় এ্যাহন মুই খেলার মাটে যাইনা। পেপার ও বই পইড়া সোমায় (সময়) কাটাই। গাও গ্রারামের মানুষের যাতে উন্নতি হয় হেইয়ার লাই¹া ঘুইরা ঘুইরা মানুষরে বুদ্ধি পরামর্শ দেই। এইয়াতে (তাতে) মোর কোন ক্লান্তি নাই। এ ভাবেই দীপ্ত কন্ঠে নিজের মনবল ব্যক্ত করলেন এক সময়ের তুখর হা-ডু-ডু ও কাবাডি খেলোয়ার আব্দুল গনি সিকদার (৬৩)।
ব্যাক্তি জীবনে একাধারে একজন সফল জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজ সংগঠক। ৩০ বছর বৃহত্তর বরিশাল, ফরিদপুর ও পাশ্ববর্তী জেলায় তৎকালীন সময়ের জনপ্রিয় হা-ডু-ডু ও কাবাডি খেলোয়ার গনি সিকদারের জীবন চিত্র নিয়েই এ প্রতিবেদন।
এলাকাবাসী ও গনি সিকদারের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কালকিনি উপজেলার কয়ারিয়া গ্রামের ১৯৪৭ সালে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন গনি সিকদার। রমজানপুর বাঁশতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেনীতে অধ্যায়নরত অবস্থায় তার হা-ডু-ডু খেলার নৈপুন্য এলাকাবাসিকে মুগ্ধ করে। ধীরে ধীরে তার হা-ডু-ডু খেলার সুনাম উপজেলা থেকে জেলায় ছড়িয়ে পরে। একসময় বৃহত্তর বরিশাল ও ফরিদপুরের কৃতি হা-ডু-ডু খেলোয়ার হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।

সোমবার, ২২ মার্চ ২০১০

দীর্ঘ ১৮ বছর তিনি দাতা সংস্থার দেশ সুইজারল্যান্ডে জীবন যাপন করছেন। এমনকি ওইদেশের গুনধর এক মেয়েকে জীবন সঙ্গীনি হিসেবে বিবাহ করে নাগরিত্ব লাভও করেছেন। পেশায় তিনি একজন ট্যান্সলেটর। বাংলাদেশে জন্মগ্রহন করেও তিনি এখন পুরোপুরিই সুইজারল্যান্ডের বাসিন্দা হওয়া সত্বেও স্বদেশবাসীর কল্যানে তাকে সর্বক্ষন তাঁড়িয়ে ফেরে। দেশকে দারিদ্র মুক্ত করাই হচ্ছে তার মূল লক্ষ। একইসাথে নিরক্ষরতা ও বেকারত্ব দূর করন, যুব সমাজকে একধাপ এগিয়ে নেয়াসহ প্রতিবন্ধী ও অনাথ শিশুদের কল্যানে তিনি প্রায়ই ছুটে আসেন নিজ জন্মভূমিতে।
তার জীবন সঙ্গীনির মহতি উদ্যোগ ও দাতা সংস্থার দেশ সুইজারল্যান্ড সরকারের সহযোগীতায় স্বদেশবাসীর উন্নয়নে ইতোমধ্যে তিনি নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। তার এসব পরিকল্পনা নিজের প্রতিষ্ঠিত পল্লীসেবা বহুমুখী সংস্থা নামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে তিনি সফল করে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ ২০১০

১৯৫২ সালের সর্বদলীয় রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক কাজী গোলাম মাহবুব ওরফে ছরু কাজীর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ শুক্রবার। এ উপলক্ষে তার জন্মভূমি বরিশালের গৌরনদীতে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে।
জানা গেছে, ১৯২৭ সালের ২৩ ডিসেম্বর বরিশালের গৌরনদী উপজেলার লাখেরাজ কসবা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন কাজী গোলাম মাহবুব ওরফে ছরু কাজী।

শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০১০

এবার ইঁদুর প্রতিরোধে ভেষজ পদ্ধতিতে উদ্ভাবন করা হয়েছে ম্যাজিক ওয়াটার। ম্যাজিক ওয়াটার মাটিতে মিশিয়ে বা ফোমে ভিজিয়ে জমিতে রাখলে গন্ধেই চলে যাবে কৃষি ক্ষেতের প্রধান শত্র“ ইঁদুর। কম খরচ ও পরিবেশ বান্ধব এ প্রযুক্তিটি উদ্ভাবন করে অল্পদিনেই এলাকার কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার উত্তর পালরদী গ্রামের তরুন ভেষজ গবেষক কৃষক আহছান উল্লাহ।

রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১০

স্টিভ জবস বিশ্বখ্যাত কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল ও অ্যানিমেশন স্টুডিও পিক্সারের (টয় স্টোরি, ফাইন্ডিং নিমো, মনস্টার ইনকরপোরেটেড, ওয়াল-ই, আপ-এর মতো অসাধারণ অ্যানিমেশন তৈরি করেছেন) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন বক্তা হিসেবে ২০০৫ সালে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন স্টিভ জবস। সে বছর ১২ জুন এক ঝাঁক তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থীর সেই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যে ভাষণটি তিনি দিয়েছিলেন, সেটি সত্যিই অসাধারণ।
ভাষান্তর সিমু নাসের

প্রথমেই একটা সত্য কথা বলে নিই। আমি কখনোই বিশ্ববিদ্যালয় পাস করিনি। তাই সমাবর্তন জিনিসটাতেও আমার কখনো কোনো দিন উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন পড়েনি। এর চেয়ে বড় সত্য কথা হলো, আজকেই কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান সবচেয়ে কাছে থেকে দেখছি আমি। তাই বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে নিজেকে অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি। কোনো কথার ফুলঝুরি নয় আজ, স্রেফ তিনটা গল্প বলব আমি তোমাদের। এর বাইরে কিছু নয়।
আমার প্রথম গল্পটি কিছু বিচ্ছিন্ন বিন্দুকে এক সুতায় বেঁধে ফেলার গল্প।

ভর্তি হওয়ার ছয় মাসের মাথাতেই রিড কলেজে পড়ালেখায় ক্ষ্যান্ত দিই আমি। যদিও এর পরও সেখানে আমি প্রায় দেড় বছর ছিলাম, কিন্তু সেটাকে পড়ালেখা নিয়ে থাকা বলে না। আচ্ছা, কেন আমি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়লাম?

রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১০

স্ট্রবেরি বিদেশে বাজারজাত করতে চান


সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও রসালো ফল স্ট্রবেরি। আর এ পুষ্টিকর ফল প্রথমবারের মতো চাষ করে বাম্পার ফলন ফলিয়েছেন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার উত্তর পালরদী গ্রামের কৃষক আহছান উল্লাহ। তিনি তার ক্ষেতের স্ট্রবেরি ফল বিদেশে বাজারজাত করতে চান।
সফল কৃষক আহছান উল্লাহ নিজ বাড়ির সংলগ্ন ২৪ শতক জমিতে প্রথমবারের মতো স্ট্রবেরি চাষ শুরু করেন। গত বছর নভেম্বর মাসে রাজশাহী থেকে ২ হাজার চারা ক্রয় করে এনে রোপন করার মাত্র ২ মাস পরেই প্রতিটি স্ট্রবেরি গাছে ব্যাপক ফল ধরেছে।

শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১০

নিজগ্রামে কোন শহীদ মিনার নেই

১৯৫২ সালের সর্বদলীয় রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক কাজী গোলাম মাহবুবের স্মৃতি বিজরিত জন্মভূমি বরিশালের গৌরনদী পৌর এলাকার লাখেরাজ কসবা গ্রামসহ পাশ্ববর্তী মহল্লা কিংবা ওইসব এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ইসলামিক মিশনেও নেই কোন শহীদ মিনার। দু’একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিবছর কলাগাছ দিয়ে শহীদ মিনার নির্মান করা হলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানেই ভাষা শহীদদের স্মরনে কোন কর্মসূচী পালন করা হচ্ছেনা।
সরেজমিনে এলাকাবাসির সাথে আলাপকালে জানা গেছে, ১৯২৭ সালের ২৩ ডিসেম্বর লাখেরাজ কসবা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন কাজী গোলাম মাহবুব ওরফে ছরু কাজী।

মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০১০

বাউকুল বাগান

আর্থিক অনটনের কারনে ছাত্রজীবন থেকেই পরাশুনার পাশাপাশি স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন গৌরনদীর উত্তর চাঁদশী গ্রামের সন্তোষ কুমমার দাসের পুত্র সমরদাস। আর এই স্বপ্ন পুরনে তিনি বেছে নেন বৃক্ষরোপন কার্যক্রম। নানান প্রতিকুলতা পাড় হয়ে সমরদাসের ভাগ্য ফেরাল বাউকুল বাগান।


বাউকুল বাগানটি পরিদর্শনে গেলে সমরদাস জানান, সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র থাকা কালে পাচটি সবরি কলার চারা রোপন করেন তিনি। সেই গাছের কলা বিক্রি করে ১ হাজার টাকা মুলধন জমা হলে এ কাজে আরো উৎসাহিত হয়ে পড়েন তিনি।

সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০১০

সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০১০

১৫৪ তম জন্মবার্ষিকী পালিত

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর গ্রামের বাসিন্দা মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্তের ১৫৪ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল সোমবার সকালে র‌্যালী ও স্মরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্তের প্রতিষ্ঠিত বাটাজোর অশ্বিনী কুমার দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে সকালে বনার্ঢ্য র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালীটি বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কসহ বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। শেষে হাই স্কুলের মিলনায়তনে স্মরন সভায় স্কুল ম্যানের্জিং কমিটির সভাপতি বক্তব্য রাখেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক সদানন্দ চক্রবর্তী, সহকারি শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইদ হোসেন, ছাত্র মাসুদ, রিয়াজ প্রমুখ।

সর্বশেষ মন্তব্যঃ

আরও সংবাদ...