আর্কাইভ

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও কিছু কথা!

মফস্বল সাংবাদিকদের একটি জাতীয় সংগঠন

আহমেদ আবু জাফর ॥  মূল কথা: ‘জেগে ওঠো বাংলার বিবেক’ দেশের মফস্বল সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা ও মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম’ বিভিন্ন দাবী আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবে। বিএমএসএফ দেশের মফস্বল পর্যায়ের প্রতিটি জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকদের একটি জাতীয় সংগঠন। তাদের বিভিন্ন দাবী আদায়সহ সরকারের ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। সংগঠনটি মফস্বল সাংবাদিকদের মাঝে ঐক্য সৃষ্টির মাধ্যমে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বদ্ধপরিকর। এটি জাতীয় পর্যায়ের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে দেশের তৃনমূল পর্যায়ের সাংবাদিকদের ঐক্য গঠনেও কাজ করবে। তথ্য সন্ত্রাস একটি সামাজিক ব্যাধি। সমাজ থেকে এই ব্যাধি দূর করতেও বিএমএসএফ কাজ করবে।

বিএমএসএফ কি এবং কেন:
বাংলাদেশের জন্মলাভ ও স্বাধীনতার ৪২টি বছর কেটে গেলেও মফস্বল সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং সরকারের ওয়েজ বোর্ড প্রশ্নটির জবাব আজও মেলেনি। দেরীতে হলেও ‘আজ দেশের জাতীয় স্বার্থের সাথে এ প্রশ্নটি সাংবাদিকদের মূখোমুখি’। দেশে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার সুফল বিভিন্ন শ্রেনীপেশার নাগরিকরা ভোগ করলেও কেবলমাত্র মফস্বল সাংবাদিকরা তা থেকে অনেক দূরে। মফস্বল সাংবাদিকদের পেশাগত স্বীকৃতি, নিরাপত্তাসহ সুষম সুযোগ সুবিধার কথা সরকারের ওয়েজ বোর্ডে উল্লেখ থাকলেও আমরা তা থেকে অনেক দূরে। মিডিয়ার ডেক্সে কর্মরত কর্তা ব্যক্তিদের দ্বারা প্রতিনিয়ত নির্যাতিত ও নিগৃহীত হতে হচ্ছেন মফস্বল সাংবাদিকরা।
দীর্ঘদিন ধরে রাজধানী ঢাকার বাইরের ৬৪ জেলার সাংবাদিকরা মফস্বল সাংবাদিক হিসেবে কাজ করলেও তারা বিভিন্ন সময় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গোষ্ঠির দ্বারা ভিন্নভাবে হয়রানী ও ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে আসছেন। প্রায়শই তারা বিভিন্ন হামলা ও মামলার শিকার হচ্ছেন। কিন্তু এর দায়ভারসহ ঐ প্রতিনিধির নিরাপত্তা এমনকি খোঁজখবর টুকুও নেয়না মিডিয়ার অফিসগুলো।
মফস্বল সাংবাদিকদের প্রচেষ্টায়ই একটি পত্রিকা, টেলিভিশন, রেডিও অথবা একটি অনলাইন পত্রিকা সংবাদের পরিপূর্নতা লাভ করে। কিন্তু আজ তারা অবহেলিত, নিস্পেষিত। বিষয়টি জাতীয় স্বার্থে বিবেচনা করে স্বাধীনতার ৪২ বছর পরে হলেও দেশের মফস্বল সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে।
তাই আসুন, ‘জেগে ওঠো বাংলার বিবেক’ জাগ্রত হই দেশের প্রতিটি জনপদে এই শ্লোগানের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে হাত মিলাই সকল মফস্বল সাংবাদিকরা। ‘স্বস্তির নি:শ্বাস  ও বিজয় হোক প্রত্যেক সাংবাদিকের’।

 

কারা সদস্য হতে পারবেন:

রাজধানীর বাইরের জেলা ও উপজেলাগুলোয় জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্র-পত্রিকা, টেলিভিশন চ্যানেল, রেডিও এবং অনলাইন পত্রিকায় কর্মরত প্রতিনিধিরা সংগঠনটির সদস্যপদ লাভ করতে পারবেন। কেবল মাত্র পত্রিকার নিয়োগ ও পরিচয়পত্রসহ নির্ধারিত আবেদন ফরমে আবেদন করতে হবে।

বিস্তারিত জানতে ০১৭১২-৩০৬৫০১ (আহমেদ আবু জাফর), ০১৭৩-০০৯০৬৫৪, (শহীদুল ইসলাম পাইলট) ০১৭২২-৬১৭০০৭ (এসএম রেজাউল করিম) নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

আন্তরিক ধন্যবাদসহ

 

(আহমেদ আবু জাফর)
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)র পক্ষে-
৭ জুন ২০১৩।

বি.দ্র. পেইজটি আপনার নিকটস্থ সাংবাদিক ভাইদের কাছে প্রেরন করুন। আমাদের পথচলায় আপনার সহযোগিতা একান্ত জরুরী- বিএমএসএফ।

অস্থায়ী কার্যালয়: ইব্রাহিম ম্যানশন, ১১পুরানা পল্টন মোড়, (৫মতলা), রুম নং ৫১০/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।

………………………………………………………………………………………………

বিএমএসএফ’র বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে গৃহীত কর্মসূচী:

মফস্বল সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে বিএমএসএফ বদ্ধপরিকর। তাই দেশের ৭টি বিভাগীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষনের আয়োজন করার চিন্তা ভাবনা করছে। উপজেলা ও জেলা গুলো থেকে বিভাগীয় পর্যায়ে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষনের মাধ্যমে একজন ন্যায়নিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিক প্রতিষ্ঠা সম্ভব। এক্ষেত্রে আমরা বাংলাদেশ প্রেস ইনষ্টিটিউট’র সাথে যোগাযোগের চেষ্টা রাখছি। সেই সাথে তৃনমূল পর্যায়ের সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে ম্যাস লাইন মিডিয়া সেন্টার (এমএমসি’র) সাথেও আমরা সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছি। অন্যদিকে দেশের প্রতিটি পেশার জনশক্তিকে সম্পদে পরিনত করার চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। তাই আমরা সরকারের কাছেও মফস্বল সাংবাদিকদের প্রশিক্ষনসহ নানা সমস্যার কথা তুলে ধরার প্রয়াস চালাব। এক্ষেত্রে মফস্বল পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ সমর্থন আমরা আশা করি।

 

বিএমএসএফ’র বিভাগীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন:

বিএমএসফ প্রথম পর্যায়ে ৭টি বিভাগীয় পর্যায়ে কমিটি গঠনের কথা চিন্তা ভাবনা করছে। বিভাগের সকল জেলা গুলোয় কর্মরত সাংবাদিকদের সমন্বয়ে (যারা বিএমএসএফ’র সাথে সম্পৃক্ত হতে ইচ্ছুক) কমিটি গঠন করা হবে। পরবর্তীতে ২ বছর পর জেলা পর্যায়ে কমিটি গঠনের চিন্তাভাবনা করা যেতে পারে। বিভাগীয় পর্যায়ের কমিটি অধীনস্থ তৃনমূলের উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকদের নিয়ে কাজ করবেন।  

 

ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের দাবী:

বিএমএসএফ মফস্বল সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের দাবীও সরকারের কাছে তুলে ধরবে। স্বাধীনতা পরবর্তী ৪২টি বছর কেটে গেলেও কোন মিডিয়ার সংগঠন মফস্বল সাংবাদিকদের পক্ষে দাবী তোলেনি। তাইতো সময় এসেছে দাবী আদায়ের সংগ্রামে। সময় এসেছে অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর। সময় এসেছে তথ্য সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে স্বোচ্চার হওয়ার। কতই না নিষ্ঠুর একটু চিন্তা করে দেখুন, সমাজের প্রতিটি শ্রেনী পেশার মানুষের মাসিক বেতন, বোনাস, মহার্ঘ ভাতা চাকুরী শেষে রয়েছে মোটা অংকের পেনশন, ‘আর আমাদের তা নেই রয়েছে টেনশন’।  আরো ভাবুন, কি করবেন। দাবী আদায়ের সংগ্রামে মাঠে নামতে হবে। সরকার ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। তাই সরকারের কাছে আমাদের দাবী দ্রুত মফস্বল সাংবাদিকদের দাবী ওয়েজ বোর্ডসহ পেশাগত নিরাপত্তা বিধান করা হোক। আরো থাকছে…………………….।

………………………………………………………………………………………………
প্রিয় মফস্বল সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম’র (বিএমএসএফ) পক্ষ থেকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন গ্রহন করুন। গত ৭ জুন দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকদের কাছে আমাদের সংগঠনটি সৃষ্টি হতে যাচ্ছে জানিয়ে একটি ই-মেইল করা হয়েছিল। সংগঠনের খোলা চিঠিটি মেইল করার পর বিভিন্ন জেলা উপজেলা পর্যায়ের প্রতিনিধিরা মোবাইল ফোনে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে দ্রুত কার্যক্রম চালুর দাবী তোলেন।

বিএমএসএফ প্রতিষ্ঠার পর দ্রুত যারা চালুর দাবী করেছেন তারা হলেন:
 
বিএমএসএফ’র কার্যক্রমকে গতিশীল করার আহবান জানিয়ে সেন্টাল ডেক্সের সাথে যোগাযোগ করেছেন, তারা হলেন- দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের বগুড়া প্রতিনিধি আবদুর রহমান তপন ভাই। তিনি (০১৯৭-১৫৫৩৩১১) ফোন করে সংগঠনের কার্যক্রমকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। একই কাগজের ভোলা প্রতিনিধি ঝুন্নু রায়হান (০১৭৪-০৯৪৪৫১১) বিএমএসএফ’র সাথে যোগাযোগ করে উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে মফস্বল সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধিকল্পে কাজ করার আহবান জানান। দৈনিক যায়যায়দিন’র প্রতিনিধি ও নলছিটি রিপোটার্স ইউনিটির সেক্রেটারী শাহাদাৎ হোসেন তালুকদার মনু (০১৭২-১৫৩৬৪৫৬) মফস্বল সাংবাদিকদের এ ধরনের একটি জাতীয় ভিত্তিক সংগঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করে বলেন, প্রতিনিয়তই মফস্বলের সাংবাদিকরা নানা ভাবে হয়রানী ও নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকেন। তাই বিএমএসএফ দেশের মফস্বল সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবে বলে আশাবাদী। বরিশালের সাংবাদিক আহমেদ জালাল (০১৭২৫৪৯৬৭১২)। তিনি মফস্বল সাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়ন ও ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের দাবী জানিয়ে দেশব্যাপী সংগঠনের কার্যক্রম ছড়িয়ে দেয়ার আহবান জানান। সেই সাথে সাংবাদিকদের ঐক্য সৃষ্টির লক্ষ্যে বিরাট ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করবেন। ঝালকাঠি রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি আসিফ মানিক (০১৭১১০৩৪৭৭১) এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, বিএমএসএফ মফস্বল সাংবাদিকদের দাবী আদায়ে অগ্রনী ভূমিকা পালন করবে। দেশের স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানেও মফস্বল সাংবাদিকরা কাঙ্খিত সুযোগ-সুবিধা লাভ করতে সক্ষম হয়নি। সাংবাদিকতা পেশার মাঝে এক শ্রেনীর রাজনৈতিক পেশীশক্তি বিভিন্ন সময়ে সরকার ও পত্রিকা কর্তৃপক্ষকে ভুল বুঝিয়ে সাংবাদিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এড়িয়ে যেতে সহযোগিতা করছে। বিএমএসএফ দেশের মফস্বল পর্যায়ের সাংবাদিকদের স্বার্থে কাজ করবে আশা করি। দৈনিক জনকন্ঠের বরিশাল প্রতিনিধি খোকন আহম্মেদ হীরা (০১৭২১-৮৭৪০৩৭) তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, স্বাধীনতার ৪২ বছর পরবর্তী সময়ে গঠিত বিএমএসএফ টিকিয়ে রাখতে আমার সর্বোচ্চ মেধাশক্তিসহ যা যা করনীয় তা পালন করবো। মফস্বল সাংবাদিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এই উদ্যোগী সংগঠনের সাথে জড়িতদেরকে আমি কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানাই। দৈনিক কুষ্টিয়ার সিনিয়র সাংবাদিক ও বাংলাদেশের খবর ডট কমের প্রধান বার্তা সম্পাদক শামীম রানা (০১৭১৯-৩০৭১১৪) এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, বিএমএসএফ প্রতিষ্ঠার খবরে খুব ভাল লাগছে। আমরা মফস্বল সাংবাদিকরা নানা সময়ে বিপদে পড়ি। আমরা তাদের পাশে দাঁড়াতে চাই। নিজেদের পেশাগত উন্নয়নে একসাথে কাজ করতে চাই। এছাড়া মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা,রাজবাড়ি ও ঝিনাইদহ থেকে মফস্বল সাংবাদিকরা সংগঠনটি প্রতিষ্ঠায় অভিনন্দন জ্ঞাপন করে দ্রুত কার্যক্রমে গতিশীলতা আনার দাবী করেছেন। বরিশালের নতুন খবর ডট কম বার্তা সম্পাদক ও দৈনিক সরেজমিন বার্তার ঝালকাঠি প্রতিনিধি মিস শতাব্দী জয় (০১৭৬৫-৮৬৫৩৭৫) মফস্বল সাংবাদিকদের নিয়ে বিএমএসএফ নামে একটি জাতীয় সংগঠন প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে জেনে আমি আনন্দিত। ভবিষ্যতে আমাদের উন্নতি হবে। বলতে পারবো আমাদেরও একটি জাতীয় সংগঠন রয়েছে। এতদিন এ ধরনের সংগঠন  গড়ে না ওঠা ছিল লজ্জার বিষয়। সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা হওয়ায় আমরা লাভবান হবো। দেশ টেলিভিশন, অর্থনীতি প্রতিদিন ও ইনডিপেন্ডেন্ট’র ঝালকাঠি প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান মনির এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, মফস্বল সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়নে বিএমএসএফ প্রতিষ্ঠা হওয়ায় আমি অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। সেই সাথে দেশের সকল মফস্বল সাংবাদিকদের সংগঠনের পতাকাতলে আসারও আহবান জানান। বাংলাদেশ প্রতিদিনের মাদারীপুর প্রতিনিধি বেলাল রিজভী (০১৭৪-১৪৬৬৪৪০) সংগঠনের প্রতি তার অকুন্ঠ সমর্থন জানিয়ে বলেন, মফস্বল সাংবাদিকরা যেভাবে নির্যাতনের শিকার হয়ে অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তাতে মফস্বল সাংবাদিকদের একটি জাতীয় সংগঠন প্রতিষ্ঠা হলে আমাদের অধিকার আদায়ের পথ সহজ হবে। এটিএন বাংলা, এটিএন নিউজ ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. নাসির উদ্দিন তার এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, এ ধরনের একটি সংগঠন করার ইচ্ছা বহু আগ থেকেই ছিল। কিন্তু কেউ উদ্যোগ গ্রহন না করার ফলে তা সম্ভব হয়নি। দেরীতে হলেও এ ধরনের একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা হচ্ছে জেনে আমরা আনন্দিত। এ সংগঠনের সহযোগিতার কাজে যা যা দরকার তা আমি করবো। বাংলাদেশ প্রতিদিনের নোয়াখালী প্রতিনিধি বিএমএসএফ’র কার্যক্রম গতিশীলতা করার দাবী জানান। একই পত্রিকার পিরোজপুর প্রতিনিধি তানভীর আহমেদ মফস্বল সাংবাদিকদের জাতীয় সংগঠন বিএমএসএফ প্রতিষ্ঠা হওয়ায় অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। এছাড়া নওগাঁর সাংবাদিক বাবুল আখতার রানা তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, দেরীতে হলেও মফস্বল সাংবাদিকদের একটি জাতীয় সংগঠন প্রতিষ্ঠা হওয়ায় শুভেচ্ছা জানান।

অন্যদিকে বিএমএসএফ প্রতিষ্ঠার পর অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন দেশ টেলিভিশনের নোয়াখালী প্রতিনিধি আকবর হোসেন সোহাগ, কুমিল্লার সাংবাদিক মহিউদ্দিন মোল্লা, লক্ষèীপুরের সাংবাদিক পাভেল ভাই, ফেনীর সাংবাদিক জমির বেগ ও বরগুনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হাসানুর রহমান ঝন্টু (০১৭১-৬০৯০৪৩৫) একাত্মতা প্রকাশ করে দ্রুত জাতীয় বৈঠকের দাবী করেন এবং মফস্বল সাংবাদিকদের দাবী আদায়ের সংগ্রামে তথ্য মন্ত্রীর সাথে বৈঠকেরও দাবী করেন। ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সহসভাপতি কাজী খলিলুর রহমান তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, মফস্বল সাংবাদিকদের মানোন্নয়নে আমি সচেষ্ট থাকবো। অর্থনীতি প্রতিদিনের বরিশাল প্রতিনিধি এম মিরাজ, সমকালের ফটো সাংবাদিক কাজী মিরাজ।

সমকালের বরিশাল ব্যুরো চীফ পুলক চ্যাটার্জী বিএমএসএফ’র অগ্রযাত্রাকে সাধুবাদ জানিয়ে উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন। বাংলাদেশ প্রতিদিনের বরিশাল ব্যুরো প্রধান রাহাত খান বিএমএসএফ সৃষ্টির অগ্রযাত্রাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। দেশ টেলিভিশ ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের পটুয়াখালী প্রতিনিধি সঞ্জয় দাস লিটু বিএমএসএফ’র শুভ যাত্রায় অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। দৈনিক খবরপত্রের বরিশাল ব্যুরো প্রধান মামুনুর রশীদ নোমানী এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সময়ের প্রয়োজনে বিএমএসএফ প্রতিষ্ঠা জরুরী। দ্রুত এর কার্যক্রম গতিশীল করারও দাবী তোলেন। বাংলাদেশ প্রতিদিনের লালমনিরহাট সংবাদদাতা রেজাউল করিম মানিক(০১৮১৪-৮০৯৭১৭) একাত্মতা প্রকাশ করেন। গাজী টেলিভিশনের ঝালকাঠি প্রতিনিধি শহীদুল আলম বিএমএসএফ’র আত্মপ্রকাশ করায় প্রধান উদ্যেক্তাদের সাধুবাদ জানিয়েছেন। কারন হিসেবে তিনি বলেন, মফস্বল সাংবাদিকদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া, সুখদু:খে সহযাত্রী হিসেবে একে অপরের পাশে দাঁড়াবে বলে আশা করছি। ঝালকাঠি মিডিয়া ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, এসএ টেলিভিশন ও সকালের খবরের প্রতিনিধি অলোক সাহা বিএমএসএফ প্রতিষ্ঠার অগ্রযাত্রায় শুভ কামনা করেন। বাংলা নিউজের ঝালকাঠি প্রতিনিধি আবদুর রহিম রেজা বিএমএসএফ প্রতিষ্ঠায় শুভ কামনা করেন।

এছাড়া আরো অনেক সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিবর্গ রয়েছেন, যাদের নাম আমরা প্রকাশ করতে পারিনি, এজন্য আন্তরিক ভাবে দূ:খ প্রকাশ করছি। তাদের নাম পরবর্তীতে সংযোজন করা হবে। ধন্যবাদ সকলকে….
‘এই পেইজটি আপনার নিকটস্থ সাংবাদিকদের ইমেইলে প্রেরন করুন’।

(আহমেদ আবু জাফর)
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) ঢাকা এর পক্ষে।
০১৭১২৩০৬৫০১।

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন

Back to top button
Translate »