আর্কাইভ

গৌরনদীতে যুবলীগ নেতার হাতের তিনটি আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন

স্টাফ রিপোর্টার ॥  মাদক বিক্রির টাকার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে মাদক ব্যবসায়ী ভাতিজারা ধারালো অস্ত্রদিয়ে কুপিয়ে চাচার ডান হাতের তিনটি আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার গভীর রাতে বরিশালের গৌরনদী পৌর এলাকার দক্ষিন পালরদী মহল্লায়। বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে আজ বৃহস্পতিবার সকালে গৌরনদী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও হামলায় গুরুতর জখম লিটন বেপারী অভিযোগ করেন, তার বড় ভাই নুরুল ইসলাম বেপারীর পুত্র মাদক ব্যবসায়ী ছাত্রলীগ ক্যাডার হীরা বেপারীসহ তার তিনসহদর দীর্ঘদিন থেকে মাদকদ্রব্যের ব্যবসা করে আসছিলো। লিটনসহ তার পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন যাবত ভাতিজাদের মাদকদ্রব্য বিক্রিতে বাঁধা দিয়ে আসছে। বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে অজ্ঞাতনামা দু’ব্যক্তি দুটি বস্তায় মাদকদ্রব্য নিয়ে ওই বাড়িতে প্রবেশ করলে লিটনের ছোট ভাই জামাল বেপারী তাদের বাঁধা দেয়। এসময় তার এক ভাতিজা রাজ্জাক বেপারীর সাথে চাচা জামালের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে মাদক ব্যবসায়ী ভাতিজা হীরা বেপারী, রাসেল বেপারী বাড়িতে ছুটে এসে রাম দা নিয়ে হামলা চালিয়ে কুপিয়ে যুবলীগ নেতা লিটন বেপারীর ডান হাতের তিনটি আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এ সময় তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসলে পরিবারের আরো তিনজনকে পিটিয়ে আহত করা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মাদক বিক্রির টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে চাচা-ভাতিজার মধ্যে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

গৌরনদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে হিরা বেপারীর ঘরের পিছনে মাদকদ্রব্য রাখার একটি বাংকার আবিস্কার করলেও কোন মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পরপরই হিরা বেপারী ও তার সহোদররা গা ঢাকা দিয়েছে। এ ঘটনায় যুবলীগ নেতার অপর ভাই নুরুল হক বেপারী বাদি হয়ে মাদক বিক্রিতে বাঁধা দেয়ায় এ হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ এনে ছয় জনকে আসামি করে গৌরনদী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

আরও পড়ুন

Back to top button
Translate »