আর্কাইভ

বিয়ে পাগলা গলাচিপার মিজানের ৪র্থ বিয়ে

তার পূর্বের সন্তানদের নিয়ে স্ত্রীরা দিশেহারা। বাবার এ কুকীর্তির কারনে বাকরুদ্ধ অবুঝ শিশু কন্যা চাদনুর, চম্পা ও চাদনী। সন্তানতো দূরে থাক তার স্ত্রীদেরও একটিবারের মতো কোন খোঁজ খবর রাখছেন না তিনি।

হতভাগা ওই ৩ মায়ের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঔষধ কোম্পানী নোবিস্তার বিক্রয় প্রতিনিধি ও গলাচিপার মিজানুর রহমান ২০০৭ সালে ঢাকায় বদলী হন। তিনি সেখানে কর্মরত অবস্থায় মোবাইল প্রেমের মাধ্যমে মিতু নামের এক মেয়েকে বিয়ে করে। প্রায় ৪/৫ মাস তারা সংসার করে। মিতুর গর্ভে মিজানের সন্তান থাকা অবস্থায় সে হঠাৎ করে দিনাজপুর বদলী হয়ে যায়। এরপর আর মিতুর খোঁজ খবর রাখে না। মিজান দিনাজপুর থাকাকালীন সময় সেখানকার বাসিন্দা সম্পা নামের এক মেয়েকে মোবাইল প্রেমের মাধ্যমে বিয়ে করে। অন্যদিকে, ঢাকার স্ত্রী মিতু একটি কন্যা সন্তান প্রসব করে। সন্তানটির নাম রাখা হয় চাদনী। এদিকে মিজান দিনাজপুরে সম্পার সাথে ঘর সংসার করায় সম্পার গর্ভে সন্তান আসে মিজানের। এরপরই মিজান সম্পাকে রেখে বরিশালে চলে আসে। দিনাজপুরের স্ত্রী সম্পা একটি কন্যা সন্তান প্রসব করে। সন্তানটির নাম রাখা হয় চম্পা।

অন্যদিকে, মিজান বরিশালে থাকাকালীন সময় পূর্বের ন্যায়ে মোবাইলের প্রেম শুরু করে রুপাতলীর বাসিন্দা শিলার সাথে। এক পর্যায়ে সে শিলাকেও বিয়ে করে। শিলাও একটি কন্যা সন্তান প্রসব করে। চাদনুর নামের ওই সন্তানটির বয়স এখন এক বছর ২ মাস। পূর্বের ন্যায় মিজান চম্পট দেয় তার নিজ জেলা পটুয়াখালীতে। তিনি সেখানে সম্প্রতি মরিয়ম নামের এক মেয়েকে বিয়ে করে সদর উপজেলার সবুজ বাগের প্রথম লেন এলাকায় বিলাসবহুলভাবে জীবনযাপন করছে।

এদিকে মিতু, সম্পা ও শিলা বা তাদের সন্তানদের একটি বারের মতোও খবর রাখেন না। বরং তার বিয়ে করা ওই ৩ স্ত্রীর মোবাইল নম্বর বন্ধুদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। এতে বন্ধুরা প্রতিনিয়তই বাজে কথা বলে বেড়াচ্ছে হতভাগা তার ওই ৩ স্ত্রীর সাথে। ইতোমধ্যে প্রতিদিনই জাফর, সাহিন মাস্টার, ও কবির নামের ৩ বন্ধু তার ৩ স্ত্রীকে ০১৭১২২২৮৩২০, ০১৭১০৭৪৪৪০০০, ০১৫৫৭২৪৫৮০২, ০১৭১৬৭০৬৩৬৯ নাম্বার দিয়ে ফোন করে খারাপ আচরন করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মিজানুর রহমান জানান, ওই ৩ মেয়ের সাথে এক সময় তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এখন আর সম্পর্ক নেই। তিনি এর চেয়ে আর কোন মন্তব্য করতে রাজী নয়। এরপর থেকেই তার ব্যবহার করা ০১৭৫৪৬১৯১১১ নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন

Back to top button
Translate »