আর্কাইভ

স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় ডেনমার্ক আওয়ামীলীগ

ও জাতীয় দিবস-২০১১, বাঙ্গালী জাতির আত্মপরিচয়ের এই দিনে ডেনমার্ক আওয়ামীলীগ আয়োজিত জাকঁজমকপূর্ন দুই পর্বের অনুষ্ঠানে নারী-পুরম্নষ,শিশুরা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার লাল-সবুজের রঙ্গে সেজে অনুষ্ঠানটি অত্যানত্ম আকর্ষনীয় করে তোলে, মূহূর্তের জন্য প্রবাসে ফ্রেমে বাধা জীবন ভূলে গিয়ে,সকলেই আনন্দে মেতে ওঠেন,দেশে থাকা সাড়ে তিন বৎসরের মেয়ের কথা মনে করে আবেগ আপ্লুত হয়ে পরেন,সহকারী অধ্যাপক কৃষ্ণ রায়। ভাবীদের বানানো ষোল-আনা বাঙ্গালী ঐতিহ্যে-সমৃদ্ধ পিঠা-পায়েস মিষ্টি,মিষ্টান্ন,চটপটিসহ বিভিন্ন খাবার অনুষ্ঠানের এক ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়।

-এর মধ্যেই ডেনমার্ক আওয়ামীলীগের সভাপতি এম.মোসত্মফা মজুমদার বাচ্চু এসে অনুষ্ঠানের ঘোষনা করতেই সকলেই হাততালি দিয়ে তাকে অভিনন্দন জানান,তিনিও এই মহান দিনের প্রেক্ষাপট তূলে সকলকে স্বাগত জানিয়ে,সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মোহামমদ আলী মোল্লা লিংকনকে আহবান জানান সভা পরিচালনার।

সভার সঞ্চালক,মোহামমদ আলী মোল্লা লিংকন উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে,শ্রদ্ধাবনত চিত্তে স্মরন করেন,বিশ্বের অবিসংবাদিত নেতা,বাঙ্গালীর প্রান পুরম্নষ,সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী,বাঙ্গালী জাতির জনক,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,বঙ্গমাতা মহিয়সী ফজিলাতুননেছা মুজিবসহ পরিবারের সকল শহীদ সদস্যদের,স্মরন করেন মহান মু ক্তিযুদ্ধে শহিদ ত্রিশলক্ষ শহিদের,শ্রদ্ধা-সমবেদনা জানান, মু ক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত মা-বোন ও পঙ্গু-মু ক্তিযোদ্ধাদের।
-এরপর সকল বীর শহীদের স্মরনে এক মি.নীরবতা ও সমবেত জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরম্ন হয় মূল পর্ব,আর মূল পর্বের প্রথমেই ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে পাঠানো শুভেচ্ছা বানী পরে শুনান, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক-নুরুল ইসলাম টিটু,ও মহিলা সম্পাদিকা খাদিজা খাতুন মিনি। শুভেচ্ছা বানী পাঠান,যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব সুলতান মোহামমদ শরীফ ও সাধারন সম্পাদক জনাব সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারম্নক,ইটালী আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব মাহতব হোসেন ও সাধারন সম্পাদক জনাব হাসান ইকবাল,ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব বেনজির আহমেমদ সেলিম ও সাধারন সম্পাদক জনাব আবুল কাশেম,হল্যান্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব মাঈদ ফারম্নক ও সাধারন সম্পাদক জনাব মোসত্মফা জামান, বেলজিয়াম আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব বজলুর রশীদ ভুলু ও সাধারন সম্পাদক জনাব মনির হোসেন পলিন,সুইডেন আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব গোলাম আম্বিয়া জণ্টু ও সাধারন সম্পাদক জনাব জাহাঙ্গীর কবীর,ফিনল্যান্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব আলী রমজান ও সাধারন সম্পাদক হুমায়ুন কবীর।
এছাড়া অনুষ্ঠান চলাকালীন মোবাইল ফোনে লাউড সপীকারে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন,সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান সর্বজন শ্রদ্ধেয় শ্রী অনিল দাস গুপ্ত, ঢাকা থেকে সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক,প্রবীন নেতা এম.এ.গনি ও অষ্ট্রিয়া আওয়ামীলীগের সাবেক আহবায়ক, কলামিষ্ট, মানবাধিকারকর্মী জনাব নজরম্নল ইসলাম। নেতৃবৃন্দ তাদের বানীতে বলেন,ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত, উন্নত-সমৃদ্ধ জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলার নব সংস্করন জননেত্রীর দিনবদলের অঙ্গিকার রম্নপকল্প -২০২১,বাসত্মবায়নই আমাদের লক্ষ্য,কোন ষরযন্ত্রই বাংলাদেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না,তবে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি,কুচক্তী মহল,বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে চলেছে,তাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের সজাগ থাকতে হবে।
সভায় অন্যান্নদের মধ্যে বক্তব্য রাখেনঃ অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন,সহকারী অধ্যাপক ওমর ফারম্নক মিয়াজী, সহকারী অধ্যাপক কৃষ্ণ রায়,নারায়ন চন্দ্রপাল,যুগ্ম সা.সম্পাদক সা্বিবর আহমেমদ,যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক-নুরুল ইসলাম টিটু,সাংগঠনিক সম্পাদক-আমীর পারভেজ জীবন,তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক-কাউসার আহমেমদ,সাংস্কৃতিক সম্পাদক-শাহ জালাল পিণ্টু , মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক-মোখলেসুর রহমান,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক-শফিউল আলম শাফি, প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন,বাঙ্গালী জাতি হিসাবে আমরা এই গ্রহে নিজেদের ভূখন্ডের সিমানা নির্ধারন করতে পেরেছি, এখন আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে এই ভূখন্ডকে সাজানো।৭৫-এ জাতির জনককে হত্যা করে এক দূবৃত্ত দেশটিকে ধ্বংশের দ্বার প্রানেত্ম নিয়ে গেছে।তার নিজের উচ্চ বিলাসীতার জন্য ক্যাণ্টমেণ্টে মাটি আজোও রক্তে ভিজে আছে।বক্তারা বলেন,৬৬-র স্বাধীকার আন্দোলন,৭০-এর নির্বাচনের সময় জিয়া কোথায় ছিলেন ? ২৬-শে মার্চ সকাল পযনর্ত্ম জিয়া পাকিস্থানের চাকুরী করেছেন।বেগম খালেদাকে কোন ভরসায় পাকিস্থানীদের হেফাজতে রেখে বিশেষ চুক্তি বাসত্মবায়ন করতে এসেছিলেন,তা পচাত্তরে জে.জিয়ার ভূমিকা এবং পরবর্ত্তীতে স্বাধীনতা বিরোধীদের পূর্নবাসনের মাধ্যমেই তার অবস্থান পরিস্কার হয়ে গেছে। যুদ্ধ চলাকালীন জে.ওসমানী কেন তাকে প্রত্যাহার করেছিলেন,এই তথ্যগুলো জনগনকে জানাতে হবে। বিএনপি-র উদ্দেশ্যে বক্তারা বলেন, মিথ্যা আর প্রতারনা করে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না। মধ্যপ্রাচ্যের গনজাগনের উদ্ধৃতি দিয়ে বক্তারা বলেন,যারা আরব সাগরের ঢেউ বঙ্গপোসাগরে আসার অপেক্ষায় আছেন,তাদের জানা উচিত ২০০৬ সনের বঙ্গোপসাগরের সুনামির আঘাতে বিএনপি-জামাতিদের কেউ আছরে পরেছে মালয়শিয়া কেউ লন্ডন আবার কারো হদিস নেই। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে,অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন, মিনি,মুকুল,পিণ্টু,ওবায়দুল,আফসানা,লিয়া,কলিভাবী-সহ আরো অনেকে।


ভিওবিডি, ডেনমার্ক থেকে (সোমবার ২৮ মার্চ ২০১১, ১৪ চৈত্র ১৪৭১, ২২ রবিউস সানি আউয়াল ১৪৩২)

আরও পড়ুন

Back to top button