আর্কাইভ

যে পঞ্চাশ ভাগকে দেশ ছাড়তে হবে বা হবে না

জানা নাও থাকতে পারে। জন্ম ১৯৪৫ সালে বর্তমান পাকিস্তানের করাচিতে হলেও তিনি এখন একজন ভারতীয় এবং থাকেন ব্যাঙ্গালোরে। জাতে গুজরাটি। আজিম প্রেমজীর বাবা এমএইচি হাসেম প্রেমজী পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্র পারিবারিক বন্ধু ছিলেন। পাকিস্তান সৃষ্টির পর জিন্নাহ তাঁর বন্ধুকে পকিস্তানে হিযরত করে সে দেশের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। জবাবে বন্ধু জিন্নাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছিলেন, তিনি ভারতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার কারণ, তিনি পাকিসত্মানের তেমন একটা সুবিধাজনক ভবিষ্যত দেখতে পাচ্ছেন না। প্রেমজীর পারিবারিক ব্যবসা ছিল চর্বি, সাবান, রান্না করার ঘি, তেল ইত্যাদি। উইপ্রো (Western India Product) নামের পারিবারিক প্রতিষ্ঠানের নামে তিনি এই ব্যবসা পরিচালনা করতেন। আজিম প্রেমজী যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্টেনফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করার সময় পিতা মৃত্যুবরণ করলে পড়ালেখায় ইসত্মফা দিয়ে পারিবারিক ব্যবসার হাল ধরেন। অবশ্য তিনি ১৯৯৯ সালে, পরিণত বয়সে একই বিশ্ববিদ্যালয় হতে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী অর্জন করেন। বর্তমানে আজিম প্রেমজীর কোম্পানি উইপ্রো, বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম কম্পিউটার সফ্টওয়্যার প্রস্তুত ও রফতানিকারক। কোম্পানি তথা তিনি নিজে ভারতের ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে তৃতীয়। বর্তমানে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ ১৬.৮ বিলিয়ন ডলার। প্রেমজী তাঁর এই সম্পদের সিংহভাগই জনকল্যাণে ব্যয় করেন। সম্প্রতি আজিম প্রেমজী গরিব শিশুদের শিৰা কার্যক্রম উন্নয়নের জন্য তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১.২৭ বিলিয়ন ডলার দান করেছেন। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য একটি পুরনো মডেলের টয়োটা করোলা গাড়ি আছে। সব সময় বিমানে ইকোনমি ক্লাসে চড়েন। সরকারী পর্যায়ে এবং বন্ধুবান্ধব মহলে আজিম প্রেমজীর ডাকনাম হচ্ছে মি. এথিকস. কারণ তিনি দাবি করেন তিনি তাঁর আয়ের ওপর সরকারকে দেয় সকল কর আদায় করেছেন। ব্যাংক এ্যাকাউন্টে রৰিত তাঁর সকল অর্থই আইনী পথে উপার্জন করা। যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ফোর্বস ম্যাগাজিন আজিম প্রেমজীকে বিশ্বের এক শ' ক্ষমতাবান ব্যক্তির একজন বলে চিহ্নিত করেছে।

এতৰণ আজিম প্রেমজী সম্পর্কে আলোচনা করার একটা কারণ আছে। সম্প্রতি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি একে আজাদ ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরামের (আইবিএফবি) 'বিজনেস এথিকস' শীর্ষক এক সেমিনারে তাঁর বক্তব্যে বলেন, দেশে যেন আর কখনও তত্ত্বাবধায়ক সরকার না আসে; কারণ তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসলে তারা ব্যবসায়ীদের অযথা হয়রানি করে, জেলে পুরে, জোরপূর্বক অর্থ আদায় করে এবং অনেককে দেশ ত্যাগে বাধ্য করে। এ ধরনের সরকার সামনেরবার আসলে হয়ত দেশের অর্ধেক ব্যবসায়ী দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হবে। বলা বাহুল্য, তাঁর এ বক্তব্য বিগত সময়ের ফখরম্নদ্দীনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে কেন্দ্র করে দেয়া হয়েছে। এর পূর্বে আরও যে তিনটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার (বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের প্রথমটিসহ) গঠন করা হয়েছিল সে সময় ব্যবসায়ীদের এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়নি। এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি এমন সময় এ উক্তিটি করলেন যখন দেশে সংবিধান সংশোধনের একটা উদ্যোগ চলছে এবং এই সম্ভাব্য সংশোধনের একটি উলেস্নখযোগ্য বিষয় হচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা। বাংলাদেশে এই অভিনব সরকার ব্যবস্থার প্রচলন এবং সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল ১৯৯৬ সালে বিএনপি তার ৰমতাকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পাকাপোক্ত করার ব্যবস্থার প্রেৰাপটে। সংবিধান সংশোধনের জন্য যে সংসদীয় কমিটি বর্তমানে কাজ করছে তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি এবং গোষ্ঠীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছে বা করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। সকলে বলেছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আরও কয়েক মেয়াদ থাকতে হবে; তবে তাকে আরও উন্নত ও কার্যকর করা যেতে পারে। এর অর্থ, এখনও সাধারণ জনগণের কাছে একটি রাজনৈতিক সরকারের অধীনে যে একটি সুষ্ঠু সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে, সে আস্থা ফিরে আসেনি। যদিও বর্তমান সরকারের আমলে যত উপনির্বাচন বা স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তা মোটামুটি সুষ্ঠুভাবেই অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে এবং এর কৃতিত্ব নির্বাচন কমিশন ও সরকার; উভয়েরই। এ দু'টি পৰ যদি নির্বাচন পরিচালনার ৰেত্রে নিরপেৰ থাকে তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোন প্রয়োজন পড়ে না। তবে তার জন্য আমাদের আরও কিছুদিন অপেৰা করতে হবে। এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি অবশ্য এ ব্যবস্থার এখনই অবসান চান অন্য কোন কারণে নয়, তাদের গোষ্ঠীগত স্বার্থ রৰার কারণে। তবে যে পঞ্চাশ ভাগ ব্যবসায়ীকে দেশ ছাড়তে হবে তারা কারা এবং বাকি যাদের দেশ ছাড়তে হবে না তারা কারা, সে সম্পর্কে তিনি পরিষ্কার করে কিছু বলেননি।

এটি অস্বীকার করার উপায় নেই যে দেশে যখনই অসাংবিধানিক কোন অপশক্তি ৰমতায় এসেছে প্রথমে তারা দেশের এমনসব ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে শায়েস্তা করতে চেয়েছে যাদের ওপর সাধারণ মানুষ নানা কারণে বিরক্ত। ১৯৫৮ সালে যখন আইউব খান পাকিসত্মানে সামরিক আইন জারি করেন তখন শুরম্নতে তিনি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েই ৰানত্ম হননি অনেক ব্যবসায়ীকে নানা অজুহাতে কারাগারে পোরেন। তখন বাংলাদেশে বাঙালীদের ব্যবসা বলতে মাঝারি আকারের আড়তদারি এবং কিছু খুচরা ব্যবসা । কিছু ইন্ডেনটিং অথবা ক্লিয়ারিং-ফরওয়ার্ডিং করেন। এদের অনেককে জেলে যেতে হলো আবার অনেকে গা বাঁচানোর জন্য চাল, ডাল, চিনি, গুঁড়া দুধ, লবণ ইত্যাদি পুকুর বা নদীতে ফেললেন। জনগণকে বোঝানো হলো, বাজারে যে কুড়ি টাকা মণের চাল ত্রিশ টাকা হয়েছে অথবা চার আনা সেরের লবণ আট আনা হয়েছে তা এসব 'অসাধু' ব্যবসায়ীর কারণে হয়েছে। এদের মধ্যে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ছিল বটে তবে অধিকাংশই ছিল ৰুদ্র ব্যবসায়ী।

বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় বলতে যাঁদের বোঝায়, যাঁদের নেতৃত্বে আছেন আবুল কালাম আজাদ তাঁরা আর এখন ওই পর্যায়ের ব্যবসায়ী নন। তাঁরা এখন অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক, নানা ধরনের পণ্য আমদানি-রফতানি করেন, অনেকের আবার বিদেশেও প্রচুর বিনিয়োগ আর বাড়িঘর আছে। বলা বাহুল্য, স্বাধীন বাংলাদেশের চলিস্নশ বছরে এটা একটি বিরাট অর্জন। তাঁদের এই সাফল্যের অংশীদার দেশের সাধারণ জনগণও। তাঁদের কারণে দেশে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। কিন্তু সব চাইতে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে ক'জন আজিম প্রেমজী আছেন? নিশ্চয় আছেন তবে তাঁদের সংখ্যা হাতেগোনা এবং সাধারণ জনগণের কাছে তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা কখনও প্রশ্নবিদ্ধ নয়। তাঁরা ব্যবসায় লাভ করেন ঠিকই, কারণ ব্যবসায় লাভ না করলে সেটা ব্যবসা থাকে না। তবে তাঁরা জনগণকে ঠকিয়ে বা জিম্মী করে, অতিরিক্ত মুনাফা করে তা দিয়ে সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন অথবা মন্ত্রিত্ব ক্রয় করেন না, রাজনীতিতে কালো টাকার প্রচলনে সহায়তা করেন না। তাঁরা হিসাব-নিকাশ করে সরকারকে দেয় কর খাজনা আদায় করেন। এরাই আমাদের মি. এথিকস। এরা কখনও দেশ থেকে পালাবেন না। কারণ, তার প্রয়োজন হবে না। আমার শহর চট্টগ্রামের দু'জন শীর্ষস্থানীয় ধনির একজন বিগত সংসদ নির্বাচনে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মোট পরিমাণ দেখিয়েছেন আনুমানিক বাইশ লাখ টাকা। নগদ হাতে আছে একলাখ চলিস্নশ হাজার। আয়ের উৎস কৃষিভিত্তিক ব্যবসা (ডেইরি ফার্ম), যা আয়কর মুক্ত। বাজারে এমন কথাও চালু আছে, বিগত জোট সরকারের আমলে তিনি মন্ত্রিত্ব লাভ করতে বিশেষ ভবনের বড় কর্তাকে মোটা অঙ্কের (কারও কারও মতে ষোলো কোটি টাকা) অর্থ দিয়েছেন। অন্য আরেক জন, যিনি এক সময় নিজে একজন বড় ব্যবসায়ী নেতা ছিলেন তাঁর নাকি সম্পদের পরিমাণ ষোলো লাখ টাকা। আয়ের উৎস একই। তিনি মন্ত্রিত্ব পেতে কত খরচ করেছিলেন তা জানা যায়নি। এ রকম উদাহরণ অসংখ্য। এঁরা সকলেই এক-এগারোর পর দেশ ছাড়া হয়েছিলেন ঠিকই।

অনেক আগে এদেশের দুই প্রথিতযশা শিল্পপতির সাৰাতকার নেয়ার আমার সুযোগ হয়েছিল। একজনকে বলা যেতে পারে বাঙালী শিল্পদ্যোক্তাদের মধ্যে প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তি একে খান এবং দ্বিতীয়জন একজন অবাঙালী হয়েও পুরোদস্তুর বাঙালী, এমএ ইস্পাহানি। একেখান দীর্ঘ সময় নিয়ে আমাকে শুনিয়েছিলেন অনেকটা হঠাৎ করেই তাঁর মুন্সেফ থেকে ব্যবসায়ী হওয়ার কাহিনী, তাঁর জীবন দর্শন, কেমন হওয়া উচিত মালিকদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক। বলেছিলেন কেমন একটা বৈরী পরিবেশে তিনি তাঁর শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন। একে খান নিজ দফতরে সময় ব্যয় করার চাইতে বেশি সময় কাটাতেন তাঁর শ্রমিকদের সঙ্গে নিজ কারখানায়। বলেছিলেন, সরকার হোক আর শ্রমিক কখনও কাউকে ঠকানোর অর্থ, নিজকে ঠকানো। এমএ ইস্পাহানি শুনিয়েছিলেন তাঁদের পারিবারিক ব্যবসার চমকপ্রদ কাহিনী। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে কোম্পানির দেউলিয়া হওয়ার ঘটনা এবং পরবর্তীতে নীলের ব্যবসা করে আবার ব্যবসায় ফিরে আসার এক অসাধারণ ঘটনাপঞ্জি। যখন তাঁর সঙ্গে তাঁর নিজের সাদামাটা দফতরে কথা হচ্ছিল তখন তাঁর বয়স আশির উর্ধে। অন্যদের সঙ্গে নিজে অফিস টাইম মেনে চলেন। বললেন, আমার মধ্যে যদি শৃঙ্খলাবোধ থাকে তাহলে আমার কর্মচারীর মধ্যেও তা থাকবে। আরও বলেছিলেন, আমি তো শুধু মুনাফা করার জন্য ব্যবসা করছি না। আমি মনে করি, ব্যবসা করা এক ধরনের দেশসেবা। দু'জনই শধু অর্থ আয় করেননি সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন জনগণের সেবা করতে এবং তা তাদের প্রতিষ্ঠান এখনও করে যাচ্ছে।

উপরে দু'জন ব্যবসায়ী বা শিল্পপতির উদাহরণ এই জন্যই দিলাম, যাতে বোঝা যায়_ একজন আদর্শ ব্যবসায়ী বা শিল্পপতির কেমন হওয়া উচিত। বাংলাদেশের বেশির ভাগ ব্যবসায়ী প্রথম প্রজন্মের । দুর্ভাগ্যজনকভাবে হলেও এটি সত্য, এদের অনেকই শুধু যে কোনভাবে, তা সৎ হোক অথবা অসৎ, নৈতিক উপায়ে হোক আর অনৈতিক; অর্থ আয় করার উপায় খোঁজেন। এদের কেউ কেউ রাতে টিভিতে এসে জনগণকে হেদায়েত করেন, সভা-সেমিনারে মাইক পেলে জনগণকে উঁচু গলায় উপদেশ দেন, বিদেশে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হন আবার অনেকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দেশ ছাড়েন। সাধারণ মানুষ কিন্তু বিশ্বাস করে, যাঁরা এমন পরিণতি ভোগ করেন তাঁরা যথার্থভাবেই তা করেন। এঁরা জনগণের সহমর্মিতা পেতে ব্যর্থ হন। তার কারণ, জনগণ মনে করে এদের কারণেই দশ টাকার পেঁয়াজ বিশ টাকা হয়, এক শ' টাকা লিটারের ভোজ্যতেল এক দিনের ব্যবধানে এক শ' কুড়ি টাকায় কিনতে হয়, গুঁড়াদুধের বদলে শিশুদের চালের গুঁড়া খাওয়াতে হয়। যাদের সম্পর্কে জনগণের ধারণা (perception) এমন তাদের তো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দেশ ছাড়তে হতেও পারে। আর সত্যটা হচ্ছে, দেশে যদি সত্যিকার অর্থে আইনের শাসন থাকে তাহলে এমন ব্যবসায়ীদের দেশের বাইরে নয়, সব সময় দেশের কারাগারেই থাকার কথা। এটা তো তাদের ভাগ্য যে বাংলাদেশে এখন পর্যনত্ম তেমন আইনের শাসন কায়েম হয়নি। তা যদি হতো তা হলে সম্প্রতি শেয়ারবাজার নিয়ে যে সকল ব্যবসায়ী এত বড় প্রতারণা করল তারা কীভাবে এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেল? এফবিসিসিআইয়ের সভাপতির কাছে বিনীত অনুরোধ, চেষ্টা করম্নন যেন যে সকল ব্যবসায়ীকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দেশ ছাড়তে হয় না তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে। তা যদি করতে পারেন তবেই সকলের জন্য মঙ্গল। ব্যবসায়ী নেতা সম্প্রতি অনেক বচন শুনিয়েছেন। সময়মতো সে সব নিয়েও পরবর্তিতে আলোচনা করার ইচ্ছা রইল। নেতৃত্বের অনেক গুনাবলীর মধ্যে একটি হচ্ছে বিনয়ী হওয়া। দেশে দেখেছিলাম প্রয়াত একে খান এবং এমএ ইস্পাহানিকে। একবার সুযোগ হয়েছিল ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আইকে গুজরালের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে কথা বলার। তাঁর বিনয় আমাকে অভিভূত করেছিল। পরবর্তীতে গুজরাল ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশে সর্বৰেত্রে যে ধরনের নেতৃত্বের দেখা মেলে তা আমাদের খুব হতাশ করে।

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন

Back to top button
Translate »