আর্কাইভ

গৌরনদীতে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সংবাদ সম্মেলন

দেলোয়ার সেরনিয়াবাত ॥ বরিশালের গৌরনদী প্রেসক্লাবে গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপজেলার কমলাপুর নূরানী ও হাফিজীয়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দরা অভিযোগ করেন, চুরির ঘটনাকে আড়াল করতে গাছ চোরেরা মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দের নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা সাংবাদিকদের কাছে আওয়ামীলীগ ও কৃষকলীগের নেতাদেরকে জামায়াত নেতা ও সরকারি গাছ লুটপাটকারী বলে প্রচারনা চালিয়ে সম্মান হানি করছে।

সোমবার বেলা ১১টায় গৌরনদী প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা হাওলাদার। তিনি বলেন, কমলাপুর নূরানী ও হাফিজীয়া মাদ্রাসার জন্য একটি ঘর নির্মান করা অপরিহার্য্য হয়ে পড়ায় মাদ্রাসা কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের পরামর্শক্রমে ইল্লা-কমলাপুর সড়কের দু’পাশের মোট ৬১টি বাবলা গাছ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আকন ছিদ্দিকুর রহমানের লিখিত অনুমতি নিয়ে মাদ্রাসার আসবাবপত্র ও অন্যান্য কাজে ব্যবহারের জন্য কাটা হয়। এসব গাছ কাটার জন্য স্থানীয় মামুন ঘরামী, খোকন সরদার, মৃনাল হাওলাদারকে ১০ হাজার টাকায় চুক্তিতে লেবার হিসেবে নিয়োগ করা হয়। মামুন ঘরামী ও খোকন সরদার ওই গাছের ভেতর থেকে ১২টি গাছ চুরি করে নিয়ে পার্শ্ববর্তী বার্থী বাজারের মোহাম্মদ সরদারের স্ব-মিলে লুকিয়ে রাখে। পরে লোকমুখে খবর পেয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সহসাধারন সম্পাদক কামাল মৃধা ও মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মোঃ আব্দুল্লাহ ঘটনাস্থল থেকে ওই গাছ সনাক্ত করে। তখন স্থানীয় বার্থী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহান প্যাদা চোরদের বিচারের আশ্বাস দিয়ে কামাল মৃধা ও হাফেজ মোঃ আব্দুল্লাহর কাছে চোরাইকৃত ১২টি গাছ ও চোরদ্বয়কে হস্তান্তর করেন। এতে দুর্নীতিবাজদের স্বার্থহানী ঘটায় তারা বিভিন্ন পত্রিকায় মিথ্যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগ করেন। গাছ কাটায় কোন লোক বাঁধা প্রদান করেনি ফলে মারধরের অভিযোগটি সম্পূর্ন মিথ্যা উল্লেখ করে কমলাপুর নূরানী ও হাফিজীয়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা হাওলাদার নিজেকে কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও একজন নিরিহ ব্যাক্তি বলে দাবী করেন। তিনি আরো জানান, মাদ্রাসাটির পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি মোঃ কেরামত আলী বেপারী হচ্ছেন, উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি, আর সহসাধারন সম্পাদক কামাল মৃধা স্থানীয় আওয়ামীলীগের একজন সক্রিয় সদস্য। তাদের তিন জনের কেউই জামায়াতের রাজনীতি বা জামায়াতের সঙ্গে জড়িত নন। তাদের ব্যাক্তিগত মান সম্মান ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য কতিপয় অসাধু ও দুর্নীতি পরায়ন ব্যক্তি মিথ্যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগ করেছেন।

আরও পড়ুন

Back to top button
Translate »