আন্তঃজেলা মোটর সাইকেল চোরচক্রের দুই সদস্য আটক

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মুখ থেকে মোটর সাইকেল চুরির সময় বুধবার দুপুরে আন্তজেলা মোটর সাইকেল চোরচক্রের দুই সদস্যকে স্থানীয়রা গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।

আরও পড়ুন

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আরাফাত বিল্লাহ’র আপিল

ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিল উপলক্ষে জাতীয়তাবদী ছাত্রদলের ৭৫ প্রার্থীর মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ৪৫ জনকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে বাদ পড়েন ২৮ জন। প্রার্থিতা ফিরে পেতে ১৫ জন প্রার্থী আপিল করেছেন। এরমধ্যে সভাপতি পদে ৬ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৯ জন। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে দুজন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।

ছাত্রদলের কাউন্সিলের আপিল কমিটির সূত্রে জানা যায়, প্রার্থিতা পুর্নবহালের জন্য যারা আবেদন করেছেন তাদের মধ্যে সভাপতি প্রার্থী-আল মেহেদী তালুকদার, মো. আসাদুল আলম টিটু, আজিম উদ্দিন মেরাজ, আরাফাত বিল্লাহ খান, এস এ এম আমিরুল ইসলাম এবং জুয়েল মৃধা।

সাধারণ সম্পাদক পদে যারা আপিল করেছেন তারা হলেন- সিরাজুল ইসলাম, ফজলুল হক নীরব, এস এম বাবুল আক্তার শান্ত, জুবায়ের আল মাহমুদ রিজভী, কে এম সাখাওয়াত হোসাইন, সাদিকুর রহমান সাদিক, জামিল হোসেন,এমদাদুল হক মজুমদার এবং মোহাম্মদ ওমর ফারুক।

সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে যে দুজন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন, তারা হলেন- মো. জুলহাস উদ্দিন এবং মো. জহিরুল ইসলাম (দিপু পাটোয়ারী)।

সভাপতি পদে আপিলকারী আরাফাত বিল্লাহ খান বলেন, যেহেতু দল গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এগোচ্ছে তাই আপিল করেছি। আশঙ্কা করছি, কেউ বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও তার এ ব্যক্তিগত তথ্য গোপন করে বৈধ প্রার্থীর তালিকায় চলে আসতে পারেন। সেটা যদি হয়ে থাকে তাহলে আমার প্রার্থিতা পুনর্বহালের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে এটাই আশা করছি।

দালালচক্রের নিয়ন্ত্রণে গৌরনদী ভূমি অফিস

আহছান উল্লাহ: দালালদের হাতে অরক্ষিত হয়ে পড়েছে বরিশালের গৌরনদী ভূমি অফিস। দালালচক্রের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে সেবাগ্রহীতারা। অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর যোগসাজশে চলছে নানা অনিয়ম। প্রভাবশালী দালালরা অফিসের গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ নথি অবাধে নাড়াচাড়া করছে। তাদের দেখলে মনে হয়, তারাই অফিসের হর্তাকর্তা।

Read more “দালালচক্রের নিয়ন্ত্রণে গৌরনদী ভূমি অফিস”

গৌরনদী সাব-রেজিষ্টার অফিসে ছাত্রলীগের হামলায় আহত ৫

গৌরনদী উপজেলা সাব-রেজিষ্টার অফিসে ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা হামলা চালিয়ে অফিসের ফাইলপত্র তছনছ করেছে। এসময় দলিল লেখক সমিতির সভাপতি কাওছার মোল্লাসহ ৫জন রক্তাক্ত হন। এ ঘটনায় রোববার গভীর রাতে গৌরনদী সাব-রেজিষ্টার মুবাশ্বেরা সিদ্দিকা বাদি হয়ে তিন ছাত্রলীগ নেতার নামোউল্লেখসহ ১৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ আগষ্ট গৌরনদী দলিল লেখক সমিতির সদস্য কামাল হোসেন মিয়া দলিল রেজিষ্ট্রি করার জন্য উপজেলা সাব-রেজিষ্টার কার্যালয়ে একটি দলিল সাবমিট করেন। দলিলটিতে ৭ জন দাতার মধ্যে ২জন দাতার জন্ম নিবন্ধন ও ২ জন দাতার জাতীয় পরিচয়পত্র জাল বলে সন্দেহ পোষন করায় পরবর্তিতে পরীক্ষা নিরীক্ষার করে জালিয়াতির সত্যতা ধরা পরলে সাব-রেজিষ্টার দলিলটি নিবন্ধন বন্ধ করে দেন এবং দলিলটির লেখক কামাল হোসেনকে বরখাস্ত করেন।

গত রোববার বিকেলে ওই দলিলটি সম্পন্ন করতে অফিসে আসেন ছাত্রলীগ নেতা সাখাওয়াৎ হোসেন সুজন, সুমন মাহমুদ ও মিলন খলিফা। এ সময় সাব রেজিষ্টার মুবাশ্বেরা সিদ্দিকার সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতাদের সাথে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে গৌরনদী উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মোঃ কাওছার হোসেন মোল্লা সাব রেজিষ্টারের পক্ষে কথা বলেলে তার ওপর ছাত্রলীগ নেতারা হামলা চালায়। হামলায় মোঃ কাওছার হোসেন মোল্লা (৫৫), অফিস কর্মচারী এনায়েত হোসেন (৪০), মোঃ বাচ্চু মিয়া (৩৮), জুলেখা খানম (৩৫), দুলাল হাওলাদার (৩৬)সহ ৫ জনকে আহত করেছে। গুরুতর আহত কাওছার হোসেন ও এনায়েত হোসেন গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে সাখাওয়াৎ হোসেন সুজন বলেন, আমার মা একটি দলিলের গৃহীতা। ওই দলিলটি রেজিষ্টারি করতে গেলে ৭ জন দাতার মধ্যে ৪ জন দাতার কাগজপত্রে কিছুটা সমস্যা সৃষ্টি হয়। পরবর্তিতে রোববার আমি কাগজপত্র সংশোধন করে নিয়ে গেলে সাব-রেজিষ্টার দলিল নিবন্ধন করতে চাইলেও দলিল লেখক সমিতির সভাপতি কাওছার তাতে বাধা দেন। এক পর্যায়ে এ নিয়ে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

হামলা ও জখম করার অভিযোগ অস্বীকার করে সুমন মোল্লা বলেন, কলেজ সভাপতির মায়ের নামে একটি দলিল করতে গেলে কাওছার হোসেন প্ররোচনায় দলিলটি সম্পন্ন হয়নি। এ নিয়ে আমরা কথা বললে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি কাওছার হোসেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সজুনকে পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তারের হুমকি দেয়। তখন আমাদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।

ছাত্রলীগ নেতা মিলন খলিফা এ প্রসঙ্গে বলেন, আমরা কোন অন্যায় দাবি নিয়ে সেখানে যাইনি। আমাদের একজন সহকর্মীর সমস্যার কথা শুনে গিয়েছি এবং ন্যায় ভিত্তিকভাবে কাজটি করতে অনুরোধ জানিয়েছিলাম কিন্তু কাজটি না করে বিষয়টি ভিন্ন খাতে নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

ছাত্রদলের সভাপতি’র দৌড়ে গৌরনদীর আরাফাত বিল্লাহ খান

বিএনপির ভ্যানগার্ড হিসেবে খ্যাত জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বর্তমানে নেতৃত্বহীন। পবিত্র ঈদ উল আযহা’র পরে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের কমিটি হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানা গেছে।

ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন- বিলুপ্ত কমিটির স্কুলবিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ খান, সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল আলম টিটু, সহ-তথ্যবিষয়ক সম্পাদক মামুন খান, বৃত্তি ও ছাত্র কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, মুক্তিযোদ্ধা গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম সাগর, সহ-অর্থবিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার, সিনিয়র সহসভাপতি তানভীর রেজা রুবেল, সহসভাপতি আমিনুর রহমান আমিন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, ইকবাল হোসেন শ্যামল, রিজভী আহমেদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহসভাপতি সুরুজ।

জানা গেছে ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্ব নির্ধারনে মেধাবী, চৌকশ, অতীতে রাজপথে অবস্থান, কর্মীবান্ধব ছাত্রনেতার খোঁজে দলটির শীর্ষ নেতারা।

সদ্য বিলুপ্ত কমিটির স্কুল বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ খান

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পারিবারিকভাবেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির রক্তবহন করে আরাফাত। পরিবারের অধিকাংশ সদস্য বিএনপির রাজনীতির সাথে সরাসরি যুক্ত এবং পদায়িত রয়েছে।

তার মেঝ ভাই আশরাফ বিল্লাহ খান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-সাধারন সম্পাদক। ছোট ভাই আরিফ বিল্লাহ খান তেজগাঁও কলেজের ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত আছে।

চাচা মিজানুর রহমান খান মুকুল বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য, সেই সাথে তিনি সাবেক ভিপি সরকারি গৌরনদী কলেজ ছিলেন এবং সভাপতি, গৌরনদী উপজেলা ছাত্রদল। তার আরেক চাচাতো ভাই মনিরুজ্জামান স্বপন বর্তমানে ডেনমার্ক বিএনপির সাধারন সম্পাদক। তিনিও সাবেক ভিপি ও সভাপতি ছিলেন গৌরনদী উপজেলা ছাত্রদলের।

শিক্ষা জীবন

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ থেকে অনার্স মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। আরাফাত সদ্য সাবেক কমিটির স্কুল বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। এর আগে তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য, যুগ্ন সম্পাদক জাসাস, শেখ মুজিব হল শাখা ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন।

রাজনৈতিক কর্মজীবন

জানা যায়, ২০১৩, ১৪-১৫ সালে দেশব্যাপী হরতাল, অবরোধের বিভিন্ন মিছিলে তিনি সর্বোচ্চ উপস্থিতি ছিলেন। এছাড়াও একাধিকবার বিশ্ববিদ্যালয় চত্তরে হামলার শিকার হন। বিভিন্ন মামলায় একাধিকবার কারাবরণ করেন। সেই সাথে তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আমন্ত্রণে আন্তর্জাতিক ভিজিটিং লিডারশীপ প্রোগ্রামে অংশগ্রহন করেন। সেখানে দেশের ইতিহাসে ছাত্রদলের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে দলের পক্ষে অংশগ্রহন করেন এবং দলের নেতাকর্মীদের হামলা-মামলা ও নির্যাতন সম্পর্কে দলের পক্ষে বক্তব্য রাখেন।

এ বিষয়ে আরাফাত বিল্লাহ খান বলেন, ছাত্রদলের মত এত বৃহৎ একটি ছাত্রসংগঠন পরিচালনা করতে হলে শুধুমাত্র আন্দোলন সংগ্রামের অভিজ্ঞতাই যথেষ্ট নয়, বরং এগুলোর সাথে সাথে সাংগঠনিক ও সামাজিক কর্মের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। আমি বিগত দিনে সবকটি আন্দোলনে সক্রিয় থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি ও তিনবার কারাবরণ করেছি।

তিনি আরও বলেন, বিগত জুয়েল–হাবিব পরিষদে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সাংগঠনিক টিমের সাথে কাজ করেছি। বর্তমান বিলুপ্ত কমিটির একমাত্র সম্পাদক আমি যার বিভাগ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট কাজ হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের ৫০,৫১ ও ৫২ তম জন্মদিনে স্কুল বিষয়ক প্রকাশনা করে সারা বাংলাদেশে বিতরণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি আমি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল এর রাজনৈতিক ফেলো। আমি ২০১৫ সাল থেকে শুরু করে এ যাবত পর্যন্ত সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহনে ৫০টির অধিক রাজনৈতিক নেতৃত্ব উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালায় প্রশিক্ষণ প্রদান করেছি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ উদ্দ্যোগে ২১টি নির্বাচনী আসনে ইলেকশন ক্যাম্পেইন ম্যানেজমেন্ট ও পোলিং এজেন্ট ট্রেনিং করিয়েছি। এছাড়া ঢাকার ভেতরে অনেক সামাজিক সমস্যা প্রতিকারে কাজ করেছি যার ফলে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আমন্ত্রণে তরুণ নেতা হিসেবে তাদের দেশ ভ্রমণ করে এসেছি।

তিনি বলেন, এর বাইরে দীর্ঘদিন আমি সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জড়িত রয়েছি। অতীতে যেহেতু আমার সফলতা রয়েছে সেহেতু আগামীতে আমার নানামুখী দক্ষতা সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলকে আরও ছাত্রবান্ধব, জনপ্রিয় ও অপরাপর ছাত্রসংগঠনের তুলনায় অধিকতর গ্রহনযোগ্য করে তুলবে বলে আমার বিশ্বাস। সংগঠন গোছানোর স্বার্থে ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন বেগবান করে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সম্মানিত ভোটারবৃন্দ আমাকে নির্বাচিত করবেন বলে আশা করি।

অল্প পুঁজিতে করতে পারেন “কার ওয়াশ ব্যবসা”

সামগ্রিক বিনিয়োগ বিবেচনায় গাড়ী ধোয়ার ব্যবসাটি একটি জনপ্রিয় ব্যবসা। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও নগরায়নের ফলে সমগ্র বিশ্বে গাড়ীর সংখ্যা বাড়ছে। গাড়ীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় দিন দিন এই ব্যবসা শুরু করার সুযোগ তৈরী হচ্ছে। যানবাহন সংশ্লিষ্ট এই ব্যবসাটি বর্তমানে একটি ক্রমবর্ধমান ব্যবসা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি একটি ঝুঁকি মুক্ত ব্যবসার ধারণা। ছোট মূলধন বিনিয়োগ করেই এই ব্যবসাটি শুরু করা যায়।

ব্যবসার ধরণ: এটি একটি সেবামূলক ও লাভজনক ব্যবসা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। ব্যবসার অবস্থান: গাড়ী ধোয়ার ব্যবসাটি শুরু করতে হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল এমন জায়গায় একটি খোলা মাঠের প্রয়োজন এবং পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। সম্ভাব্য পুঁজি: এই ব্যবসা শুরু করতে আনুমানিক ১০০০০০ থেকে ২০০০০০ টাকা মূলধন বিনিয়োগ করা প্রয়োজন হতে পারে।

গাড়ী ধোয়ার ব্যবসার বাজার পরিস্থিতি: সারা বিশ্বে এই ব্যবসার একটি বিশাল বাজার রয়েছে। তাছাড়া যেহেতু দিন দিন গাড়ীর সংখ্যা বাড়ছে তাই স্বাভাবিক ভাবেই এই ব্যবসার বাজারও প্রসারিত হচ্ছে।

কিভাবে এই ব্যবসা শুরু করবেন: পর্যাপ্ত পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা যায় এমন স্থানে গাড়ী ধোয়ার কাজ করে এই ব্যবসাটি পরিচালনা করা হয়। ব্রাশ ও শ্যাম্পুর সাহায্যে গাড়ী ধুয়ে পরিষ্কার করতে হয়। আপনি চাইলে গাড়ী ধোয়ায় দক্ষ কর্মী নিয়োগ করেও এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন।

গাড়ী ধোয়ার ব্যবসাটি কেন শুরু করবেন: অন্যান্য ব্যবসার চেয়ে এই ব্যবসায় ঝামেলা ও ঝুঁকি কম থাকায় অনেক উদ্যোক্তাই এই ব্যবসার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করছেন। তাছাড়া এই ব্যবসার মাধ্যমে সহজেই আর্থিক ভাবে লাভবান হওয়া যায়। গ্রাহক: ব্যস্ততার জন্য যারা গাড়ী পরিষ্কার করতে পারেন না তারা গাড়ী পরিষ্কার করার জন্য গাড়ী ধোয়ার প্রতিষ্ঠান গুলোতে এসে থাকেন। বিশেষ করে প্রাইভেট গাড়ীর মালিক গণ এই ব্যবসার প্রধান গ্রাহক।

যোগ্যতা: এই ব্যবসাটি শুরু করার জন্য বিশেষ কোন দক্ষতার প্রয়োজন পড়ে না। চাইলে যে কেউ কোন গাড়ী ধোয়ার প্রতিষ্ঠান থেকে ২/৩ দিনের প্রশিক্ষণ নিয়ে এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন। সাবধানতা: গাড়ী ধোয়ার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেনো কোন ভাবেই গাড়ীতে কোন প্রকার দাগ না লাগে। সাবধানতার সাথে গাড়ীর সামনের কাচ ও লুকিং গ্লাস ধৌত করতে হবে। সম্ভাব্য আয়: গাড়ী ধোয়ার ব্যবসাটি শুরু করে মাসিক ২৫০০০ থেকে ৪০০০০ টাকা আয় করা সম্ভব।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

টয়োটার জ্বালানি সাশ্রয়ী হাইব্রিড গাড়ি মাত্র ১১ লাখ টাকায়!

টয়োটা অ্যাকুয়া হাইব্রিড। দেশের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে টয়োটার জ্বালানি সাশ্রয়ী হাইব্রিড কার। এটি একটি রিকন্ডিশন কার। এতে হাইব্রিড সিনারজি ড্রাইভিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। গাড়িটি জ্বালানির পাশাপাশি ব্যাটারিওতেও চলে। ফলে জ্বালানি সাশ্রয় হয়।

পরিবেশবান্ধব এই গাড়িটি ২০১৩ সালের মডেল। এটি ২০১৪ এবং ২০১৫ সালের মডেলেও পাওয়া যাচ্ছে। মডেলেভেদে এবং গ্রেডভেদে এর দাম ভিন্ন হয়। তবে ২০১৩ সালের মডেল পাওয়া যাচ্ছে ১১ লাখ টাকায়। জাপানে জনপ্রিয় এই মডেলটি বাংলাদেশের বাজারে ও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। নগরের রাস্তায় এই গাড়ির দেখা মেলে।

টয়োটা অ্যাকুয়া হাইব্রিড গাড়িতে আছে ১৪৯৬ সিসির ইঞ্জিন। এতে ৪ সিলিন্ডার ওয়াটার কুলড ডিওএইচসি ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে। প্রোট্রেল ই ইলেকট্রিক ড্রাইভেন গাড়িটি ৭২ বিএইচপি শক্তি উৎপাদন করতে পারে।

এর ম্যাক্স টর্ক ১১১ এনএম। টপস্পিড ১৮০ কিলোমিটার। ই-সিভিট ট্রান্সমিশন সমৃদ্ধ গাড়িটি ফ্রন্ট হুইল ড্রাইভ। বেশ কয়েকটি রঙে বাংলাদেশের বাজারে গাড়িটি পাওয়া যাচ্ছে। এর ডিজাইন দুর্দান্ত। ছোট খাটো আকৃতির গাড়িটি ফাইভ সিটার বা পাচঁজন বসতে পারে। টয়োটা দাবি করছে গাড়িটিতে ২০ কিলোমিটার মাইলেজ পাওয়া যাবে। লো মেইনট্যান্সের এই গাড়িতে ফুয়েল ট্যাংকের পাশাপাশি ব্যাটারি রয়েছে। গাড়ির ইঞ্জিন চালু থাকা অবস্থায় ব্যাটারি চার্জ হয়।

হাইব্রিড গাড়ি চলার জন্য প্রাথমিক শক্তি হিসেবে হাইব্রিড ব্যাটারি এবং দ্বিতীয় শক্তি হিসেবে জ্বালানি তেল ব্যবহৃত হয়। ব্যাটারির চার্জ যদি শেষ হয়ে যায় সেক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইঞ্জিন চালু হয়। ব্যাটারির শক্তি গাড়ির জন্য যথেষ্ট না হলে হাইব্রিড ব্যাটারি এবং ইঞ্জিন যৌথভাবে শক্তি উৎপাদন করে এবং গাড়ির চাকাকে গতিশীল রাখে। ব্যাটারি চাকার ঘূর্ণন গতি এবং ইঞ্জিনের পরিত্যক্ত কর্মশক্তি থেকে চার্জ সংগ্রহ করে। এভাবেই হাইব্রিড গাড়ি পরিচালিত হয়।

হাইব্রিড গাড়ির সুবিধা প্রসঙ্গে কথা বলেন মেভেন অটোস এর স্বত্ত্বাধিকারী মো. আশফাকুর রহমান। তিনি বলেন, হাইব্রিড গাড়িতে একই সঙ্গে ফুয়েল এবং ব্যাটারির শক্তি ব্যবহৃত হয়। যা ফুয়েল খরচকে অর্ধেকে নামিয়ে আনে। গাড়ির শক্তি বা কার্যক্ষমতাকে হ্রাস না করে যে সুবিধা হাইব্রিড গাড়ি প্রদান করে তা সাধারণ গাড়ি দিতে পারে না। হাইব্রিড গাড়ির মূল্য সাধারণ গাড়ি থেকে বেশি হলেও গাড়িতে ব্যবহৃত জ্বালানির খরচের সঙ্গে তুলনা করলে হাইব্রিড গাড়ি বেশ সাশ্রয়ী।

কীভাবে হাইব্রিড গাড়ি কাজ করে? এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হাইব্রিড গাড়িতে জ্বালানি এবং ব্যাটারি শক্তি ব্যবহৃত হয়। ইঞ্জিন যখন জ্বালানিতে চলে, তখন ব্যাটারি ইঞ্জিনের পরিত্যক্ত শক্তি সংগ্রহ করে। আবার চাকা ঘুরলে (যেমন; উইন্ডমিল) যে ঘূর্ণন শক্তি উৎপাদন হয় তা থেকেও ব্যাটারি শক্তি পায়।

আর যখনি ব্যাটারি পরিপূর্ণ বা আংশিক চার্জ হচ্ছে তখন ইঞ্জিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে ব্যাটারির শক্তিতে গাড়ি চলতে থাকে। তবে এসব পরিবর্তন গাড়ি নিজে থেকেই করে। এজন্য আলাদা কোন সুইচ চাপতে হয় না। গাড়ি নিজের প্রয়োজনে ব্যাটারি বা ফুয়েলকে জ্বালানি শক্তি হিসেবে ব্যবহার করে।

হাইব্রিড গাড়ি যেহেতু অটোমোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থেকেই প্রস্তুত হয়ে আসে, সেহেতু পৃথিবীর নামকরা গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বুঝে শুনেই এসব গাড়ি নির্মাণ করে। তাই এ গাড়ি সিএনজিতে রুপান্তর করা গাড়ির চেয়েও অনেক নিরাপদ এবং কার্যকরী। খরচও কম। রিকন্ডিশনড গাড়িটির দাম মাত্র ১১ লাখ টাকা।

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে মাদারীপুরের ৩০ গ্রামে ঈদ উদযাপন

সুরেশ্বর দরবার শরীফ

রাবরের মতোই সুরেশ্বর দরবার শরীফের কমপক্ষে লক্ষাধিক মুরিদ-ভক্ত রোববার (১১ আগস্ট) পবিত্র ঈদউল আজহা উদযাপন করছেন।

সৌদি আরবসহ মধ্য প্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে প্রায় ১৪৮ বছর ধরে একদিন আগে রোজা রাখা ও দুই ঈদ উদযাপন করে আসছেন তারা।

সুরেশ্বর দ্বায়রা শরীফের গদীনশীন পীর ও আন্তর্জাতিক চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি আলহাজ খাজা শাহ্ সূফী সৈয়্যেদ নূরে আখতার হোসাইন বলেন, সৌদি আরবসহ মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আজ ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে।

শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর দ্বায়রা শরীফের প্রতিষ্ঠাতা হযরত জানশরীফ শাহ্ সুরেশ্বরীর (রাঃ) অনুসারীরা মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলাসহ বাংলাদেশের প্রায় দেড় কোটি ধর্ম প্রাণ মুসলমান রোববার ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন।

সেই হিসেবে মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের চরকালিকাপুর, মহিষেরচর, পূর্ব পাঁচখোলা, জাজিরা, কাতলা, তাল্লুক, খোয়াজপুর ইউনিয়নের চরগোবিন্দপুর, পখিরা, খোয়াজপুর, কুনিয়া ইউনিয়নের দৌলতপুর, কালিকাপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর, হোসনাবাদ, ছিলারচর ইউনিয়নের রঘুরামপুর, আংগুলকাটা, হাজামবাড়ী ও শিবচর উপজেলার বাহেরচর, কেরানীরবাট, কালকিনি উপজেলার খাসেরহাট, রমজানপুরসহ ৩০ গ্রামের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ আজ কোরবানির ঈদ উদযাপন করছেন।

সকালে মাদারীপুর জেলার ৩০ গ্রামের প্রায় ৩০টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে সদর উপজেলার তাল্লুক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালকিনির খাসেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে।

গৌরনদীতে ৩০ ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত, একজনের মৃত্যু

বরিশাল জেলার গৌরনদীতে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। গত ৮ দিনে ৩০ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে আলেয়া বেগম নামে এক বৃদ্ধা মৃত্যু বরণ করেছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থা না থাকায় চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। গত দুই দিনে স্থানীয়ভাবে কয়েকজন রোগী আক্রান্ত হওয়ায় জনমনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর চিকিৎসার জন্য আলাদা ইউনিট চালুর দাবি জানিয়েছেন।

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ মাহাবুব আলম মিজা জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ৩০ জুলাই পার্শ্ববর্তী মুলাদী উপজেলার কাচিচর গ্রামের বাসিন্দা সহকারী শিক্ষিকা তানিয়া আক্তার প্রথম ডেঙ্গু রোগী হিসেবে সনাক্ত হয়। ওই রাতেই পৌরসভার আশোকাঠী মহল্লার আলেয়া বেগম নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়। তার পর থেকেই ডেঙ্গু রাগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকে। গত এক সপ্তাহে সরকারি হিসেবে ২৬ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হলেও বেসরকারি ভাবে এর সংখ্যা রয়েছে ৩০ জনেরও অধিক। তার মধ্যে ঢাকা থেকে আক্রান্ত হয়ে এসেছেন অনেকে।

সোম ও মঙ্গলবার স্থানীয়ভাবে দুইজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এরা হলেন ২নং বার্থী ইউনিয়নের সংরক্ষিত ৩ নং ওয়ার্ডের নারী সদস্য মিনু বেগমের স্বামী ধুরিয়াইল গ্রামের আলাউদ্দিন হাওলাদার (৬০), কটকস্থল গ্রামের হীরা মাঝির পুত্র ইউসুফ মাঝি (৪)।

এসব আক্রান্ত রোগীর স্বজনরা জানান, ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত রোগীরা গত কয়েক বছরেও ঢাকা কিংবা অন্য শহরের যায়নি। তারা স্থানীয় ভাবে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছে। স্থানীয়ভাবে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হওয়ায় জনমনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। জনমনে একটাই আতঙ্ক ডেঙ্গু বাহিত মশা সারাদেশে কিভাবে ছড়িয়ে পরলো।

কয়েকদিনের জ্বর নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা কান্ডপাশা গ্রামের হুমায়ন কবির (৩২) বলেন, বরিশাল-ঢাকা মাহসড়কের পাশে এ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি অবস্থিত হওয়ায় এ কমপ্লেক্সেটি জন গুরুত্বপূর্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর চিকিৎসা ব্যবস্থা না থাকায় আক্রান্ত রোগীদের বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে। ফলে রোগী ও স্বজনদের চিকিৎসা নিতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। দ্রুত ডেঙ্গুর চিকিৎসার জন্য আলাদা ইউনিট চালুর দাবি জানাই।

গৌরনদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ জয়নাল আবেদিন বলেন, জায়গার সংকুলন ও জনবল সংকট থাকায় ডেঙ্গুর চিকিৎসার জন্য আলাদা ইউনিট চালু সম্ভব হচ্ছেনা। আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যে সব ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হয় তাদের চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কেলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করি। এছাড়া আমাদের আর কিছু করার নেই।

বই পড়া কি মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করে?

যখন জীবনে চলার পথ অনেক কঠিন হয়ে যায় তখন ঠিক কী করা উচিত? এ অবস্থায় ভাল একটি সাহিত্যের বই খুঁজে বের করে, সেটা পড়া হতে পারে, সবচেয়ে ভাল কোন প্রচেষ্টা। তাহলে মনে প্রশ্ন আসতেই পারে যে বই কীভাবে আপনার জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে?

এমন নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বিবিসি, ‘বিবলিওথেরাপিস্ট’ এর একটি প্যানেলকে একত্রিত করে যারা তাদের জীবনের নানা সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহার করেছে এই বইগুলোকে। তাদের থেকে নেয়া কিছু অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ জেনে নেয়া যাক।

মানসিক চাপ কমিয়ে পুনর্জীবিত করে তোলে:

সঠিক ধরণের সাহিত্য আপনাকে যেকোনো বিষয় সম্পর্কে একটি নতুন দৃষ্টিকোণ দিতে সক্ষম। যেটা কিনা আপনার মনকে সতেজ করে তুলতে সাহায্য করে। সাহিত্যিকদের মতে “একটি বই মূলত আপনাকে যে বার্তাটি দেয়, সেটি হল নিজের নীতিতে অটল থাকার। এ কারণে নানা ধরণের মানসিক পীড়া থেকে মুক্তি মেলে আর মন পুরো পরিশুদ্ধ নতুনের মতো হয়ে যায়।”

পালিয়ে যাওয়া

বই কীভাবে আপনার জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে? লেখকদের মতে, “গল্প, উপন্যাস, সাহিত্য আপনাকে সবকিছু থেকে পালাতে সাহায্য করে। ইংরেজি ভাষায় যাকে বলা হয় এস্কেপিজম বা পলায়নবাদ। এই পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি অন্য যেকোনো শিল্পের চেয়ে তীব্র ও শক্তিশালী।”

“একটি চলচ্চিত্র বা টিভি অনুষ্ঠানে আপনাকে ছবি দেখানো হয়, যেখানে একটি উপন্যাসের সাহায্যে আপনি সেই ছবি বা দৃশ্যপট নিজেই তৈরি করেন। সুতরাং বই আসলে অন্য যেকোনো মাধ্যমের চাইতে অনেক শক্তিশালী। কারণ এতে আপনি অনেক বেশি জড়িত।”

অগোছালো জীবন শৃঙ্খলায় আনুন

বই তার কাঠামোগত বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি অগোছালো মনে শৃঙ্খলা আনতে পারে। ঔপন্যাসিকদের অনেকেই নিজেরা যখন কোন ঝামেলায় পড়েন তখন তারা বইয়ের সাহায্য নেন।

তাদের মতে, “আপনি নিজেকে চেষ্টা করতে ও সমাধান করতে পারেন বইয়ের মধ্যে ডুবে যাওয়ার মাধ্যমে। বইয়ের কোন অতিপ্রাকৃত গল্পের সঙ্গে সাথে নিজেকে যুক্ত করতে পারলে আপনার নিজের মনে থাকা নানা বিষয়কে এক জায়গায় এনে সমাধানের চেষ্টা করা যায়।”

হতাশ মনকে প্রবোধ দেয়

একটি শক্তিশালী সাহিত্যের শেষটি আনন্দের না হলেও – বাস্তবে এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। হুইটল নামের এক ঔপন্যাসিক বিবিসিকে জানান যে, তিনি যখন ছোট ছিলেন তখন তার বাবা তাকে জ্যামাইকাতে তাঁর নিজের শৈশব সম্পর্কে বলতেন, যখন একজন গল্পকার ফসল কাটার সময় গ্রাম থেকে গ্রামে যেতেন এবং তারা দাস প্রথার গল্প বলে বেড়াতেন।”

“দাসপ্রথার এই বিষয়টি অনেক কষ্টের আর হতাশাজনক। তবে এটি ইঙ্গিত করে যে মানুষকে কতো সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে টিকে থাকতে হয়েছে।” বলেন মিস্টার হুইটল।

পুনরাবৃত্তির আনন্দ

প্রিয় উপন্যাসগুলি বার বার পড়লে সেটি বিশেষ ধরণের ‘বিবলিওথেরাপি’ বা পুস্তকীয় চিকিৎসা সরবরাহ করতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে ‘টেস অব ডি’উরবারভিল’ বইটির কথা। বইটির এক পাঠক খুব সুন্দরভাবে নিজের উপলব্ধি ব্যাখ্যা করেন, যিনি কিনা নিজেও একজন লেখক।

“আমি প্রথম যখন বইটা পড়ি, তখন আমার বয়স ছিল ১৫ বছর। আমি সত্যিই গল্পের মূল চরিত্র টেসের সাথে নিজেকে মিলিয়ে ফেলেছিলাম; দ্বিতীয় বার বইটা পড়লাম আরও ১০ বছর পরে, আমি দেখতে পেলাম যে টেস আসলে কতটা প্যাসিভ ছিলেন বা অসাড় ছিলেন। এর আরও ১০ বছর পর পুনরায় আমি বইটি পড়ি – তখন আমি টেসের প্রতিটি সিদ্ধান্তকে বুঝতে শুরু করি”, তিনি বলেন।

এই পাঠক কিংবা লেখকের মতে , জীবনে চলার পথে মাঝে মাঝে আপনাকে পেছনের সময়গুলোতে টেনে নিতে পারে বই- যা অনেক বড় একটি পাওয়া। আপনি নিজেকে আরও ভালভাবে জানতে পারবেন কারণ আপনি নিজের মনের স্তরগুলোয় বিচরণের সুযোগ পাবেন এই বইয়ের মাধ্যমে। যেগুলো আপনার মাথায় এতদিন পেঁয়াজের স্তরের মতো একটার সঙ্গে একটা জুড়ে ছিল।”

তরুণদের মনকে সহায়তা করছে

তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সঙ্কট মোকাবেলায় সাহিত্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তরুণদের জন্য এখন আরও বেশি সংখ্যক উপন্যাস লেখা হচ্ছে যা কিশোর-কিশোরীদের তাদের প্রতিদিনের জীবনে যে বিষয়গুলি মোকাবেলা করতে পারে, সেগুলি মোকাবিলায় সাহায্য করবে। সেটা হত পারে বুলিং বা কটূক্তি, মাদক, সমকামিতা, সামাজিক বর্জনসহ আরও নানা ইস্যু।”

“যে বিষয়গুলি তাদের জীবনে ঘটতে পারে, অথচ এতদিন হয়তো তারা সেটা বুঝতেই পারেনি। আমি সত্যিই মনে করি যে একটি বই আমাদের মধ্যে থাকা হিমায়িত সমুদ্রকে ভেঙে দেওয়ার কুড়াল হিসেবে কাজ করতে পারে এবং এটি যে কোনও যুগের ক্ষেত্রেই সত্য।”- বলেন সেই লেখক।

লেখা কি মনের জন্য ভাল?

বই পড়ার যেমন মানসিক উপকার রয়েছে, তেমনটা কি লেখার ক্ষেত্রেও আছে? আসলে একজন লেখকের জীবন মানসিক স্বাস্থ্যের বিবেচনায় অনেকটা একটি মিশ্র ব্যাগের মতো।

যার মধ্যে অনেক প্রয়োজনীয় কিছু থাকে। এর মধ্যে একটি হল অনেক মানসিক ট্রমা বা আবেগ বের করে দেয়ার ক্ষমতা। এক্ষেত্রে লেখা লেখি দুর্দান্তভাবে কাজে আসে। পরিশেষে এটা বলতেই হয় যে, যখন কোন বই পাঠকের সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলে বা পাঠককে সুস্থ করে তোলে। ওই বইয়ের লেখকের জন্য এরচেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কিছুই হতে পারে না। সূত্র : বিবিসি।

বরিশালের হোটেল সমূহের যোগাযোগের নাম্বার ও ঠিকানা

হোটেল ও আবাসন

সরকারি আবাসন

সার্কিট হাউজ, বরিশাল

কক্ষের সংখ্যা২৩ টি
ভিভিআইপি (এসি)০৪ টি
 ভিআইপি (এসি)০৮ টি
সাধারণ (এসি)০৩ টি
সাধারণ (নন-এসি)০৮ টি
যোগাযোগ০১৭৪৩১০১৩২০

 

ভাড়ার হার

ভিভিআইপি (এসি)ভিআইপি (এসি)সাধারণ (এসি)
সরকারি কর্মকর্তা

৬০/-

বেসরকারি কর্মকর্তা

২০০/-

সরকারি কর্মকর্তা

৫০/-

বেসরকারি কর্মকর্তা

১০০/-

সরকারি কর্মকর্তা

১ সিট-২৫/-

২সিট-৫০/-

বেসরকারি কর্মকর্তা

১ সিট-৭৫/-

২ সিট-১৫০/-

 

জেলা পরিষদ ডাক বাংলো, বরিশাল

কক্ষের সংখ্যা২০ টি
ভিআইপি০১ টি
সাধারণ (এসি)০৩ টি
সাধারণ (নন-এসি)১৬ টি

 

ভাড়ার হার

ভিআইপিসাধারণ (এসি)সাধারণ (নন-এসি)
সরকারি কর্মকর্তা

১৫০/-

বেসরকারি কর্মকর্তা

৩০০/-

সরকারি কর্মকর্তা

২০০/-

বেসরকারি কর্মকর্তা

৪০০/-

সরকারি কর্মকর্তা

১০০/-

বেসরকারি কর্মকর্তা

২০০/-

 

বেসরকারি আবাসন

হোটেলঠিকানামোবাইল নম্বর
হোটল গ্রান্ড পার্কচাঁদমারি, বরিশাল০৪৩১-৭১৫০৮
হোটেল সেডোনাসদর রোড, বরিশাল০৪৩১-৭১৫০৮

০১৭৭৭৭৩৫১৭১-২

হোটেল এ্যাথেনা ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক)কাটপট্টি রোড, বরিশাল০১৭১২২৬১৬৩৩
হোটেল রোদেলা (আবাসিক)ফলপট্টি, বরিশাল০১৭০৯১৪৩১৮১
হোটেল আলী ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক)সদর রোড, বরিশাল০৪৩১-৬৪৭৩২

০১৭১১৩৩৭৫৮১

এরিনা হোটেল (আবাসিক)সদর রোড, বরিশাল০১৭২৪৪৪৪৪৮৮
হোটেল জিলানী (আবাসিক)দক্ষিণ চকবাজার, বরিশাল০১৭১৫৯৯৯৯১২
হোটেল প্যারাডাইস-১ (আবাসিক)হাসপাতাল রোড, বরিশাল০৪৩১-৬১৯৫৫

০১৭১৮৩৩৫১০৫

হোটেল প্যারাডাইস-২ (আবাসিক)হাসপাতাল রোড, বরিশাল০১৭২৪৮৫৩৫৯০
হোটেল ইম্পেরিয়াল (আবাসিক)গীর্জা মহল্লা, বরিশাল০৪৩১-৬৪৪৭৯

০১৭১১৫৮৫৭৫৮

হোটেল গোল্ডেন ইন (আবাসিক)এনায়েতুর রহমান সড়ক, বরিশাল০৪৩১-২১৭৫১৬৯
হোটেল ইসলামিয়া (আবাসিক)চকবাজার, বরিশাল০১৭৬৮২১৪৭৭৩
হোটেল পার্ক (আবাসিক)এনায়েতুর রহমান সড়ক, বরিশাল০১৭১০৯৬৪৪৪০
হোটেল ধানসিঁড়ি (আবাসিক)কাটপট্টি রোড, বরিশাল০১৭২৬০৩৪৯৬৯
হোটেল আবাবিল (আবাসিক)বগুড়া রোড, বরিশাল০৪৩১-৬৩২৬৬
হোটেল ওয়ান (আবাসিক)এনায়েতুর রহমান সড়ক, বরিশাল০৪৩১-২১৭৫২২৫

০১৭৪৭৯৯৩৭৩৩

হোটেল নুপুর (আবাসিক)লাইন রোড, বরিশাল০৪৩১-২১৭৩৬৩৯
হোটেল হক ইন্টান্যাশনাল (আবাসিক)সদর রোড, বরিশাল০১৭৯২১৫১১৯১
হোটেল ফেয়ার স্টার (আবাসিক)চামারপট্টি রোড, বরিশাল০১৭১১১৮৩২৯৪
মুন ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক)সাদরদী, বরিশাল০১৭৩৪০৯১৫৩১
হোটেল আল জাজিরা (আবাসিক)পূর্ব বগুড়া রোড, বরিশাল০১৭৪০৮৮০৮২৫
হোটেল গ্রান্ট প্লাজা (আবাসিক)পোর্ট রোড, বরিশাল০১৯১৭৪৫০০৮৮

 

ছবি

ঈদে বিশেষ সার্ভিস দিবে বরিশালের ২৫টি লঞ্চ

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের চাপ সামলাতে এবার বরিশাল-ঢাকা নৌপথে সরাসরি ২৩টি নৌযান বিশেষ সার্ভিস দেবে। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় নৌযান সংস্থা বিআইডব্লিউটিসির দুটি নৌযান ঈদের বিশেষ সার্ভিস দেবে। সরকারি-বেসরকারি এসব নৌযান ঢাকা-বরিশাল পথে আগামী ৮ আগস্ট থেকে বিশেষ সার্ভিস শুরু করবে এবং তা চলবে ২০ আগস্ট পর্যন্ত।

বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা যায়, রাষ্ট্রীয় নৌযান সংস্থার নৌযানগুলো বিশেষ সার্ভিস শুরু করবে ৮ আগস্ট থেকে। এবার ঈদের আগে ও পরে একদিন করে দুটি করে নৌযান রাখা হয়েছে। সংস্থার পাঁচটি নৌযান যথাক্রমে এমভি মধুমতি, এমভি বাঙালি, পিএস মাহসুদ, পিএস লেপচা এবং পিএস টার্ন ঈদের বিশেষ সার্ভিসে যাত্রী পরিবহন করবে। লঞ্চগুলো ঢাকা-বরিশাল-ঝালকাঠি-হুলারহাট (পিরোজপুর)-মোড়েলগঞ্জ (বাগেরহাট) পর্যন্ত চলবে।

ঈদের আগে ১০ আগস্ট ঢাকা থেকে দুটি লঞ্চ পিএস মাহসুদ এবং পিএস লেপচা চলবে। পরদিন ১১ আগস্ট মাহসুদ মোড়েলগঞ্জ পর্যন্ত এবং লেপচা বড় মাছুয়া পর্যন্ত যাত্রী নিয়ে যাবে। পরে লেপচা বড়মাছুয়া থেকে ফিরে বরিশাল নৌবন্দরে অবস্থান করবে। ঈদের পর ১৬ আগস্ট বিশেষ সার্ভিস হিসেবে বরিশাল থেকে দুটি লঞ্চ যাত্রী নিয়ে ঢাকায় যাবে। লঞ্চ দুটি হলো এমভি বাঙালি ও পিএস লেপচা।

বিআইডব্লিউটিসির বরিশালের উপ-মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঈদের বিশেষ সার্ভিস নিরাপদ ও নির্বিঘœ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে লঞ্চের শিডিউল ঘোষণা করা হয়েছে।

বেসরকারি লঞ্চ মালিক সূত্রে জানা যায়, আগামী ৮ আগস্ট ঢাকা থেকে বরিশাল-ঢাকা নৌপথে সরাসরি ২৩টি নৌযান বিশেষ সার্ভিস শুরু করবে। এর মধ্যে দিবা সার্ভিসে চলাচলকারী গ্রিন লাইনের দুটি লঞ্চ রয়েছে। যাত্রী চাপ থাকলে প্রয়োজনে লঞ্চের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।

বিআইডব্লিউটিসির নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের বরিশাল কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আজমল হুদা মিঠু বলেন, ঈদুল আজহা সামনে রেখে যাত্রীদের ভোগান্তি আর হয়রানি রোধে নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। টার্মিনালে হটলাইনসহ কন্ট্রোল রুম স্থাপন, পুলিশ হেল্প ডেস্ক, নৌযান চলাচল-সংক্রান্ত তথ্যাদির বিলবোর্ড, ফেস্টুন ও ডিজিটাল স্ক্রিন স্থাপনসহ নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বরিশাল নৌবন্দর থানা পুলিশের ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, নদী বন্দরে সার্বিক নিরাপত্তায় পোশাকধারীর পাশাপাশি সাদা পোশাকেও পুলিশ সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। নারী যাত্রীদের শ্লীলতাহানি, অজ্ঞান পার্টি, ছিনতাইকারীসহ দুষ্কৃতকারীদের প্রতিরোধে সতর্ক অবস্থানে থাকবে পুলিশ। যাত্রীদের ভোগান্তি ও নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে।