বিএম কলেজের হোস্টেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৌরনদীর মানিক নিহত

বরিশালের সরকারি বিএম কলেজের ডিগ্রি হোস্টেলে বিদ্যুতায়িত হয়ে মানিক হাসান (২৩) নামে এক শিক্ষার্থী মারা গেছে। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) দুপুর ২টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক হিসাববিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স ১ম বর্ষের ছাত্র ও ডিগ্রি হোস্টেলের ডি-ব্লকের ১২৩ নম্বর কক্ষের বাসিন্দা। সে গৌরনদীর নন্দনপট্টি গ্রামের আব্দুস সালাম সরদারের ছেলে।

মাস্টার্সের শেষ বর্ষের ছাত্র ও ডিগ্রি হোস্টেলের বাসিন্দা মো. আজিম জানান, প্রতিদিনের মতো মানিক কোচিং শেষ করে হোস্টেলে ফিরে গোসল করতে যায়। গোসল থেকে ফিরে হোস্টেলের টানানো গুনায় তার ভেজা লুঙ্গি শুকাতে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতায়িত হয়ে ফ্লোরে পড়ে যায়। দ্রুত তাকে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আজিম আরও জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে হোস্টেলে আরথিং অনুভব করায় বিষয়টি হোস্টেল সুপার ইসলামের ইতিহাসের শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। এ সময় উপস্থিত মানিকের সহপাঠী থেকে শুরু করে ডিগ্রি হোস্টেলের আবাসিক বাসিন্দারা হোস্টেল সুপার রফিকুল ইসলামের বিচার দাবি করেন।

বিএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সফিকুর রহমান সিকদার জানান, তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৬৫০ টাকা কিস্তিতে কিনুন সুজুকি ব্রান্ডের গাড়ি!

বর্তমান সময়ে চলার পথে যানবাহনের প্রয়োজন পড়ে সবার। তবে গাড়ি কেনাটা অনেকের কাছেই বিলাসিতার বিষয় অনেকের সাধ্যের বাইরে। কারন এর অধিক মূল্য। তবে সেটি এখন মধ্যবিত্তেরও হাতের নাগালে এনে দিল সুজুকি। কম দাম সাথে সহজ কিস্তি।

আপনার চলার পথকে আরো সহজ, সাশ্রয়ী ও গতিশীল করতে সুজুকি আল্টো আছে আপনার সাথে। আকর্ষনীয় ও মনোমুগ্ধকর কয়েকটি কালারে গাড়িটি পাওয়া যাচ্ছে শোরুমগুলোতে। জ্বালানী সাশ্রয়ী এ গাড়িটি আপনার ভ্রমনে এনে দিবে অন্যরকম অনুভুতি।

মাত্র ৬/- টাকা খরচে (প্রতি কিলোমিটার) চলতে পারবেন নিশ্চিন্তে। গাড়িটি কিস্তিতে কিনতে মাত্র ২,৬৫,০০০/- টাকা ডাউনপেমেন্ট করতে হবে আপনাকে।

প্রতিদিন মাত্র৬৫০/- টাকা কিস্তি হিসেবে পরিশোধ করতে পারবেন। চাইলে মাত্র ১৯,৭৫২/- টাকা মাসিক কিস্তি পরিশোধের মাধ্যমেও গাড়িটি কিনতে পারবেন। সাথে থাকছে ওয়ারেন্টি ১ বছর ও ৪টি ফ্রি সার্ভিস

গাড়িটি কিনতে আজই যোগাযোগ করুন:
ঢাকা: ০১৭০৮৪৮৪৭৭৩ । কুমিল্লা: ০১৮৬৯৮৮৮৪৫৬ । বগুড়া: ০১৭০৪১৬৯৩০৬।
চট্টগ্রাম: ০১৭০৮৪৮৪৭৭৬ । দিনাজপুর: ০১৭০৪১৬৯৩০৮ ।

যশোর: ০১৭০৪১৬৯৩১০ । খুলনা: ০১৭০৮৪৮৪৭৭৫ । ময়মনসিংহ: ০১৭১৪৬৮০৭৭৬ । রাজশাহী: ০১৭০৪১৬৯৩০৯ । রংপুর: ০১৭০৮৪৮৪৭৭৮ । ফেনী: ০১৭১১১২০৬৬৫ । সিলেট: ০১৭১১৮৮১০৩৮

বরিশাল সড়কে ১৫০ ঝুকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি

বরিশাল শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়কের একাধিক স্থানে সড়কের ওপরে অন্তত ১৫০টি বৈদ্যুতিক খুঁটি রয়েছে। এসব খুঁটির কারণে সড়কে যানবাহন চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সড়কের একই স্থানে একাধিক খুঁটি থাকায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে এক রিটে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত দেশের সড়ক-মহাসড়কের ওপর থাকা সব ধরনের খুঁটি সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু এখনো এ ধরনের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি বরিশালে। ফলে যানবাহন চালক-মালিকসহ যাত্রীদের মাঝে তৈরি হচ্ছে ক্ষোভ। সড়কের ওপরের বৈদ্যুতিক খুঁটি দ্রুত অপসারণে পদক্ষেপ নিতে দাবি জানাচ্ছেন যানবাহন মালিক ও শ্রমিকরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উচ্চ আদালতের আদেশের বিষয়টি জানে না বরিশাল বিদ্যুৎ বিভাগ, সিটি করপোরেশনসহ সরকারের দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলো। এমনকি আদালতের আদেশের কোনো নথি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে আসেনি দাবি করে বলা হচ্ছে, এ কারণে সড়ক থেকে ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটি অপসারণে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

বরিশাল শহরের একাধিক যানবাহন মালিকের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, সড়কের ওপর বৈদ্যুতিক খুঁটি থাকায় যানবাহন চলাচলে ভোগান্তির পাশাপাশি ঝুঁঁকিও রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হলে কখনো কখনো বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে নিচে পড়ে। এতে প্রাণহানিও ঘটছে। প্রতিনিয়িত আতঙ্কের মধ্যে যানবাহনে যাত্রী পরিবহন করতে হয়।

বরিশাল সিটি করপোরেশন কর্তৃৃপক্ষ বলছে, বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণে তারা দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। ইতিমধ্যে শহরের সদর রোডসহ ৪০টি সড়কের ওপর ওয়েস্টার্ন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন (ওজোপাডিকো) কোম্পানির ১৫০টি বৈদ্যুতিক খুঁটি শনাক্ত করা হয়েছে। এর বাইরে সিটি করপোরেশনের বর্ধিত এলাকা অর্থাৎ ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের সড়কের ওপর রয়েছে পল্লী বিদ্যুতের ৩০টি খুঁটি। সাম্প্রতিককালে বিসিসির বিদ্যুৎ বিভাগ অনুসন্ধান চালিয়ে এসব খুঁটি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছে।

সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিও) খাইরুল ইসলাম জানান, সড়কে বৈদ্যুতিক খুঁটি রয়েছে এমন স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেখান থেকে খুঁটি অপসারণে ওজোপাডিকো ও পল্লী বিদ্যুৎকে দুই দফা চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগ খুঁটি অপসারণে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি এবং চিঠিরও উত্তর দেয়নি।

খাইরুল ইসলাম বলেন, সবশেষ গত সপ্তাহে বিদ্যুৎ বিভাগের একজন সহকারী প্রকৌশলীকে তাদের অফিসে পাঠিয়ে খুঁটি অপসারণে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। তখন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা সড়কের বৈদ্যুতিক খুঁটি দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন।

সড়ক থেকে বৈদ্যুতিক খুঁটি সরিয়ে নিতে আদালতের আদেশ হাতে পাননি বলে জানান বরিশাল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের (ওজোপাডিকো ১) নির্বাহী প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন। তবে সিটি করপোরেশনের চিঠি পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি কেন্দ্রীয় অফিসকে অবহিত করেছি। সেখান থেকে নির্দেশনা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আদালতের আদেশের বিষয়ে কোনো কাগজপত্র না পেলেও পত্রিকার মাধ্যমে খবরটি পেয়েছেন বলে জানান পল্লী বিদ্যুতের বরিশাল আঞ্চলিক অফিসের ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার শঙ্কর কুমার কর। তিনি বলেন, ‘সড়কের ওপর থেকে বৈদ্যুতিক খুঁটি সরিয়ে নিতে সিটি করপোরেশনের একটি চিঠিও এসেছে। বিষয়টি ইতিমধ্যে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত আসামাত্র আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন জনস্বার্থে সড়কের বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণ চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেন।

ম্যাজিষ্ট্রেট কবির উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

বরিশাল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোঃ কবির উদ্দিন প্রামানিক এর জালিয়াতির বিচার চেয়ে আইন ও বিচার বিভাগ সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর সচিব, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন’র চেয়ারম্যান, জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন’র সচিব, বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা, বরিশাল পুলিশ কমিশনার, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও বরিশাল জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন করেন দৈনিক আজকের সময়ের বার্তা পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক এম. লোকমান হোসাঈন।

দৈনিক আজকের সময়ের বার্তা’র পক্ষ থেকে জানা গেছে চলতি মাসের ২১ শে মার্চ প্রকাশক ও সম্পাদক লিখিত আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, বরিশাল থেকে প্রকাশিত স্বাধীনতার স্বপক্ষের গণমানুষের দৈনিক আজকের সময়ের বার্তা পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক তিনি। উক্ত পত্রিকাটি তার সম্পাদনায় নিয়মিতভাবে দুর্নীতিবাজ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বরিশাল জেলা পরিষদের বেশ কিছু দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করেন। উক্ত সংবাদের প্রতিবাদে তিনি সহ তার পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মোঃ ফরহাদ হোসেন ফুয়াদ ও যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ৩০/০১/২০১৯ ইং তারিখ বরিশাল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মইদুল ইসলাম বাদী হয়ে বরিশাল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে বিজ্ঞ বিচারক মোঃ কবির উদ্দিন প্রামানিক এর আদালতে ১০ কোটি টাকার মানহানির একটি মামলা দায়ের করেন। এসময় উক্ত মামলায় ২০১৮ সনের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৪৬ এর ২৫/২৯ ধারায় এবং দঃ বিঃ আইনের ৫০০,৫০১, ৫০২ ও ১০৯ ধারা উল্লেখ করেন।

বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এফ.আই.আর হিসাবে নেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। যাহার নালিশী মামলা নং- এমপি ২৩/২০১৯ (কোতয়ালী),তারিখ ৩০/১/২০১৯। এর কিছুদিন পর অর্থাৎ মার্চ মাসের ১৩ তারিখ উক্ত মামলাটির নথি (নালিশী, আদেশ) সরিয়ে দিয়ে একটি নতুন নথি যোগ করেন। যাহার নালিশীতে দঃবিঃ আইনের ৫০০/৫০১/৫০২/১০৯ ধারার পাশাপাশি আরো নতুন কিছু ধারা যেমন- ৩৮৫ /৩৮৬/ ৩৮৭ /৩৭৯ ধারা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কোন ধারা উল্লখ করা হয়নি। উল্লেখ্য, এই মামলার নাম্বারটাও দেখা যায় এম.পি-২৩/২০১৯ ( কোতয়ালী) এবং, আদেশে দেখা যায় যে, এই মামলাটি দায়ের হয়েছে ৩০/১/২০১৯ ইং তারিখে। যেখানে সংশ্লিষ্ট ধারায় অর্থাৎ, দঃ বিঃ আইনের ৩৮৫/৩৮৬/৩৮৭/৩৭৯/৫০০/৫০১/৫০২ ধারায় অপরাধ আমলে গ্রহন করে এফ.আই.আর এর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু ৩০/১/২০১৯ তারিখের দায়েরকৃত নালিশীতে দঃবিঃআইনের ৩৮৫/৩৮৭/৩৭৯ ধারা আদৌ ছিলনা। এমনকি উক্ত ৩০/১/২০১৯ তারিখের ফাইলিং রেজিস্টারেও এই ৩৮৫/৩৮৭/৩৭৯ ধারার কোন অস্তিত্ব নেই।

অর্থাৎ, সম্পুর্ণ বে-আইনী ভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই ধরনের ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ড স্বয়ং বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কবির উদ্দিন প্রামানিক করেছেন বলে লিখিত অভিযোগে দাবী করা হয়েছে। যা, উক্ত উভয় নথিপত্র, ফাইলিং রেজিস্টার তলব দিলেই ঘটনার সত্যতা পাওয়া যাবে।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, তার কোর্টে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মামলা করলেই কেন তিনি সব এফ.আই.আর দেন সেটা আমলঅযোগ্য অপরাধ হোক কিংবা আমলযোগ্য হোক প্রকৃতপক্ষে, যখন ১ম মামলাটা দায়ের করা হয়েছিল তখন তিনি বে-আইনীভাবে তা সরাসরি এফ.আই.আর এর নির্দেশ দিয়ে ফেলেছিলেন। কিন্তু থানা কর্তৃপক্ষ যখন আদেশ পেয়ে দেখলেন এটা তারা এফ.আই.আর হিসেবে নিতে পারেন না ঠিক তখনই তিনি মনস্থির করলেন যে, মামলার নাম্বার ঠিক রেখে সেখানে নতুন নালিশী স্থলাভিষিক্ত করে তিনি এফ.আই.আর এর নির্দেশ প্রদান করবেন যা তিনি মামলা দায়েরের প্রায় দেড় মাস পরে অর্থাৎ বিগত ১৩/৩/২০১৯ তারিখে বাস্তবায়ন করে সরকারি নথিপত্র তিনি নিজেই জাল জালিয়াতি করেছেন। কিন্তু ততক্ষনে ১ম দায়েরকৃত মামলার নালিশীর কপি, ও ফাইলিং রেজিস্ট্রার এর তথ্য বরিশালের বিভিন্ন পত্রিকার রিপোর্টাররা সংগ্রহ করেছিলেন। ঘটনার সূত্র ধরে উক্ত ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতির বিষয়ে বিগত ১৮ ই মার্চ, ২০১৯ তারিখে দৈনিক আজকের সময়ের বার্তা ও বিভিন্ন পত্রিকার পাশাপাশী অনলাইন নিউজ পোর্টলে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে তাদের হয়রানী ও সায়েস্তা করার জন্য তিনি সহ সময়ের বার্তা’র ৪ জন স্টাফের বিরুদ্ধে বিচারক তার কোর্টের নাজির কামরুল হাসানকে বাদী করে ৪ জনকে আসামী করে তাদের বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় অজ্ঞাত করা হয়েছে আরো ৩ থেকে ৪ জানকে। এরই প্রেক্ষিতে গত ১৯ তারিখ রাত ১০টার দিকে সময়ের বার্তা’র পত্রিকা অফিস থেকে যুগ্ম বার্তা সম্পাদক গাজী আল আমিনকে (এজাহারে নাম নেই) গ্রেফতার করে নিয়ে যায় কোতয়ালী থানা পুলিশ। এসময় থানা পুলিশ তার সকল স্টাফদের নানানভাবে ভয় ভিতি প্রদর্শন করেন।

বর্তমানে পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক সহ সকল স্টাফরা অফিসে আসতে ভয় পাচ্ছেন। এতেই প্রতিয়মান হয় বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কবির উদ্দিন প্রামানিক পত্রিকার সম্পাদক সহ তার সকল সহকর্মী এবং তাদের প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করার উদ্যেশ্যে এমন কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে। ন্যায় বিচার পেতে পারেন এবং বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট যাহাতে তাহার জালিয়াতির আলামত ও কোন মামলার কোন তথ্যপ্রমান নষ্ট ও গায়েব না করিতে পারে তাহার প্রতি উপরে উল্লেখিত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা

বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে আজ সোমবার গৌরনদী মডেল থানায় মামলা হয়েছে। ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় আবদুর রব সেরনিয়াবাদ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট কলেজের তিন ছাত্রকে আসামি করা হয়। পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

স্থানীয় লোকজন, বাদীর পরিবার ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওই তিন ছাত্র গৌরনদী পৌর সদরের উত্তর বিজয়পুর মহল্লায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। ওই বাড়ির সামনে দিয়ে মাদ্রাসায় আসা যাওয়া করত ওই কিশোরী। তাকে ওই তিন ছাত্রের একজন উত্ত্যক্ত করতেন। গত জানুয়ারির মাঝামাঝি ওই ছাত্র ওই ছাত্রীর পথ রোধ করে মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে নম্বর নেন। পরে প্রায়ই ফোন করে বিরক্ত করতেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ৭ ফেব্রুয়ারি সকালে ওই ছাত্র ফোন করে জ্বরের কথা জানায় এবং ওষুধ নিয়ে ছাত্রীকে তাঁদের মেসে যেতে বলেন। ওষুধ নিয়ে মেয়েটি মেসে গেলে দরজা বন্ধ করে দিয়ে তিন ছাত্র তাকে ধর্ষণ করেন এবং সেই দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করেন। একই সঙ্গে তাঁদের কথামতো না চললে ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।

এরপর গত ১১ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি সেই ভিডিওর ভয় দেখিয়ে কিশোরীটিকে আরও দুইবার ধর্ষণ করেন উত্ত্যক্তকারী ছাত্রটি। বিষয়টি জানাজানি হলে তিন আসামি ওই বাড়ি ছেড়ে গৌরনদী উপজেলার পশ্চিম শাওড়া গ্রামে আরেকটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে চলে যান। এ বিষয়ে মেয়েটির পরিবার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিচার চাইলে তারা থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেন।

গৌরনদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে আজ সোমবার দুপরে তিনজনকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ পশ্চিম শাওড়া গ্রাম থেকে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তবে মূল আসামি পলাতক। ওই কিশোরীর জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আদালতে ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।