সিম্ফনির ঈদ অফার, নির্দিষ্ট মডেলের হ্যান্ডসেট এর উপর বিশাল ছাড়!

বাংলাদেশের লিডিং ব্র্যান্ড সিম্ফনি মোবাইল ঈদ উপলক্ষে দিচ্ছে নির্দিষ্ট মডেলের হ্যান্ডসেট এর উপর বিশাল ছাড়।পি সিক্স প্রো (২জিবি), এইচ ১২০, এইচ ৬০ এবং এইচ ২৫০ এই হ্যান্ডসেট গুলোর উপর দেওয়া হচ্ছে ছাড়।

P6 Pro (2GB)

  • Android 5.0 Lollipop
  • 5.3″ HD IPS Display
  • 13 MP + 5 MP Camera
  • 1.3 GHz Quad Core
  • RAM 2 GB & ROM 16 GB
  • 2500 mAh Li-ion Battery
  • Smart Remote Controller
  • 3G, EDGE, Wi-Fi, GPS
  • OTA
  • G-Sensor, Accelerometer Sensor (3D), Proximity Sensor
  • পূর্বের দামঃ ১০,৪৯০/-
  • বর্তমান দামঃ ৮,৯৯০/-

H120

  • Android 5.1 Lollipop
  • 5” IPS HD Display
  • 1.3 GHz Quad core
  • 8 MP + 5 MP Camera
  • 1 GB RAM + 16 GB ROM
  • 3200 mAh Li-Poly Battery
  • OTA
  • পূর্বের দামঃ ৭,৭৯০/-
  • বর্তমান দামঃ ৬,৯৯০/-

H60

  • Android 5.1 Lollipop
  • 5” IPS HD Display
  • 1.3 GHz Quad core
  • 8 MP + 5 MP Camera
  • 8 GB ROM + 1 GB RAM
  • 2300 mAh Li-Poly Battery
  • OTA
  • পূর্বের দামঃ ৭,২৯০/-
  • বর্তমান দামঃ ৬,৪৯০/-

H250

  • Android 5.1 Lollipop
  • 5” IPS HD Display
  • 1.3GHz Quad core (64-bit)
  • 13MP + 5 MP Camera
  • 2GB RAM + 16GB ROM
  • 2350mAh Li-Poly Battery
  • 71.2 X142.4 X 6.95 mm
  • OTA
  • পূর্বের দামঃ ৯,৯৯০/-
  • বর্তমান দামঃ ৯,১৯০/-

২৮৭২ নম্বরে অভিযোগ জানাতে পারবেন ফোন গ্রাহকরা

টেলিযোগাযোগ-সংক্রান্ত সমস্যায় গ্রাহকেরা বিটিআরসির বিভিন্ন নম্বরে ফোন দিয়েও সমাধান না পেলে ২৮৭২ নম্বরে ফোন দিয়ে অভিযোগ জানাতে পারবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ।

বুধবার বিটিআরসি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি ।

শাহজাহান মাহমুদ বলেন, টেলিযোগাযোগ-সংক্রান্ত সমস্যায় গ্রাহকেরা বিটিআরসির বিভিন্ন নম্বরে ফোন দিয়েও সমাধান না পেলে ২৮৭২ নম্বরে ফোন দিয়ে অভিযোগ জানাতে পারবেন। সরকারি ছুটির দিন বাদে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই নম্বরে ফোন করে অভিযোগ ও সমস্যার কথা জানানো যাবে। মিনিট প্রতি ২৫ পয়সা খরচ হবে।

এছাড়া বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে এখন পর্যন্ত ৯ কোটি ৭০ লাখ ৮৫ হাজার সংযোগ নিবন্ধিত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বায়োমেট্রিকের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে গ্রাহক পরিচয় নিশ্চিত করা। এ ক্ষেত্রে সবার সহায়তায় ইতোমধ্যে অধিকাংশ সংযোগ নিবন্ধিত হয়েছে। যারা ৩১ মে এর মধ্যে নিবন্ধন করবেন না, ১ জুন থেকে তাদের সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হবে।

বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান বলেন, তবে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের কথা মাথায় রেখে জারিকৃত ট্যারিফ এবং সার্ভিস নির্দেশনার সাথে সঙ্গতি রেখে তাদের নিষ্ক্রিয় মোবাইল নম্বরটি ১৫ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যেও নম্বরটি উত্তোলন না করলে আরও তিন মাসের নোটিশ প্রদান সাপেক্ষে মোবাইল অপারেটর নম্বরটি যে কারো কাছে বিক্রি করতে পারবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বি‌টিআর‌সি’র ভাইস চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী প্রমুখ।

আশার আলো দেখছে টেলিটক: বিনিয়োগ হচ্ছে ৬ হাজার কোটি টাকা

রাষ্ট্রায়ত্ত সেলফোন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান টেলিটকে পাঁচ বছরে বিনিয়োগ করা হয়েছে ২ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটিতে লোকসানের পরিমাণও নেহাত কম নয়, ৩৭৭ কোটি টাকা। লোকসানের আবর্তে ঘুরপাক খেলেও এর বিনিয়োগ উদ্যোগ থেমে নেই। গ্রামে নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করতে ৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিদেশী ঋণ নেয়ার উদ্যোগ রয়েছে। সেসঙ্গে চলছে অংশীদার হিসেবে বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নেটওয়ার্ক বিস্তৃতির জন্য গত পাঁচ অর্থবছরে বিনিয়োগ হয়েছে ২ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০১০-১১ অর্থবছর বিনিয়োগ হয় ১৪৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। পরের অর্থবছর তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৮৯ কোটি ৯২ লাখ টাকায়। ২০১২-১৩ অর্থবছর বিনিয়োগ হয় ৫৪৯ কোটি ৬৫ লাখ ও ২০১৩-১৪ অর্থবছর ৪৮৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আর ২০১৪-১৫ অর্থবছর বিনিয়োগ করা হয় আরো ২৬৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।

এ বিনিয়োগের বিপরীতে গত পাঁচ অর্থবছরে টেলিটকের রাজস্ব আয় হয়েছে ৩ হাজার ১৩২ কোটি টাকা। এ আয়ের বিপরীতে সংস্থাটির মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ হাজার ৫০৯ কোটি টাকা। সে হিসাবে প্রতিষ্ঠানটির গত পাঁচ অর্থবছরে নিট লোকসান ৩৭৬ কোটি টাকা। ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এ প্রসঙ্গে বলেন, টেলিটকে বিদেশী বিনিয়োগ আনতে আলোচনা চলছে। বড় ধরনের বিনিয়োগ পেলে প্রতিষ্ঠানটির নেটওয়ার্ক ও সেবার মান আরো উন্নত হবে। ফলে খাতটিতে অন্যরাও প্রতিযোগিতামূলকভাবে মানসম্পন্ন সেবা দিতে এগিয়ে আসবে। বিদেশী বিনিয়োগকারী আকর্ষণের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক সক্ষমতা বাড়াতে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এগুলো কার্যকর হলে টেলিটক একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাজার দখল নিতে পারবে। সে সময় প্রতিষ্ঠানটি লোকসান থেকেও বেরিয়ে আসতে সমর্থ হবে।

পাঁচ অর্থবছরে টেলিটকের রাজস্ব আয় ও ব্যয়ের তুলনামূলক চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এক অর্থবছরই শুধু লাভের মুখ দেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১০-১১ অর্থবছর রাজস্ব আয় হয় ২৯৮ কোটি ১১ লাখ টাকা। এর বিপরীতে ব্যয় হয় ৩১৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে প্রতিষ্ঠানটির লোকসান দাঁড়ায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ২০১১-১২ অর্থবছর রাজস্ব আয় ৩৫৭ কোটি ২৮ লাখ টাকা ও ব্যয় হয় ৩১০ কোটি ৯০ লাখ টাকা। সে বছর প্রতিষ্ঠানটি মুনাফা করে ৪৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।

তবে পরের অর্থবছরই বড় অঙ্কের লোকসানের মুখে পড়ে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১২-১৩ অর্থবছর ৬৭৩ কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের বিপরীতে ব্যয় হয় ৮৫৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এতে লোকসান দাঁড়ায় প্রায় ১৮১ কোটি টাকা। ২০১৩-১৪ অর্থবছর ৯৬৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা রাজস্ব আয়ের বিপরীতে ব্যয় হয় ৯৮৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। সে হিসাবে লোকসান হয় ২০ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। আর ২০১৪-১৫ অর্থবছর ৮৩৪ কোটি টাকা আয়ের বিপরীতে ব্যয় হয় ১ হাজার ৩৭ কোটি টাকা। সে হিসাবে লোকসান হয় ২০২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, টেলিটকের গ্রামপর্যায়ে নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করতে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন।

এ অর্থের মাধ্যমে তিনটি প্রকল্প সম্পন্ন করা হবে। ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে টেলিটকের নিজস্ব অর্থায়নে একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় কোর নেটওয়ার্কসহ ৩ হাজার ৫০০টি বিটিএসের মধ্যে দুই হাজার টুজি ও দেড় হাজার থ্রিজি নোড বির মাধ্যমে ৮০ শতাংশ টাওয়ার শেয়ারিং ব্যবস্থা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের সমগ্র উপজেলা ও গ্রোথ স্টোরগুলোকে থ্রিজি স্থাপনের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ৭০০ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়েছে।

একই সঙ্গে থ্রিজি প্রযুক্তি চালুকরণ ও ২.৫জি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ (ফেজ-২) শীর্ষক একটি প্রকল্পের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ৬৭৫ কোটি টাকা। প্রকল্পের আওতায় কোর নেটওয়ার্কসহ ৩ হাজার ৫০০ বিটিএসের মধ্যে দুই হাজার টুজি ও দেড় হাজার থ্রিজি বিটিএস সাইট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একনেকের অনুমোদনসাপেক্ষে এর বাস্তবায়নকাজ চলতি বছরের জুলাইয়ে শুরু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ৩ হাজার ২৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে আরেকটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এর আওতায় দুই হাজার বিটিএস পরিবর্তন এবং দুই হাজার বিটিএস সাইট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বণিক বার্তার সৌজন্যে 

মালয়েশিয়াতে অফিস খুলেছে ফেসবুক

সাম্প্রতিকালে গবেষণা প্রতিষ্ঠান টিএনএস’র করা এক জরিপে দেখা গেছে যে, অন্তত ৯৪ শতাংশ মালয়েশিয় ফেসবুকের মাধ্যমে পণ্য এবং ব্রান্ড খুঁজে পান। তার মধ্যে ৬২ শতাংশই ফেসবুকে পণ্য দেখার পর তা কিনে থাকেন।

Facebook

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে নতুন অফিস খুলেছে ফেসবুক। কয়েকটি সংবাদমাধ্যম বৃহস্পতিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এ ব্যাপারে ফেসবুকের দক্ষিণ-এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেন্নেথ বিশপ বলেন, অফিস স্থাপিত হওয়ায় মালয়েশিয়ায় ফেসবুকের নতুন মাইলস্টোন সৃষ্টি হলো। আমরা মালয়েশিয়দের জীবিকা এবং ব্যবসায়িক কাজে সাহায্যার্থে বদ্ধ পরিকর। আমাদের স্থানীয় ফেসবুক টিমটি মোবাইলস্থ গ্রাহকদের সাথে ব্যবসায়িক সুসম্পর্ক বজায় রাখার ব্যাপারটিতে বেশি গুরুত্ব দিবে।

সাম্প্রতিকালে গবেষণা প্রতিষ্ঠান টিএনএস’র করা এক জরিপে দেখা গেছে যে, অন্তত ৯৪ শতাংশ মালয়েশিয় ফেসবুকের মাধ্যমে পণ্য এবং ব্রান্ড খুঁজে পান। তার মধ্যে ৬২ শতাংশই ফেসবুকে পণ্য দেখার পর তা কিনে থাকেন। বর্তমানে ১৮ মিলিয়ন মালয়েশিয় ফেসবুক ব্যবহার করে থাকেন। তার মধ্যে আবার ৬.৫ মিলিয়ন ফেসবুক অধিকৃত ফটো শেয়ারিং অ্যাপ ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করে থাকেন। তাছাড়া ফেসবুকে বন্ধু সংখ্যার হিসেবে ফেসবুকের অবস্থান দশম।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

অ্যাপলের ব্যবহৃত আইফোন বিক্রির পরিকল্পনা নাকচ করে দিয়েছে ভারত সরকার

এ মাসের প্রথমার্ধ্বে ইলেক্ট্রনিক্স এ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি ডিপার্টমেন্ট পরিবেশ মন্ত্রণালয় এবং বৈদেশিক বাণিজ্য সংক্রান্ত্র পরিচালককে জানায়, কোন প্রকার ব্যবহৃত সেকেন্ড হ্যান্ড পণ্য আমদানি সমর্থণ করে না প্রতিষ্ঠানটি কেননা এটি ভারতে ইলেক্ট্রনিক বর্জ্য বাড়াতে সম্যক ভূমিকা পালন করবে।

Apple_iphone3

অ্যাপল কর্তৃক ভারতে ব্যবহৃত আইফোন বিক্রির অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত সরকার। সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে জানায়, মার্কিন প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির আবেদন নামঞ্জুর করা হয়। ভারতের টেলিকমিউনিকেশনস মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

সম্প্রতি অ্যাপল ভারতে ব্যবহৃত আইফোন বাণিজ্য করার উদ্দেশ্যে ভারত সরকারের কাছে অনুমতি চায়। অনুমতির প্রেক্ষিতে এক লিখিত বক্তব্যে টেলিকম মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ বলেন, ‘অ্যাপল কর্তৃক প্রাক-মালিকানাধীন অথবা ব্যবহৃত আইফোন ভারতে আমদানি, বিক্রি এবং উৎপাদনের আবেদনপত্র পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ে গৃহীত হয়।’

সিদ্ধান্তটির সাথে কয়েকটি মন্ত্রণালয় এমনকি প্রধানমন্ত্রীর অফিসও জড়িত আছে বলে শোনা যাচ্ছে। এ মাসের প্রথমার্ধ্বে ইলেক্ট্রনিক্স এ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি ডিপার্টমেন্ট পরিবেশ মন্ত্রণালয় এবং বৈদেশিক বাণিজ্য সংক্রান্ত্র পরিচালককে জানায়, কোন প্রকার ব্যবহৃত সেকেন্ড হ্যান্ড পণ্য আমদানি সমর্থণ করে না প্রতিষ্ঠানটি কেননা এটি ভারতে ইলেক্ট্রনিক বর্জ্য বাড়াতে সম্যক ভূমিকা পালন করবে।

অ্যাপল এর আগেও ব্যবহৃত আইফোন বিক্রির অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল। কিন্তু সেবারও আবেদন নাকচ করে দিয়েছিল ভারত সরকারের পরিবেশ মন্ত্রণালয়। তার কারণ হিসেবে মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছিল, এসব ব্যবহৃত পুরনো ফোন স্থানীয়ভাবে ই-বর্জ্য বাড়াবে কেননা এসব ফোনগুলো জীবনের শেষ পর‌্যায়ে এসে পড়ে।

তবে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন তৈরিকারকরা অ্যাপলের আবেদন নাকচ করার জন্য ভারত সরকারকে চাপ দিয়েছে বলেও শোনা গেছে।

 

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ফেসবুকে ছদ্মবেশ আর না!

তাহমিনা আফরোজ (ছদ্মনাম) একদিন দেখলেন তারই নাম এবং ছবি দিয়ে অন্য এক ফেসবুক ব্যবহারকারী তাকে বন্ধু হওয়ার অনুরোধ পাঠিয়েছে। তিনি পুরাই অবাক। এ কীভাবে সম্ভব? পরে বুঝতে পারলেন কেউ ছদ্মবেশ ধারণ করেছে তার নাম এবং ছবি দিয়ে। তিনি আরও আশ্চর্য হলেন যখন দেখলেন তার পরিচিত অনেককেই ওই অ্যাকাউন্ট থেকে বন্ধু হওয়ার অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। এমন সমস্যায় ভুগছেন অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী। এ সমস্যার সমাধান করতে ফেসবুক নতুন একটি টুল উদ্ভাবনের চেষ্টা করছে। যা শনাক্ত করবে ছদ্মবেশধারী অ্যাকাউন্টকে।

নতুন টুলটি কেউ অন্য কারও ছবি এবং নাম ব্যবহার করে ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুললেই ছবি এবং নামের মালিকের কাছে একটি সতর্ক বার্তা প্রদান পাঠাবে।

যে প্রোফাইলে আসল ফেসবুক ব্যবহারকারীর ছবি এবং নাম ব্যবহার করা হবে সেই অ্যাকাউন্টে নতুন খোলা অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে একটি বার্তা পাঠানো হবে। এ অ্যাকাউন্ট কি আসলেই ছদ্মবেশ ধারণ করেছে নাকি ওই তথ্যগুলো তার অ্যাকাউন্টের জন্য সত্যতা জানতে চাইবে ফেসবুক।

যদি নতুন অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারী ছদ্মবেশ ধারণ না করে তাহলে আসল ফেসবুক ব্যবহারকারীর সে সম্পর্কে প্রত্যয়ন করার সুযোগ থাকবে।

ফেসবুকের গ্লোবাল সেফটির প্রধান অ্যান্টিগন ডেভিস বলেন, ‘ফেসবুকের নোটিফিকেশন প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয় থাকবে যদিও ফেসবুক টিম ম্যানুয়েলিও ছদ্মবেশের অভিযোগগুলো রিভিউ করতে পারবেন। নতুন এই ফিচারটি নভেম্বর থেকে ৭০ শতাংশ ফেসবুক ব্যবহারকারীর জন্য চালু হবে এবং ভবিষ্যতে পুরো ফেসবুককে এর আওতায় আনা হবে।’

ছদ্মবেশ ধারণটি ফেসবুকের মূল সমস্যা নয়। তবে ছদ্মবেশ ধারণ করে মানুষের সম্মানহানি এবং হয়রানি করা হয়। এক্ষেত্রে ফেসবুক সঠিক নাম ব্যবহারের পরামর্শ দেয়।

বিভিন্ন সময়ে মহিলাদের অভিযোগের ভিত্তিতে ফেসবুক এমন একটি টুলস উদ্ভাবনের সিদ্ধান্ত নেয়। বর্তমানে কেউ যদি কারও অর্ধ নগ্ন বা নগ্ন ছবি প্রকাশ করে এবং সে ছবি সম্পর্কে রিপোর্ট করা হয়, ফেসবুক সে ছবিটি মুছে দেয়। এছাড়া ছবিতে প্রাইভেসি দেয়ার জন্য অনেকগুলো ফিচারও ফেসবুকে যুক্ত করা হয়েছে।

মানুষের গোপন যৌন বাসনা ফাঁস করলো গুগল

যৌনতা নিয়ে আলোচনা করতে এখনো মানুষ সংকোচ বোধ করে। তাই প্রকাশ্যে এ ব্যাপারে কেউ মুখ খুলতে চায় না। কিন্তু ইন্টারনেট তো সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত দুনিয়া। তাই এখানে সবাই নিজের আকাঙ্ক্ষার কথা উজার করে বলে। সে কারণে গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিনের কাছে মানুষ সত্যটাই বলে। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সম্প্রতি গুগল প্রকাশ করেছে মানুষের গোপন যৌন বাসনার স্বরূপ।

মানুষের সার্চ বিষয়ে গুগল বহু তথ্য জানে। আর অনলাইনে কোন দেশ থেকে মানুষ কোন বিষয়ে সার্চ করতে ভালোবাসে, তাও গুগলের জানা আছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, যেসব অঞ্চলে মানুষের মাঝে ফ্লু ভীতি ছড়িয়েছে, তারা এ বিষয়ে গুগলে বেশি বেশি সার্চ করছে। দেখা গেছে, সেসব এলাকায় ‘do I have the flu’ অথবা ‘flu symptoms’ শব্দগুচ্ছগুলো বেশি সার্চ করা হয়।

গুগলের তথ্যে জানা যাচ্ছে, সম্প্রতি সমকামিতা বিষয়ে বিশ্বব্যাপী কৌতূহল তৈরি হয়েছে। ফলে ইউরোপের বাইরের প্রচুর মানুষ গুগলে সমকামিতা বিষয়ে সার্চ শুরু করেছে।

সম্প্রতি পিউ রিসার্চ বিশ্বব্যাপী সমকামিতার ওপর একটি জরিপ চালায়। তাতে দেখা যায়, এ ব্যাপারে পাকিস্তানের লোকেরা সবচেয়ে বেশি অসহিষ্ণু। ৯৮ শতাংশ পাকিস্তানিই সমকামিতা সহ্য করে না। আর আফ্রিকার দেশ কেনিয়াতে ৯২ শতাংশ মানুষের কাছে এই যৌন অভ্যাস অগ্রহণযোগ্য। এই অঞ্চলের মানুষ তাদের সংবিধানে সমকামিতার বিরুদ্ধে কঠোর আইন চায় এবং সেইসব নেতাদের প্রতি খুশি থাকে যারা বলেন সমকামিতা অনৈসলামিক বা অআফ্রিকান।

তবে রাজনৈতিক সাময়িকী মাদার জনস সমকামিতার ব্যাপারে যে বৈশ্বিক চিত্র দিয়েছে তা রীতিমতো অবাক করার মতো। যে দুটি দেশ এই যৌন অভ্যাসের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি প্রতিক্রিয়াশীল সেখানেই মানুষের মধ্যে এই যৌনতার প্রতি কৌতূহল বেশি। এসব এলাকার মানুষের সমকামিতার ব্যাপারে কৌতূহল আশ্চর্যজনকভাবে অত্যধিক।

ওই সাময়িকীর জরিপে দেখা গেছে, পাকিস্তানের গুগল সার্চে সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে: ‘shemale sex’, ‘teen anal sex’ এবং ‘man ——- man’। Google Trends সার্ভিস থেকে এ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

শুধু তা-ই নয়, গুগলে ‘gay sex pics’ শব্দগুচ্ছটি সার্চের দিক থেকে কেনিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার পরেই পাকিস্তানের স্থান। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে নাইজেরিয়া।

এই পরিসংখ্যানে একটা বিষয় স্পষ্ট যে, পাকিস্তান ও কেনিয়াতে সমকামিদের (Gay) বড় ধরনের গোপন কমিউনিটি রয়েছে। যদিও প্রকাশ্যে এসব দেশ সমকামিতার চরম বিরোধিতা করে।

সৌজন্যে: বাংলামেইল২৪

বন্ধ করে দেয়া হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ ওয়েবসাইট

কয়েক বছর অকার্যকর থাকায় অবশেষে বন্ধ করে দেয়া হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ www.digitalbangladesh.gov.bd ওয়েবসাইটটি। মূলত বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যক্রমের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরার উদ্দেশ্যে ২০১০ সালে এই সাইট তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

ওয়েবসাইটটির ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার দায়িত্ব ছিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্প। ইউএনডিপির অর্থায়নে চালু করা হয়েছিলো ওয়েবসাইটটি।

সাইটের বেহাল অবস্থা নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে তা বন্ধ করে দেয় সরকার।

এ ব্যাপারে এটুআইয়ের যোগাযোগ কর্মকর্তা হাসান বেনাউল ইসলাম জানান, www.digitalbangladesh.gov.bd ঠিকানাটি ভুল আর তাই তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বিভ্রান্তি এড়াতে বর্তমানে সরকারের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সব সেবা ও কর্মকাণ্ডের তথ্য জাতীয় তথ্য বাতায়নের ওয়েবসাইট www.bangladesh.gov.bd-এ গেলেই পাওয়া যাবে।

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর জীবনী নিয়ে এন্ড্রুয়েড মোবাইল অ্যাপ!

৭১’র মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডে দণ্ডিত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে নিয়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি হলো। গুগল প্লে স্টোরের ‘বুক রেফারেন্স’ ক্যাটাগরিতে ‘রাজনীতিক প্রভাবশালী বক্তা’ হিসেবে রয়েছে সাঈদীর বক্তব্যদানরত ছবি।

অ্যাপটির ওপরের দিকে ব্যবহার করা হয়েছে ‘ফ্রি সাঈদী’ এবং নিচে ‘ফ্রি জামাত লিডারস’ হ্যাশ ট্যাগ। এছাড়া বায়োগ্রাফি ও গ্যালারি সহ অ্যাপটিতে রয়েছে মোট ১৪টি ট্যাব।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করে গত ১৭ সেপ্টেম্বর একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আপিল বিভাগ থেকে জামায়াতের নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আমৃত্যু কারাদণ্ড ঘোষণার দিনই এই অ্যাপটি প্রকাশ করেছে নর্থ সাউথ আইটি।

প্রকাশের পরপরই এই অ্যাপটি পাঁচ হাজারের মতো ডাউনলোড হয়েছে। এই অ্যাপটির শুরুতেই রয়েছে একটি তথ্যচিত্র। ইউটউবে আপলোড করা এই এনিমেটেড ভিডিওটিতে ‘আমরা হারাবো না, হারাবো না’ আশাবাদ নিয়ে সাঈদীর সপক্ষে বেশ কিছু তথ্য অ্যাপে উপস্থাপন করা হয়েছে।

এক নজর অংশে ১৯৪০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সাঈদীর জন্ম, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধে ভূমিকা’ অংশে, সাঈদী রাজাকার, আলবদর, আল শামস বা তথাকথিত শান্তি বাহিনীর সদস্য ছিলেন না বলে দাবি করা হয়েছে। গ্যালারি অংশে রয়েছে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাঈদীর হাজিরার ছবি।

সৌজন্যে : প্রিয়.কম

বাংলাদেশে উন্মুক্ত হলো মজিলা স্মার্টফোন

বহু প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশে উন্মুক্ত হলো মজিলা ফায়ারফক্সের আলোচিত স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোন। দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন (সিম্ফনীর সহযোগিতায়) আনুষ্ঠানিকভাবে হ্যান্ডসেটটি হোটেল ওয়েস্টিনে উন্মুক্ত হয়েছে। তবে ট্যাক্সের কারণে ২৫ ডলার মূল্যের হ্যান্ডসেটটি বাংলাদেশে ৬০ ডলারে বিক্রি হতে পারে।

হ্যান্ডসেটটির উদ্বোধন উপলেক্ষে ইতিমধ্যে গ্রামীণফোনের মূল কোম্পানি টেলিনরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা ঢাকায় অবস্থান করছেন। অনুষ্ঠানে মজিলা ফাউন্ডেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন। জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার মজিলা ফায়ারফক্সের মালিকানা প্রতিষ্ঠান মজিলা ফাউন্ডেশন ভারতের বাজারে সম্প্রতি এ ফোন উন্মোচন করেছে। সেখানে দাম ধরা হয়েছে ৩৩ ডলার। এর আগে মার্চে ঢাকায় এক অনুষ্ঠান শেষে টেলিনর ডিজিটালের চিফ স্টাটেজিক অফিসার অ্যান্ডার্স হ্যালিন বাংলাদেশের বাজারে মজিলার ২৫ ডলারে হ্যান্ডসেট বাজারজাত করার পরিকল্পনা কথা জানান।

এদিকে মজিলা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মার্ক সারমেন গত সপ্তাহে ঢাকায় কমনওয়েলথ টেলিকমিউনিকেশন্স কাউন্সিল ফোরামে এসে বলেন, অনেকদিন ধরে এ দেশে ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোন আনার কাজ করছেন তারা। স্থানীয় কমিউনিটির কার্যক্রমের অগ্রগতি এ ক্ষেত্রে বেশ কাজে দিচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি মজিলা ফোন বাংলাদেশ উন্মুক্ত করা হবে। তা ছাড়া বাংলাদেশি গ্রাহকদের জন্য গুগলের অ্যান্ড্রয়েড এবং অ্যাপলের আইওএস এর মতো মজিলার ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম আনারও কার্যক্রম চলছে বলেও জানান তিনি। বাংলায় মজিলার এ অপারেটিং সিস্টেম একটি চমক হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ স্মার্টফোনে থাকছে ৩.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লে, যার রেজ্যুলেশন ৩২০*৪৮০পিক্সেল। এ ছাড়া ওয়াই-ফাই, ব্লুট্রুথ, এফএমরেডিও এবং অন্যান্য সুবিধা থাকবে। ছবি তোলার জন্য আছে ২ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। ডিফল্ট ব্রাউজার হিসেবে ব্যবহৃত হবে মজিলা ফায়ারফক্স। ব্রাউজারটি এইচটিএমএল৫ সমর্থন করবে। মজিলার এই স্মার্টফোনটি চলবে ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেমে। স্মার্টফোনটি তৈরির মূল দায়িত্বে আছে ইনটেক্স এবং স্পাইস নামে ভারতের দুইটি প্রতিষ্ঠান। আর এই স্মার্টফোনটির চিপ নির্মাণ করেছে চীনের চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পিডট্রাম।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে মজিলার স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোন নিয়ে আসার জন্য চেষ্টা চালিয়ে আসছিল দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক এবং সবচেয়ে বড় অপারেটর গ্রামীণফোন। কিন্তু টেলিটকের পরিচালনা পর্ষদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পরিবর্তন এবং নিজেদের গুছিয়া না ওঠার কারণে তারা শেষ পর্যন্ত আর স্মার্টফোনটি তাদের ব্যানারে নিয়ে আসতে পারেনি।

অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল বাংলাদেশে আসছে মোজিলার অপারেটিং সিস্টেম ফায়ারফক্স চালিত স্মার্টফোন। দীর্ঘ প্রতিক্ষা শেষে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া হল স্মার্টফোনটির। বাংলাদেশে স্মার্টফোনটি প্রস্তুত করবে সিম্ফনি। আর বাংলাদেশের জন্য ফায়ারফক্স ওএস চালিত প্রথম স্মার্টফোন Symphony GoFox F15।

GoFox F15

এই ফোনটির একটি বিশেষত্ব হচ্ছে, বাংলা লেখার জন্য এতে আলাদাভাবে কোন অ্যাপ ইন্সটল করার প্রয়োজন নেই। ফোনেই রয়েছে বিল্ট ইন বাংলা কীবোর্ড লেআউট।

GoFox F15
ছবিঃ মোজিলা বাংলাদেশ

তবে সবকিছু ছাপিয়ে আগ্রহী ক্রেতাদের এখন একটাই প্রশ্ন। কি থাকছে স্মার্টফোনটিতে ? আর তাই ক্রেতাদের আগ্রহের কথা বিবেচনা করে ফোনটির বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন তুলে ধরা হলঃ

অপারেটিং সিস্টেমঃ বলাই বাহুল্য, এতে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে রয়েছে ফায়ারফক্স।
প্রসেসরঃ প্রসেসর হিসেবে এতে রয়েছে ১ গিগাহার্জ সিঙ্গেল কোর প্রসেসর।
ডিসপ্লেঃ ৩.৫ ইঞ্চি টিএফটি ডিসপ্লে যার রেজ্যুলেশন ৩২০x৪৮০ পিক্সেল।
রমঃ ৫১২ মেগাবাইট
র‍্যামঃ ৫১২ মেগাবাইট
ক্যামেরাঃ ৩.২ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা, ০.৩ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা
জিপিইউঃ মালি ৪০০
সেন্সরঃ জি সেন্সর, মোশন সেন্সর
ব্যাটারিঃ ১৪৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি
কানেক্টিভিটিঃ ফোনটিতে একটি সিম ব্যবহার করা যাবে। রয়েছে থ্রিজি সুবিধা, ওয়াইফাই, ব্লুটুথ প্রভৃতি।
মূল্যঃ ৪,৬৫০ টাকা

আগামীকাল থেকেই প্রি-অর্ডার নেওয়া শুরু করবে গ্রামীণফোন। চলতি মাসের ২৮ তারিখ থেকে স্মার্টফোনটি হাতে পাবেন ক্রেতারা।

সৌজন্যে: প্রিয়.কম