গৌরনদী সংবাদ

বোরাদী গরঙ্গলে যৌতুকের মামলা থেকে রেহাই পেতে নাটক!

যৌতুকের দাবিতে অমানুষিক নির্যাতনের পর বাবার বাড়িতে তাড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় নির্যাতিতা গৃহবধূর দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে নাটকীয় হামলার ঘটনার রহস্য ফাঁস করে দিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী গ্রামবাসীরা। ঘটনাটি জেলার গৌরনদী উপজেলার বোরাদী গরঙ্গল গ্রামের।

ওই গ্রামের দিনমজুর কালাম ভূঁইয়া জানান, গত দু’বছর পূর্বে তার কন্যা নাছিমা বেগমকে (১৯) পাশ্ববর্তী পূর্ব গরঙ্গল গ্রামের কালাম হাওলাদারের পুত্র বাবু হাওলাদারের কাছে সামাজিক ভাবে বিয়ে দেয়া হয়। ওইসময় বর পক্ষের দাবিকৃত যৌতুকের টাকা ও স্বর্ণলংকার পরিশোধ করা সত্বেও বিয়ের পর থেকে পূর্ণরায় মোটা অংকের টাকা যৌতুকের জন্য নাছিমাকে প্রায়ই তার স্বামী ও শ্বশুড় পরিবারের লোকজনে নির্যাতন করে আসছে।

অতিসম্প্রতি এক সন্তানের জননী নাছিমা বেগমকে অমানুষিক নির্যাতনের পর নয় মাসের কন্যা সন্তানসহ তাড়িয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় গ্রাম্যমোড়লদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

গৃহবধূ নাছিমা বেগমের মামা একই গ্রামের সামচুল হক সরদার জানান, মামলা প্রত্যাহারের জন্য বাবুর পিতা কালাম হাওলাদার গত ১৫ নবেম্বর সকাল নয়টার দিকে তার বাড়ির সম্মুখে এসে তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতিসহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শন করেন।

এনিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য হামলার অভিযোগ এনে সু-চতুর কালাম হাওলাদার গৌরনদী হাসপাতালে ভর্তি হন।

সরেজমিনে বাকবিতন্ডার সময়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় জনৈক মামুন সরদার, তপু সরদার, গোলাপজান বিবিসহ একাধিক ব্যক্তিরা হামলা কিংবা সংঘর্ষের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ১৫ নভেম্বর সকালে সামচুল হকের সাথে কালাম হাওলাদারের কোন হাতাহাতির ঘটনা পর্যন্ত ঘটেনি।

আরও সংবাদ...

Leave a Reply

Back to top button