আর্কাইভ

বরিশালে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে ভোটাররা শঙ্কিত

গুজব ছড়াচ্ছে কামাল ॥ ভোটারদের
সজাগ থাকার আহবান হিরণের

বিশেষ প্রতিনিধি ॥  আগামীকাল শুক্রবারের রাত পোহালেই বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি)’র নির্বাচন। এরইমধ্যে বুধবার রাতে আসামি ছিনতাইকালে পুলিশের সাথে বিএনপি কর্মীদের সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণ, হিরণের নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুর ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী খান মামুনের কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনার পর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পুরো নগরী। শেষপর্যন্ত নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা এনিয়ে সাধারন ভোটারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে নির্বাচনের আচারন বিধিলঙ্ঘন করে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় আনারস মার্কার পক্ষে মিছিল করেছে বিএনপির কর্মী ও সমর্থকেরা। বুধবার রাতে বিএনপির প্রার্থী ও বৃহস্পতিবার বিকেলে ১৪ দলের প্রার্থী ছাড়াও ওইদিন সকালে গুলিবর্ষণের ঘটনায় পৃথক ভাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পুলিশ কমিশনার।

 

অপরদিকে গুলিবিদ্ধ বিএনপি কর্মী হারুন-অর রশিদকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার গভীর রাতে শেবাচিম হাসপাতাল থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিএনপির নেতা-কর্মীরা। পুরো নগরীজুড়ে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অন্যান্য আইনশৃংখলা বাহিনীর সাথে টহল শুরু করেছে বিজিবি’র সদস্যরা।

 

পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন

পুলিশের গুলিতে বিএনপি কর্মী আহত হওয়ার ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ লাইনস্ সার্ভিস ফোর্সে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বরিশাল মেট্রোপলিট্রন পুলিশ কমিশনার মোঃ সামসুদ্দিন জানান, জাতীয়তাবাদী নাগরিক পরিষদের মেয়র প্রার্থী আহসান হাবিব কামালের সমর্থক ছয় জন নারী কর্মীরা বুধবার রাতে সম্মিলিত নাগরিক কমিটির মেয়র প্রার্থী শওকত হোসেন হিরণের বিরুদ্ধে লিফলেট সম্বলিত নানা অপপ্রচার চালায়। স্থানীয় জনতা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ছয়জনকে আটক করে পিকআপে তোলার চেষ্টা করে। এ সময় মহিলা পুলিশের কাছ থেকে আনারস মার্কার নেতা-কর্মীরা একজনকে ছিনিয়ে নিয়ে অন্যান্যদের নেয়ার চেষ্ঠা চালায়। পুলিশ বাঁধা দিলে তাদের ওপর বৃষ্টির মতো ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শর্টগানের গুলি ছুঁড়লে হারুন নামের একজন গুলিবিদ্ধ হন। সরকারি কাজে বাঁধা দেয়ার অপরাধে আটক ৫ জনসহ অজ্ঞাতনামা ১’শ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

হাসপাতাল থেকে রোগী ছিনতাই

পুলিশের গুলিতে আহত মেয়র প্রার্থী আহসান হাবিব কামালের কর্মী হারুন-অর রশিদকে বুধবার গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেবাচিম হাসপাতাল থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিএনপির নেতা-কর্মীরা। রাত একটার দিকে বিএনপির কর্মীরা কত্যর্বরত চিকিৎসকদের হুমকি দিয়ে জোর পূর্বক চিকিৎসাধীন হারুনকে তুলে নিয়ে গেছে। হাসাপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রোগী ছিনিয়ে নেয়ার সময় বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী কামালও উপস্থিত ছিলেন। হাসাপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী পরিচালক রিয়াজ আহমেদ হাওলাদার জানান, গুলির আঘাতে আহত হয়ে চিকিৎসার পর হারুনের স্বাস্থ্যের অবস্থা ভালোই ছিলো। এ ব্যাপারে বিএনপির শীর্ষ নেতারা কোনো কথা বলতে অপরাগতা প্রকাশ করলেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জেলা বিএনপির নেতা জানান, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিতেই হারুনকে হাসপাতাল থেকে আনা হয়েছে।

 

মেয়র প্রার্থী হিরণের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা

১৪ দল সর্মথিত সম্মিলিত মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব শওকত হোসেন হিরণের টেলিভিশন মার্কার নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুরসহ ৫ নেতা-কর্মীকে আহত করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় দিকে নগরীর ৪নং ওয়ার্ডের উত্তর আমানতগঞ্জ এলাকায়। ঘটনার সাথে জড়িত একজনকে আটক করে স্থানীয়রা পুলিশের কাছে সোর্পদ করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির মেয়র প্রার্থী আহসান হাবিব কামাল ও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মাহমুদুল হক খান মামুনের সমর্থকেরা পরিকল্পিত ভাবে দুটি মাইক্রোবাসযোগে আকস্মিক ভাবে এসে হামলা চালিয়ে কার্যালয় ভাংচুর করে। হামলায় ৪ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমানসহ কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়।

 

মামুনের সমর্থকের ওপর হামলা

স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মাহমুদুল হক খান মামুনের সমর্থকদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রার্থী মামুন অভিযোগ করেন, বুধবার রাতে নগরীর উত্তর আমনতগঞ্জ এলাকায় তার দোয়াত-কলম মার্কার সমর্থনে নেতা-কর্মীরা গণসংযোগ চালানোর সময় প্রতিদ্বন্ধী মেয়র প্রার্থী হিরণের সমর্থকেরা হামলা চালিয়ে পাঁচ জনকে আহত করেছে।

 

অপপ্রচারের বিরুদ্ধে হিরণের সংবাদ সম্মেলন

বুধবার রাতে হারুন নামের বিএনপির এক কর্মীর গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাটি সাধারন ভোটারদের মাঝে অপপ্রচার ও নগরবাসীর দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্নখাতে নেয়ার জন্য বিভিন্ন গুজব ছড়াচ্ছেন প্রতিপক্ষ প্রার্থী আহসান হাবিব কামাল। এ ঘটনার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ১৪ দল সমর্থিত সম্মিলিক নাগরিক কমিটির মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব শওকত হোসেন হিরণ। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে হিরণ বলেন, প্রতিপক্ষ প্রার্থী তার পরাজয় নিশ্চিত জেনে ব্যক্তিগত ভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য অসত্য তথ্য ও ছবি সম্বলিত অপপ্রচারপত্র ভোটারদের মাঝে বিলি করে আসছে। যারই ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতে নগরীতে অপপ্রচারপত্র বিলি করার সময় পুলিশ ছয়জন নারী কর্মীকে আটক করলে তাদের ছিনিয়ে নেয়ার কালে পুলিশ বাঁধা দেয়। বিএনপির কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশে পুলিশ শটগানের রাবার বুলেট ছোড়ে। এ ঘটনাকে অনাকাঙ্খিত উল্লেখ করে হিরণ আরো বলেন, এসময় উভয় পক্ষেরই আরো ধৈর্যশীল হওয়া উচিত ছিলো। তিনি উপমা টেনে বলেন, আমার ক্ষমতার ৪ বছর ৭ মাস ৩ দিনে নগরীতে রাজনৈতিক কোন প্রতিপক্ষের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা হয়নি। আমি বরিশালের উন্নয়নের পাশাপাশি রাজনৈতিক সহঅবস্থানের প্রমাণ রেখেছি। তারই ধারা অব্যাহত রাখতে গুজবে কান না দিয়ে ফের মেয়র নির্বাচিত হওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে হিরণ ভোট কামনা ও প্রতিপক্ষ প্রার্থীর গুজব ছড়ানো থেকে সজাগ থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সম্মিলিত নাগরিক কমিটির আহবায়ক প্রফেসর মোঃ হানিফ, সদস্য সচিব মাহাবুব উদ্দিন আহমেদ-বীর বিক্রম, সাংসদ তালুকদার মোঃ ইউনুস, অগ্রনী ব্যাংকের পরিচালক এ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দারসহ ১৪ দল ও সম্মিলিত নাগরিক কমিটির নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

সেনা মোতায়েনের দাবি বিএনপির

বিএনপির কর্মীর ওপর গুলি বর্ষণের ঘটনায় বুধবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। রাত ১০টায় নগরীর এরিনা আবাসিক হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে মেয়র প্রার্থী আহসান হাবিব কামাল বলেন, তাকে লক্ষ্য করে উদ্দেশ্যমুলক ভাবে পুলিশ গুলি ছুড়েছে। আর তাকে বাঁচাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছে কর্মী হারুন-অর রশিদ। অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবর রহমান সরোয়ার-এমপি সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সেনা মোতায়েনের দাবি করেন। এসময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, মীর্জা আব্বাস, বেগম সেলিমা রহমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল উপস্থিত ছিলেন।

 

টহল শুরু করেছে বিজিবি

নগরীর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশের (বিজিবি) টহল শুরু হয়েছে। চার প্লাটুন বিজিবি নগরীর বিভিন্নস্থানে ভাগ হয়ে টহল দিচ্ছেন। মেজর হুমায়ুন কবীরের তত্ত্বাবধানে বিজিবির সদস্যরা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করছেন। বিজিবির মেজর হুমায়ুন কবীর জানান, নগরীর নিরাপত্তায় আপাতত চার প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিজিবি’র পাশাপাশি একযোগে নগরীতে টহল শুরু করেছে কোস্টগার্ড, র‌্যাব ও পুলিশের সদস্যরা। আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা বৃহস্পতিবার থেকেই পুরো নগরীকে নিরাপত্তার চাঁদরে ঢেকে রেখেছেন।

 

৬০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

নগরীর একশ’টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৬০টি ভোট কেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে সাজানো হচ্ছে নিরাপত্তা বলয়। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পুলিশের পাশাপাশি আনসার, র‌্যাব, আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়ান, কোস্টগার্ড ও বিজিবি’র সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি রিজার্ভ স্ট্রাকিং ফোর্স টহল দেবে। এছাড়াও সাদা পোশাকে ৭ থেকে ৮’শ পুলিশ সদস্যরা সতর্ক নজরদারীতে থাকবে। একই সাথে মাঠে কাজ করবে ২৮জন ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মোবাইল টিম। পুরো নগরীর নিরাপত্তা ও ভোট কেন্দ্রের পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাড়ে চার হাজার সদস্য মোতায়েন করা হবে। রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল পৌরসভা থেকে ২০০২ সনের ২৫ জুলাই সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হওয়ায় এ সিটিতে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ১০ হাজার ৫৩০ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ৭ হাজার ১৮৪জন এবং মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ৩ হাজার ৩৪৬ জন। গত বারের তুলনায় এবার নতুন প্রজন্মের ভোটার বেড়েছে ১৮ হাজার ৩০৩ জন। ৩০টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ সিটিতে ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১’শ টি, স্থায়ী ভোট কক্ষ ৬১৪ টি এবং অস্থায়ী ভোটকক্ষের সংখ্যা ৩৭টি। মেয়র পদে ৩ জন, ৩০টি ওয়ার্ডে সাধারন ১১৫ জন ও ১০টি সংরক্ষিত আসনে ৪৭জন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন। গত নির্বাচনে শওকত হোসেন হিরণ ৪৬ হাজার ৭৯৬ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু পেয়েছিলেন ৪৬ হাজার ২০৮ ভোট। আহসান হাবিব কামাল পেয়েছিলেন ২৬ হাজার ৪১৬ ভোট।

 

শেষদিনের প্রচারনায় ভিআইপিরা

বৃহস্পতিবার নির্বাচনের প্রচার প্রচারনার শেষদিনে ১৪ দল সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব শওকত হোসেন হিরণের টেলিভিশন মার্কার সমর্থনে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন বাংলার বাঘ শেরেবাংলা একে ফজলুল হকের নাতী, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী একে ফাইজুল হক রাজু। এসময় তার সাথে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা জাহিদুল হক জিয়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদার ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন।

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের গণসংযোগ

হিরণের টেলিভিশন মার্কার সমর্থনে গতকাল বৃহস্পতিবার ও বুধবার নগরীতে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা। জেলার গৌরনদী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের আহবায়ক ও ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলুর নেতৃত্বে গণসংযোগকালে তাদের সাথে গণসংযোগে মিলিত হন নূরনবী শাওন-এমপি। জেলা আ’লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র ব্যানারে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের গণসংযোগে গৌরনদী উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ আনিসুর রহমান আনিস, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান শোয়েব ইমতিয়াজ লিমন, ইউপি সদস্য সালাউদ্দিন লালুসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া গণসংযোগ করেছেন বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি আলবার্ট প্রদীপ ব্যাপারী, সাধারন সম্পাদক নুরুল আলম বাবুল প্রমুখ।

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন

Back to top button
Translate »