গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাতের আধারে কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে ঔষধ পোড়ানো ও পাচারের চিত্র ধারন এবং সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় গঠিত পৃথক দুইটি তদন্ত কমিটির কাছে সাক্ষ্য প্রদানসহ ধারনকৃত ভিডিও, ছবি সরবরাহ করেছেন স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।
উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির আহবায়ক উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মাসুম বিল্লাহ’র কার্যালয়ে গিয়ে রবিবার দুপুরে ঘটনার বিবরন লিখিত ও মৌখিক ভাবে উপস্থাপন করেন মাইটিভি’র ও দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন পত্রিকার গৌরনদী প্রতিনিধি মোঃ গিয়াস উদ্দিন মিয়া, গৌরনদী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক জনকন্ঠের ষ্টাফ রিপোর্টার খোকন আহম্মেদ হীরা, দৈনিক সকালের খবর এর বিএম বেলাল, আনন্দ টিভি’র ব্যুরো প্রধান কাজী আল আমীন, ‘চ্যানেল এস’ এর ক্যামেরাপারর্সন ও দৈনিক ন্যায়-অন্যায় পত্রিকার গৌরনদী প্রতিনিধি হাসান মাহমুদ।
এছাড়াও বিভাগীয় তদন্ত কমিটির সদস্য ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মাহামুদুল হাসানের কাছে পৃথক ভাবে ঘটনার বিবরন লিখিতভাবে জমা দিয়েছেন সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ গিয়াস উদ্দিন মিয়া, গৌরনদী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি খোকন আহম্মেদ হীরা, দৈনিক সকালের খবর এর বিএম বেলাল, আনন্দ টিভি’র ব্যুরো প্রধান কাজী আল আমীন, সাংবাদিক হাসান মাহমুদ, মোহাম্মদ আলী বাবু, মোল্লা ফারুক হাসান ও এইচ এম লিজন।
উল্লেখ্য গত ৬ মার্চ রাতে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিপুল পরিমান ঔষধ পাচারের খবর পেয়ে সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে একাধিক বস্তাভর্তি ঔষধ পাচারের ভিডিও ও ছবি তোলায় সময় অবরুব্ধ করে রাখে পরবর্তীতে বিষয়টি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাংবাদিকদের জিম্মিদশা থেকে মুক্ত করেন এবং বেশকিছু ঔষধ জব্দ করেন।