আর্কাইভ

ব্রাজিলের সমরশক্তি – মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান

১৮২২ সালে এটি স্বাধীনতা অর্জন করে। দক্ষিণ আমেরিকার অন্য দেশগুলোর তুলনায় অনেক শান্তিপূর্ণভাবে উপনিবেশ থেকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে উত্তরণ ঘটে ব্রাজিলের। এ সময় দেশে কোনো রক্তপাত বা অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটেনি। স্বাধীন হওয়ার পর একজন সম্রাট ব্রাজিল শাসন করতেন। ১৮৮৮ সালে দাসপ্রথা নিষিদ্ধ করা হয়। ১৮৮৯ সালে সামরিক অফিসাররা রক্তপাতহীন ক্যু’র মাধ্যমে সম্রাটকে ক্ষমতা থেকে অপসারিত করে ব্রাজিলে একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র স্থাপন করেন। ১৯৩০ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ব ব্রাজিলের শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর জমিদাররা দেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতেন। সেই বছর ব্রাজিলে আরেকটি অভ্যুত্থান ঘটে যার ফলে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ১৯৩৭ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত সামরিক স্বৈরশাসকরা ব্রাজিল শাসন করেন। ১৯৪৫ সালে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬৪ সালে অর্থনৈতিক সমস্যা ও রাজনৈতিক টানাপড়েনের রেশ ধরে আরেকটি সামরিক ক্যু ঘটে। এই সামরিক জান্তা ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত ব্রাজিল শাসন করেন। ১৯৬৮ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত এই সরকার বিরোধীদের ওপর বেশ নিপীড়ন চালায়। ১৯৮০-র দশকের শুরুতে সামরিক জান্তা কঠোরতা হ্রাস করে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথে এগোতে থাকে।

সশস্ত্র বাহিনীর সংগঠন
তিনটি শাখার সমন্বয়ে ব্রাজিলের সশস্ত্র বাহিনী গঠিত ব্রাজিলিয়ান আর্মি, ব্রাজিলিয়ান নেভি ও ব্রাজিলিয়ান এয়ার ফোর্স। ব্রাজিলিয়ান আর্মি এভিয়েশন ব্রাজিলিয়ান আর্মির অন্তর্ভুক্ত। নেভির অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে ব্রাজিলিয়ান মেরিন কর্পস ও ব্রাজিলিয়ান নেভাল এভিয়েশন। এই তিন বাহিনী নিয়ে গঠিত ব্রাজিলিয়ান আর্মড ফোর্সেস। মিলিটারির সব শাখাই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন। শাখা তিনটির মধ্যে নেভি সবচেয়ে পুরনো। সামরিক শক্তির দিক থেকে দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যে সবচেয়ে ক্ষমতাধর মিলিটারির দেশ হচ্ছে ব্রাজিল।

অন্তত ১১টি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে ব্রাজিল
ব্রাজিল স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে ৭ সেপ্টেম্বর। স্বাধীন হয়েছিল ১৮২২ সালে। স্বাধীনতা যুদ্ধসহ অন্তত ১১টি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে ব্রাজিল। পর্তুগিজদের বিরুদ্ধে ব্রাজিলিয়ান ডিক্লারেশন অব ইন্ডিপেন্ডেন্টস বা স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয় ১৮২১ সালে, আর শেষ হয় ১৮২৫ সালে। যুদ্ধ-পরবর্তী ব্রাজিলকে বড় ধরনের কোনো ধকল সইতে হয়নি। আর্জেন্টিনার সাথে ব্রাজিলের সমুদ্র তীরবর্তী সীমা নিয়ে যুদ্ধ হয়েছিল ১৮২০ সালে। স্থানটি বান্ডা অরিয়েন্টাল নামে বেশি পরিচিত। যুদ্ধে বান্ডা অরিয়েন্টাল ব্রাজিলের অন্তর্ভুক্ত হয়। প্লাটিন ওয়ার পরিচিত ওয়ার এগেইন্সট ওরাইব অ্যান্ড রোসাস নামেও। ১৮১১ সালে ১৮ আগস্ট শুরু হয়ে এই যুদ্ধ শেষ হয় ১৮৫২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি। এই যুদ্ধে ব্রাজিলের সহায়ক শক্তি ছিল উরুগুয়ে। যুদ্ধ হয়েছিল আর্জেন্টিনার সাথে। ওয়ার এগেইন্সট উরুগুয়ে বা উরুগুয়ে ওয়ার শুরু হয়েছিল ১৮৬৪ সালের ১০ আগস্ট। শেষ হয়েছিল ১৮৬৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি। এই যুদ্ধে ব্রাজিলের সহায়ক শক্তি ছিল উরুগুইয়ান কলোরাডোস। বিপক্ষে ছিল উরুগুয়ে। ওয়ার অব দ্য ট্রিপল এলায়েন্স শুরু হয়েছিল ১৮৬৪ সালে আর শেষ হয়েছে ১৮৭০ সালে। এই যুদ্ধে ব্রাজিলের শত্রুপক্ষে ছিল একমাত্র প্যারাগুয়ে এবং মিত্রপক্ষে ছিল আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রাজিল ১৯১৭ সালে যোগ দেয় এবং সক্রিয় থাকে মূলত আটলান্টিক মহাসাগর অঞ্চলে। স্থলে এর অংশগ্রহ ছিল খুবই সামান্য। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পক্ষে ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল ব্রাজিলের। যুদ্ধের শুরু থেকেই ব্রাজিল সক্রিয় ছিল। যুদ্ধ শুরুর দুই বছর পর ১৯৪২ সালে ইতালিতে ২৩ হাজার ৩০০ সৈন্য পাঠায় ব্রাজিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ব্রাজিলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য পর্তুগালের সাথে একটি যুদ্ধ হয়েছিল। এটি পরিচিত কনফেডারেশন অব ইকুয়েটর। ১৮৩৫ সালে ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলের রাজ্য রিও গ্র্যান্ড ডো সুল-এ দুই জেনারেল যুদ্ধ করেছিলেন ব্রাজিল সরকারের সাথে। এই দুই জেনারেল ছিলেন বেনটো গনকালভস ও এন্টানিও ডি সউসা নিটো। এদের সহায়তা করেছিলেন ইতালিয়ান যোদ্ধা গাসপি গারিবাল্ডি। ১৮৪৫ সালে রাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন তারা। এটি ব্রাজিলের একটি গৃহযুদ্ধ ছিল। তবে পরিচিতি পায় ওয়ার অব দ্য ফ্যারাপোস নামে। আরো দু’টি গৃহযুদ্ধ করতে হয়েছিল ব্রাজিলকে। দেশটিতে আশ্রয় নেয়া ৩০ হাজার অভিবাসী ব্রাজিলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য বাহিয়াতে স্বতন্ত্র আবাসভূমির দাবি করলে তাদের সাথে যুদ্ধ হয়। এটি ওয়ার অব কানুডুস নামে পরিচিত। এই যুদ্ধে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক অভিবাসী নিহত হয়েছিল। এটি ব্রাজিলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নিহতের ঘটনা ধরা হয়। ১৮৯৩ সালে শুরু হয়ে এই গৃহযুদ্ধ শেষ হয়েছিল ১৮৯৭ সালে। আর একটি গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছিল ১৯১২ সালে আর শেষ হয়েছিল ১৯১৬ সালে। যুদ্ধটি হয়েছিল দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের কাঠসমৃদ্ধ অঞ্চলে। এটি পরিচিতি কনটেসটাডো ওয়ার নামে।

বিশাল সমুদ্রসীমা
দেশটির নৌবাহিনীকে বিশাল সমুদ্রসীমার প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে হয়। বিশ্বের অন্যান্য মহাদেশের তুলনায় দক্ষিণ আমেরিকাকে তুলনামূলক শান্তিপূর্ণ মহাদেশ বলা হয়। সে দিক থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে ব্রাজিলের সম্পর্ক চীন, ভারত কিংবা পাকিস্তানের মতো নয়। যদিও চীন ও রশিয়ার মতো ব্রাজিলের ১০টি দেশের সাথে স্থলসীমা রয়েছে। ব্রাজিলের মোট স্থল সীমা হচ্ছে ১৬ হাজার ৮৮০ কিলোমিটার। অন্য দিকে সমুদ্রসীমা হচ্ছে সাত হাজার ৩৬৭ কিলোমিটার। ব্রাজিলকে এই বিশাল সমুদ্রসীমায় অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হয়। ব্রাজিলিয়ান নেভিকে ৮ দশমিক ৫ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা দেখভাল করতে হয়। এ ছাড়া একই বাহিনী আমাজান অঞ্চলের ৪ দশমিক ৪ বর্গকিলোমিটার স্থলভাগেও টহল দেয়। আমাজানের এ অঞ্চলকে ব্রাজিলিয়ান আর্মি নাম দিয়েছে ব্লু আমাজান।

পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির টার্গেট ব্রাজিলের
অতিসম্প্রতি ব্রাজিল তার মিলিটারি শক্তি সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে। ২০০৮ সালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স স্ট্র্যাটেজি’ ঘোষণা করে। এই কৌশল অনুযায়ী সহযোগী রাষ্ট্রের সহায়তায় শক্তিশালী জাতীয় প্রতিরক্ষা শিল্প তৈরির উদ্যোগ নেয় ব্রাজিল। এ বছরই ফ্রান্স ও রাশিয়া থেকে মিলিটারি প্রযুক্তি ক্রয়ের চুক্তি হয়। এরপর থেকে ফ্রান্স ও রাশিয়া ব্রাজিলের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্র, বিমান ও গোলাবারুদ বিক্রি শুরু করে। ইতোমধ্যে ব্রাজিল সরকার ঘোষণা দিয়েছে ২০১০ সালে দেশটির নিজস্ব প্রযুক্তির এক হাজার ৩০০ হেলিকপ্টার মিলিটারিতে যোগ হবে। দেশটির হেলিব্রাস ফ্যাক্টরির ৫০টি ইউনিট এসব হেলিকপ্টার তৈরি করছে। ২০০৯ সালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নৌবাহিনীকে ৩০ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দেয়। এই পরিকল্পনার আওতায় ক্রয় অথবা নির্মাণের মাধ্যমে ৪০ হাজার টন ধারণক্ষমতার দু’টি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার, চারটি ২০ হাজার টন ধারণক্ষমতার এএইচডি, ৩০টি স্কর্টস শিপ, ১৫টি সাবমেরিন, পাঁচটি পারমাণবিক সাবমেরিন ও ৬২টি পেট্রোল শিপ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে ব্রাজিলের। ২০০৯ সালের জুলাই মাসে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী নেলসন জবিন বলেছিলেন, ‘We are raising a study to make the financial schedule of the entire project. It will be a 20 year plan, including modernization and expansion of the elements of the Brazilian territory’ এই সময়ের মধ্যেই দেশটি পারমাণবিক অস্ত্রে সমৃদ্ধ হতে চায় বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

ব্রাজিলের পারমাণবিক প্রস্তুতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো মাথাব্যথা নেই
ব্রাজিলের পারমাণবিক প্রস্তুতি নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই যুক্তরাষ্ট্রের। ব্রাজিলের আণবিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি কয়েক দশকের পুরনো। গত আগস্ট মাসে আরব নিউজের একটি রিপোর্ট এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে। পত্রিকাটির পক্ষ থেকে প্রশ্ন ছিল সৌদি আরবে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে। সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক রিপোর্টটি প্রকাশের তিন বছর আগে ওই রাষ্ট্রদূতকে জিজ্ঞেস করেছিলেন ব্রাজিলের পারমাণবিক প্রস্তুতি নিয়ে তাদের কোনো উদ্বেগ রয়েছে কি না। তিনি জবাব দিয়েছিলেন ‘মোটেই না’। বলেছিলেন, ‘১৯৯০ দশকে আণবিক অস্ত্র (স্থাপনা) কর্মসূচি ব্রাজিল ধ্বংস করে ফেলেছে। একই সাথে ব্রাজিলের কথিত শত্রু আর্জেন্টিনাও আণবিক কর্মসূচি পরিত্যাগ করেছে।’ পাল্টা প্রশ্নও ছিল ‘কিন্তু ব্রাজিলে তো এখনো এনরিচমেন্ট প্রোগ্রাম ও রিপ্রোসেসিং ফ্যাসিলিটি চালু রয়েছে।’ রাষ্ট্রদূতের জবাব ছিল, ‘ব্রাজিলকে নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই। আমাদের পারস্পরিক যোগাযোগ বহাল রয়েছে।’ কিন্তু সত্য কথাটি হচ্ছে এই যে, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি এজেন্সির তদারকির এখনো বিরোধিতা করে চলেছে ব্রাজিল।

শেষ কথা
পাশ্চাত্য এক সময় বিদ্যুৎ উৎপাদনের শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যের নামে কয়েকটি দেশকে আণবিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচিতে সহায়তা করে। দেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা একটি। আণবিক বিজ্ঞানীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দেশটিতে গবেষণাভিত্তিক রিঅ্যাক্টর স্থাপন করে উত্তর কোরিয়াকে অস্ত্র নির্মাণে সামর্থ্য করে তুলে সোভিয়েত ইউনিয়ন। পরে প্লুটোনিয়াম বিকশিত করে উত্তর কোরিয়া। একই ধরনের ঘটনা দেখতে পাওয়া যায় ভারতের বেলায়। ব্রিটিশের দেয়া নকশা অনুযায়ী প্রথম রিচার্স রিঅ্যাক্টর গড়ে তোলে ভারত। এক বছর পর ভারতকে রিচার্স রিঅ্যাক্টর সরবরাহ করে কানাডা। এরপর অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি উপকরণ হেভি ওয়াটার ভারতকে সরবরাহ করে যুক্তরাষ্ট্র। এক হাজারেরও বেশি ভারতীয় বিজ্ঞানীকে প্রশিক্ষিত করে তোলে যুক্তরাষ্ট্র। পাক অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের তদানীন্তন চেয়ারম্যান মুনির আহমদ খান ও অন্য শীর্ষ বিজ্ঞানীদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণ নেয়া শেষ হওয়ার পর পাকিস্তান বোমা তৈরির পথে অগ্রসর হয়। এনরিচমেন্ট সেন্টার নির্মাণ ও সক্রিয় করে তুলতে পাকিস্তানকে সহায়তা করে কানাডা ও পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলো। আর দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিল পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ করছে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায়। অথচ পাশ্চাত্য ও রাশিয়া সমানতালে ইরানের অপরাধ খুঁজে বেড়াচ্ছে। বৃহৎ দেশগুলোর এই পারমাণবিক ভণ্ডামি বিশ্বকে আরো অনিরাপদ করে তুলছে এতে কোনো সন্দেহ নেই।

একনজরে ব্রাজিল
নাম : ফেডারেটিভ রিপাবলিক অব ব্রাজিল
মোট জনসংখ্যা : ১৯৩.৭ মিলিয়ন (জাতিসঙ্ঘ, ২০০৯)
রাজধানী : ব্রাসিলিয়া
বড় শহর : সাও পলো
আয়তন : ৮.৫৫ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার (৩.৩ মিলিয়ন বর্গমাইল)
ভাষা : পর্তুগিজ
ধর্ম : খ্রিস্টান
গড় আয়ু : পুরুষ ৬৯ বছর, মহিলা ৭৬ বছর
প্রধান রফতানি দ্রব্য : তৈরি সামগ্রী, লোহা, কফি, কমলা, কৃষিদ্রব্য
বার্ষিক গড় আয় : ৭,৩৫০ মার্কিন ডলার (ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ২০০৮)
সূত্র : বিবিসি

একনজরে ব্রাজিলিয়ান আর্মড ফোর্সেস
নৌবাহিনী
এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার : ১
ফ্রিগেট : ৯
করভেট : ৫
সাবমেরিন (টুপি ক্লাস) : ৫
সাবমেরিন (স্করপেন ক্লাস) : ৪ (নির্মাণাধীন)
সাবমেরিন (নিউক্লিয়ার প্রোপালসন) : ১ (নির্মাণাধীন)
পেট্রোলশিপ : ১৮
নির্মাণাধীন পেট্রোলশিপ : ৬
রিভার পেট্রোলশিপ : ৫

নেভাল এভিয়েশন
অ্যাটাক এয়ারক্রাফট : ২৩
ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট : ৭
ট্রেনিং এয়ারক্রাফট : ১৮
ট্রান্সপোর্ট ও মাল্টিপারপোজ এয়ারক্রাফট : ১৯
অ্যাটাক ও ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট : ২৫
এন্টি-সাবমেরিন ও এন্টি সারফেস এয়ারক্রাফট : ৪
এন্টি-সাবমেরিন ও ট্রান্সপোর্ট : ৪
এন্টি সাবমেরিন : ৩
অ্যাটাক ও এন্টি-সাবমেরিন : ১২

আর্মি এভিয়েশন
ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট : ৩২
ট্রান্সপোর্ট ও মাল্টিপারপোজ এয়ারক্রাফট : ২৮
অ্যাটাক ও রিকনিস্যান্স এয়ারক্রাফট : ১৯
অ্যাটাক ও ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট : ১৫

এয়ারফোর্স
ভিআইপি এয়ারক্রাফট : ১৫
ট্রান্সপোর্ট ও মাল্টিপারপোজ এয়ারক্রাফট : ৪৯
অ্যাটাক ও মাল্টিপারপোজ এয়ারক্রাফট : ৩৪
ট্রান্সপোর্ট ও ট্যাঙ্কার্স এয়ারক্রাফট : ২৬
ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট : ২১
অ্যাটাক ও ট্রেনিং এয়ারক্রাফট : ৯৯
অ্যাটাক ও রিকনিস্যান্স এয়ারক্রাফট : ৫৩
ট্রান্সপোর্ট ও এসএআর এয়ারক্রাফট : ৮৪
মেরিটাইম সার্ভিলেন্স এয়ারক্রাফট : ১৯
ট্রান্সপোর্ট ও ভিআইপি এয়ারক্রাফট : ৭
এয়ারবর্ন আর্লি ওয়ার্নিং এয়ারক্রাফট : ৫
রিমোট সেনসিং এয়ারক্রাফট : ৩
ট্রেনিং ও অ্যাটাক এয়ারক্রাফট : ১২৫
ফাইটার ও অ্যাটাক এয়ারক্রাফট : ৬৮
এসএআর ও অ্যাটাক এয়ারক্রাফট : ২৫
অ্যাটাক ও সিএসএআর এয়ারক্রাফট : ১২
ফাইটার ও ইন্টারসিপশন এয়ারক্রাফট : ১২
মেরিটাইম সার্ভিলেন্স এয়ারক্রাফট : ৯
সিএসএআর ও মাল্টিপারপোজ এয়ারক্রাফট : ১০
অন্যান্য এয়ারক্রাফট : ১৭৯

সূত্র : মিলিটারি ব্যালান্স


www.pavelmostafiz.blogspot.com

আরও পড়ুন

Back to top button