আর্কাইভ

দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে মস্ত ভুল – আওয়ামী লীগ এবার বিদায় হলে ৪১ বছরেও ক্ষমতা পাবে না -খালেদা জিয়া

নিজস্ব সংবাদদাতা ॥ ‘সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না’ বলে অভিযোগ তুলে বিএনপি চেয়ারপাসরসন খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘তারা ২১ বছর পর মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে ক্ষমতায় এসেছে। এবার বিদায় হলে আগামী ৪১ বছরেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না।’ চট্টগ্রাম অভিমুখী রোডমার্চের প্রথম দিন রোববার বিকেলে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে অনুষ্ঠিত পূর্ব নির্ধারিত তৃতীয় পথসভায় বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘এ সরকার বলছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়াই নির্বাচন হবে। রাষ্টপতির আহবানে নির্বাচন কমিশন গঠনের আহবানে সাড়া দিয়ে আমরা বলেছি- নির্বাচন কমিশন নয়, আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিতে হবে। সেই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারই নির্বাচন কমিশন গঠন করবে।’ তিনি বলেন, ‘তারা মানুষ খুন করে লাশ গুম করে ফেলছে। আমাদের ৪০ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। আওয়ামী লীগের রাজনীতি হচ্ছে হত্যা, জমি দখল, দেশের স্বার্থ পরিপন্থি রাজনীতি। এই কুমিল্লায় বয়াডার আছে তারা প্রতিদিন মানুষ হত্যা করছে। এমন হত্যাকান্ড বন্ধ করতে হলে সত্যিকারের জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’ খালেদা জিয়া বলেন, ‘কুমিল্লা আমার খুব প্রিয় জায়গা। আমি আর জিয়া এই কুমিল্লায় অনেক সময় কাটিয়েছি। তাই আগামী নির্বাচনে কুমিল্লার সকল আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করুন।’ পদুয়ার বাজারের পথসভা মঞ্চে খালেদা ওঠেন বিকেল সোয়া চারটার দিকে। প্রথমে কুমিল্লার নবনির্বাচিত মেয়র মনিরুল হক সাক্কু ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বেগম জিয়াকে। এরপর পরে ৪টা ৩৩ মিনিট পর্যন্ত মিনিট সতেরো বক্তব্য রাখেন তিনি।

কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি সভাপতি বেগম রাবেয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন,  এম কে আনোয়ার এমপি, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মে. জে. (অব.) রুহুল আমিন, শওকত মাহমুদ, কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান হারুন-আল-রশীদ, যুগ্ন-মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আকবর, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও বিরোধী দলের চিপ হুইফ জয়নুল আবদীন ফারুক, রাশেদা বেগম হীরা এমপি, সাবেক এমপি মঞ্জুর আহসান মুন্সী, সাবেক এমপি গফুর ভূঁইয়া, সাবেক এমপি কর্নেল আনোয়ারুল আজিম, সাবেক এমপি জাকারিয়া তাহের সুমন, সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আলম, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক এমপি রেদোয়ান আহমেদ, কুমিল্লা মহানগর জামায়াত কার্যালয়ের রোডমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, জামায়াতের দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার হোসেন, জেলা বিএনপির  সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রশীদ ইয়াছিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মোস্তাক মিয়া প্রমুখ।

চট্টগ্রাম অভিমুখে রোড মার্চের প্রথম দিন রোববার বিকালে চান্দিনার ছয়ঘড়িয়ার তুলাতলি মাঠে পথসভায় সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি দেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে না জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনে করার চেষ্টা হবে ‘মস্ত ভুল’। রোড মার্চ করে চট্টগ্রাম যাওয়ার পর সোমবার বন্দর নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠের জনসভা থেকে আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করার কথা রয়েছে খালেদা জিয়ার।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনকে চূড়ান্ত রূপ দিতে রোববার সকাল ১১টায় নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে এই রোড মার্চ শুরু করেন বিএনপি চেয়ারপার্সন। ব্যাপক যানজটের কারণে তার চান্দিনা পৌঁছাতে বেজে যায় দুপুর আড়াইটা। সেখানে মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজ মাঠে প্রথম, ছয়ঘড়িয়ার তুলাতলি মাঠে দ্বিতীয়, নিমসার বাজারে তৃতীয় এবং কুমিল্লার পদুয়া বাজারে চতুর্থ পথসভায় তিনি বক্তব্য দেন। এরপর গাড়ি বহর নিয়ে ফেনীর উদ্দেশ্যে রওনা হন খালেদা। সেখানে ফেনী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় তার বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

চান্দিনার ছয়ঘড়িয়ার তুলাতলি মাঠের পথসভায় উপস্থিত জনতাকে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, “নিজেদের অধীনে নির্বাচন করলে আওয়ামী লীগ মস্তবড় ভুল করবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া ওই রকম নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দল অংশ নেবে না।” সরকারকে এ চেষ্টা থেকে সরে আসারও আহ্বান জানান তিনি।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিবিসিকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, বিরোধী দল আগামী নির্বাচনে অংশ না নিলে তা হবে একটি রাজনৈতিক ভুল। এর জবাবে খালেদা জিয়া বলেন, “আমরা নই, আপনারা নিজেদের অধীনে নির্বাচন করলে ভুল করবেন। এতে দেশে বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে। এর জন্য সরকারই দায়ী থাকবে।” বর্তমান সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করার পর থেকেই বিএনপি ও সমমনা দলগুলো আন্দোলন চালিয়ে আসছে। ওই ব্যবস্থা ফেরানোর দাবিতে গত অক্টোবর মাসে সিলেট ও উত্তরাঞ্চলের চাঁপাই নবাবগঞ্জ এবং নভেম্বরে খুলনা অভিমুখে রোড মার্চ করেন বিএনপি চেয়ারপার্সন। ৬ বিভাগেই রোড মার্চ করার ঘোষণা থাকলেও পরে রংপুর ও বরিশালের কর্মসূচি বাতিল করা হয়।

নতুন নির্বাচন কমিশন নিয়োগে রাজনৈতিক দরগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সংলাপের প্রসঙ্গ টেনে তুলাতলির পথসভায় খালেদা জিয়া বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হলে নির্বাচন কমিশন গঠন করেও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। তাই এখন যে নির্বাচন কমিশন পূনর্গঠনের কথা বলা হচ্ছে- এটা ভাওতাবাজি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হলে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারে না।” আগামী ১১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সঙ্গে বিএনপিরও বসার কথা রয়েছে।

দেশের বর্তমান অবস্থাকে ‘সঙ্কটজনক’ উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, “দেশের অর্থনীতি ভালো নেই। দ্রব্যমূল্য বেড়েই চলেছে। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের দাম পাচ্ছে না। শিক্ষা খরচ ও শিক্ষা উপকরণের দাম বৃদ্ধির ফলে অভিভাবকদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।” এ অবস্থা থেকে উত্তরণে জনগণকে সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান তিনি।

ক্ষমতা যাওয়ার পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের দুর্নীতির শ্বেতপত্র বের করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন খালেদা জিয়া। রোববার সন্ধ্যায় ফেনী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় বক্তৃতাকালে তিনি এ ঘোষণা দেন। খালেদা জিয়া বলেন, ‘এ সরকার স্বাধীনতার পরে ক্ষমতায় এসে এমন দুর্নীতি করেছিলো যে দেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিলো। মানুষ না খেয়ে মরেছে। এবার তারা ক্ষমতায় এসে এমন দুর্নীতি করেছে যে মানুষের বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতুর অর্থ তারা খেয়ে ফেলেছে। এ পদ্মা সেতু আর হবে না। তারা দেশে নতুন রাস্তাঘাট নির্মাণ করতে তো পারেই নি, পুরনো রাস্তাঘাটও তারা মেরামত করেনি। রাস্তাঘাটের জন্য বরাদ্দ করা টাকা এমপি-মন্ত্রীরা পকেটে ঢুকিয়েছে।’ শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারীর মাধ্যমে এক লাখ কোটি টাকা তারা লুটপাট করেছে’ বলে অভিযোগ তুলে বিএনপি প্রধান বলেন, ‘এ টাকা তারা দেশেও রাখেনি। দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছে। আর এ দুর্নীতির কথা বললে বা লিখলে তারা মামলা, রিমান ও নির্যাতন চালাচ্ছে।’ ‘এসব করে পার পাওয়া  যাবে না’ বলে সতর্ক করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আগামীতে এ দুর্নীতির জন্য শাস্তি দেওয়া হবে। আমরা দুর্নীতির শ্বেতপত্র বের করবো। তারা ২১ বছর পর জনগণের কাছে কান্নাকাটি করে ক্ষমতায় এসেছিলো। এবার গেলে আগামী ৪১ বছরেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না।’

সরকারকে ধোকাবাজ, মিথ্যাবাদী ও ভাওতাবাজ আখ্যা দিয়ে খালেদা জিয়া আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ভারতের প্রেমে এতোই অন্ধ যে তারা কানে শোনে না, চোখে দেখে না, কথাও বলতে পারে না। তাই ফেলানীর লাশ পড়লে কিছু বলতে পারে না। সীমান্তে বাংলাদেশির লাশ পড়লে চুপ করে থাকে। একটা কথাও বলতে পারে না।

আর ভারত এ সুযোগে আমার দেশের মধ্যে ঢুকে তিস্তা নদীর ওপর বাঁধ দিয়ে, তাদের চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণ করে ভাতে ও পানিতে মারতে চায়।’ নির্ধারিত সময়ের ঘণ্টা চারেক পর ফেনী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের জনসভা মঞ্চে উঠেই সমবেত জনতার কাছে অনাকাঙ্খিত দেরির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন বিএনপি চেয়ারপারসন। বক্তৃতার শুরুতেই তিনি বলেন, ‘ঢাকা থেকে শুরু করে ফেনী পর্যন্ত পুরো মহাসড়কই ছিলো রোডমার্চের দখলে। তাই যানজটে আসতে দেরি হয়ে গেলো। আমি ফেনীর মেয়ে, আপনাদের কাছে এসেছি। আপনারা অধীর আগ্রহে আমার জন্য অপেক্ষা করছেন, এজন্য ধন্যবাদ জানাই।’

চট্টগ্রামে নতুন কর্মসূচিঃ সকালে পল্টন থেকে রোডমার্চ শুরুর পর খালেদার গাড়িবহর মতিঝিল শাপলা চত্বরের কাছে পৌঁছেই যানজটে পড়ে। কাঁচপুর সেতুর এক পাশে যান চলাচল সকাল থেকে বন্ধ থাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কে এই যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে আটকা পড়ে রোডমার্চের কয়েক হাজার গাড়ি। খালেদা জিয়ার গাড়িকে এই যানজট পার করিয়ে দিতে পুলিশের ব্যাপক বেগ পেতে হয়।

বিরোধী দলীয় নেতার গাড়িবহর কাঁচপুর সেতু অতিক্রম করে বেলা পৌনে ১টার দিকে। চান্দিনার মাধাইয়া পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে সময় লাগে সাড়ে ৩ ঘণ্টা।

এই রোড মার্চ ব্যবস্থাপনা কমিটির আহবায়ক সাদেক হোসেন খোকা সকালে আজকের বাংলাকে বলেন, “ঢাকা থেকে চার হাজার গাড়ির বহর নিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করেছি। আরামবাগ, ফকিরা পুল, মতিঝিল, হাটখোলা, সায়েদাবাদসহ বিভিন্ন স্থান থেকে এসব গাড়ি চেয়ারপার্সনের বহরের সঙ্গে যুক্ত হবে।

সাদা রংয়ের একটি পাজেরো জিপে করে এই রোডমার্চের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খালেদা জিয়া। গাড়িতে তার সঙ্গে আছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান। “আশা করছি চট্টগ্রাম গিয়ে এই সংখ্যা দাঁড়াবে ছয় হাজারে”, যোগ করেন তিনি।

ঢাকা থেকে চান্দিনা পর্যন্ত আসার পথে সায়েদাবাদ, ডেমরা, শনির আখড়া, কাঁচপুর সেতু, সোনারগাঁও মোড়, মদনপুর, মেঘনা ব্রিজের দুই পাড়, ববের চর, দাউদকান্দি সেতুর দুই পাড়, গৌরীপুর ও ইলিয়টগঞ্জে নেতা-কর্মী-সমর্থকরা রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলীয় নেতার গাড়িতে ফুল ছিটিয়ে অভিনন্দন জানায়। খালেদা জিয়া হাত নেড়ে তাদের অভিনন্দনের জবাব দেন।

এই রোডমার্চ উপলক্ষে চান্দিনা পর্যন্ত পথে সড়কের দুই পাশে ও সড়কদ্বীপে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতিকৃতি বসানোর পাশাপাশি শতাধিক তোরণ নির্মাণ করা হয়। বিকেল পৌনে ৩টায় চান্দিনার মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজ মাঠে প্রথম পথসভায় খালেদা বলেন, “এ সরকার হটানো ছাড়া মানুষের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে না। এদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া চাই।” “আমরা চট্টগ্রামে যাচ্ছি। কাল চট্টগ্রামের জনসভায় আমি বিস্তারিত বলবো”, যোগ করেন তিনি। রোডমার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছানোর পর সোমবার বিকালে পলোগ্রাউণ্ড মাঠে সর্বশেষ জনসভায় বক্তব্য দেবেন বিএনপি চেয়ারপার্সন। সেখানেই তিনি সরকার পতনের চূড়ান্ত আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি দেবেন বলে বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন।

-খবর: আজকের বাংলা

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন

Back to top button
Translate »