গৌরনদী সংবাদজাতীয়

রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গৌরনদীর ৪৪ জন প্যানেলভুক্তকে নিয়োগের নির্দেশ

রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (নব জাতীয়করণকৃত) শিক্ষক পদে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্যানেলভুক্ত প্রার্থীদের ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাই কোর্ট। তাদের মধ্যে গৌরনদী উপজেলার ৪৪ জন রয়েছেন।
বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাই কোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার নিয়োগবঞ্চিতদের করা পৃথক ৩৬৭টি রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন।
এই রিটগুলিতে আবেদনকারী প্রার্থীর সংখ্যা প্রায় একহাজার হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবেদনকারীদের অন্যতম আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া।
নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ৪৪ জন রয়েছেন। তাদের পক্ষে পৃথক তিনটি আবেদন করেন মো: দেলোয়ার হোসেন, মৃত্যুঞ্জয় দাস ও ইরশাদ জাহান।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ১১ এপ্রিল রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদে উপজেলাভিত্তিক নিয়োগের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরে ২০১২ সালের ২১ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর এক পরিপত্রে সিদ্ধান্ত পাল্টে ইউনিয়নভিত্তিক নিয়োগের কথা জানায়।
বিজ্ঞপ্তির উপর ভিত্তি করে ২০১২ সালের ৯ এপ্রিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৪২ হাজার ৬১১ জনের নিয়োগ প্যানেল প্রকাশ করা হয়। এর মধ্য থেকে প্রথম দফায় প্রায় ৮ হাজার জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
২০১৩ সালে রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ করার পর নিয়োগপ্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে গেলে প্যানেলভুক্ত সেলিম রেজাসহ নয়টি জেলার ৬২ প্রার্থী নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে একটি রিট করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে চলতি বছরের ৯ মার্চ আদালত রুল দেন।
একই বিষয় নিয়ে পৃথক রিটের প্রেক্ষিতে ২০১২ সাল থেকে ২০১৫ সালের বিভিন্ন সময় ৩৬৭টি পৃথক রুল হয়। এসব রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার রায় দেন আদালত।
রুল শুনানিকালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এক প্রতিবেদনে জানায়, চলতি বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যপন্ত শূন্য পদের সংখ্যা ১৭ হাজার ৪৪৪টি। পাবর্ত্য তিন জেলা ছাড়া ৬১টি জেলায় এই সময় পর্যন্ত প্যানেল থেকে ১০ হাজার ৪৯৭ প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আদালতে রিট আবেদনকারী পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সামাদ আজাদ ও মোহাম্মদ আবুল হাসনাত। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যার্টনি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল আমাতুল করীম। সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যার্টনি জেনারেল বিলকিস ফাতেমা।


ফেসবুকে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। Gournadi.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে Gournadi.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো পোষ্ট...

Leave a Reply