আর্কাইভ

পবিপ্রবি’র বহিস্কৃত ১১শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে ফিরতে চায়

অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিস্কৃত ১১  শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন অনিশ্চয়তায় ধুকছে। অভিভাবকগণ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম শংকায় ভুগছেন। এ অবস্থায় বহিস্কৃত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ বহিস্কার আদেশ প্রত্যাহারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হস্থক্ষেপ কামনা করছে।

জানা গেছে, গত ১৪ মে লেবুখালীতে বাস শ্রমিক কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই অনুষদের ছাত্র সাইফুল ইসলাম লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় পবিপ্রবি’র শতাধিক ছাত্র নসীব সিনেমা হল এলাকায় মৃধা পরিবহনের বাসটিতে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় বাস মালিক ফরিদ মৃধা বাদী হয়ে ১৬ মে পটুয়াখালী আদালতে ১১ ছাত্রকে আসামী করে মামলা দায়ের করে। পরে উভয় পক্ষের সমঝোতায় মামলাটি প্রত্যাহার করে বাদী পক্ষ। এ ঘটনায় ১৫মে প্রফেসর আলী আজগর ভূঁইয়াকে প্রধান করে সাত সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে শৃঙ্খলা বোর্ডের ১৩তম সভার সিদ্বান্তনুযায়ী অভিযুক্ত ১১জনকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করা হয়। এরা হলো সিএসই ৩য় সেমিষ্টারের সাইফুল ইসলাম ও কৃষি ৫ম সেমিষ্টারের আবু সাইদকে ২ সেমিষ্টার, বিবিএ ৩য় সেমিষ্টারের হিমেল, হিমু, তুহিন,কৃষি ২য় সেমিষ্টার অমিত হাসানকে ১সেমিষ্টার,কৃষি ৩য় সেমিষ্টারের নিয়াজ, আল-আমিন, জাবির, কৃষি ২য় সেমিষ্টারের বাপ্পী ও নিলয়কে চলমান সেমিষ্টার স্থগিত, আজীবনের জন্য হল বহিস্কার ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে কর্তৃপক্ষ। ছাত্র শৃঙ্খলা বিধানের ৮ এর গ ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের এ শাস্তি প্রদান করা হয়।

বহিস্কৃত ছাত্রদের বক্তব্য, আমরা আমাদের ভুল স্বীকার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে শাস্তি প্রত্যাহারের দাবী জানাচ্ছি। আশা করি অভিলম্বে কর্তৃপক্ষ আমাদের ক্যাম্পাসে ফেরার ব্যবস্থা করবেন।

আরও পড়ুন

আরও দেখুন...
Close
Back to top button