আর্কাইভ

আগৈলঝাড়ার জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক পাকা করনের দাবিতে বিক্ষোভ

ওমর আলী সানি, আগৈলঝাড়া ॥ আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের আমবাড়ী থেকে বাট্টরা বাজার, বাহাদুরপুর হয়ে মাগুরা বাজার পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ন কাঁচা রাস্তাটি স্বাধীনতার ৪১ বছর পেরিয়ে গেলেও কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। জাতীয় সংসদ, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসলেই জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি পাকাকরনের আগৈলঝাড়ার জনগুরুতপূর্ণ সড়ক পাকা কারনের দাবিতে বিক্ষোভআশ্বাস দেয় প্রার্থীরা। নির্বাচিত হওয়ার পর তারা আর খোঁজ রাখেনা বলে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী অভিযোগ করেন। এনিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। জনগুরুতপূর্ণ রাস্তাটি পাকাকরনের দাবিতে গত ১২ অক্টোবর বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসিরা।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, স্বাধীনতার পরে আগৈলঝাড়া উপজেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন হলেও উপজেলার বাকাল আমবাড়ী-বাটরা-বাহাদুরপুর হয়ে রাজিহার ইউনিয়নের মাগুরা বাজারের জনগুরুত্বপূর্ন রাস্তাটি স্বাধীনতার ৪১ বছরেও পাকাকরন করা হয়নি। ওই রাস্তার পার্শ্বে গড়ে উঠেছে বাট্টরা প্রেমচাঁদ বালিকা বিদ্যালয়, আহুতি বাট্টরা পাবলিক একাডেমী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিশিকান্ত গাইন স্কুল এন্ড কলেজ, বাট্টাবাজার, মাগুড়া বাজার, বাহাদুরপুর হাট। জনগুরুত্বপূর্ণ ওই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন জনসাধারনসহ স্কুল-কলেজের হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী চলাচল করে থাকে। বর্ষামৌসুমের শুরু থেকে শেষঅবধি একটু বৃষ্টিতেই রাস্তাটি কর্দমক্ত হয়ে যায়। ফলে ওইসব এলাকার প্রায় দু’লক্ষ জনগন ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের পোহাতে হয় চরম দুর্ভোগ। উপজেলা সদরসহ স্কুল-কলেজে আসার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে বাহাদুরপুর থেকে আমবাড়ির রাস্তাটি। তাই বর্ষামৌসুমে একপ্রকার বন্দিজীবন কাটাতে হয় এলাকাবাসীদের।

স্থানীয় ইউপি সদস্য রতিকান্ত হালদার, রমনি বাড়ৈ, যতীন, নিখিল হালদার জানান, উপজেলার আমবাড়ী থেকে বাটরা বাজার হয়ে বাহাদুরপুর গ্রাম থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা। এ রাস্তাটি দীর্ঘদিনেও মেরামত না হওয়ায় রাস্তা ভেঙ্গে বিভিন্নস্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষামৌসুমে জনগুরুতপূর্ণ এ রাস্তার ওপর পানি জমে কাঁদা হয়ে জনসাধারণ চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়ে। তারা আরো জানান, বর্ষা মৌসুম আসলেই তাদের গ্রামের কেউ অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে উপজেলা হাসপাতালে আনতে গ্রামবাসীকে চরম ভোগান্তিতে পরতে হয়। একারনে কয়েকজন গর্ভবতী নারীর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এসব এলাকায় প্রতিবছর ফসলের বাম্পার ফলন হওয়া সত্বেও অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্তার কারনে তারা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে চরম আর্থিক দৈন্যদশায় পরে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে তাদের।

আরও পড়ুন

আরও দেখুন...
Close
Back to top button
Translate »