গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফকীর আব্দুর রাজ্জাকের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বরিশালের গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, সাংবাদিক সমাজের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং মানবিকতার প্রতীক ফকীর আব্দুর রাজ্জাকের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০০৬ সালের ২ ডিসেম্বর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘ ১৯ বছর পরও তার কর্ম-চেতনা, নীতি-আদর্শ ও সমাজসেবামূলক অবদান এলাকায় গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।
দিনভর দোয়া, কোরআনখানি ও মিলাদ মাহফিল
মরহুমের স্মরণে তার উত্তর বিজয়পুরস্থ নিজ বাসভবনে এবং আশোকাঠী গ্রামের বাড়িতে দিনভর কোরআনখানি, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ তার জন্য দুয়া করেছেন।
অপরদিকে, একইদিন বিকেলে Gournadi.com-এর উদ্যোগে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডস্থ জামে মসজিদে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মিলাদের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীসহ সাধারণ মানুষও তার স্মৃতিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
অত্যাচারিত-নিপীড়িত মানুষের আশ্রয়স্থল ছিলেন তিনি
ফকীর আব্দুর রাজ্জাক শুধু একজন সাংবাদিকই ছিলেন না—গৌরনদী-আগৈলঝাড়ার নিরীহ, নিপীড়িত ও অসহায় মানুষের আশা ও সাহসের প্রতীক ছিলেন তিনি। এলাকার মানুষ জানান, “তার কাছে কেউ সাহায্যের জন্য গেলে তিনি কখনো ফিরিয়ে দিতেন না।”
রাজনৈতিক, সামাজিক কিংবা ব্যক্তিগত যে কোনো সমস্যায় তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন নির্ভীকভাবে। সদা পরোপকারী, বিনয়ী ও নিরহংকারী স্বভাবের জন্য তিনি সর্বমহলে সমাদৃত ছিলেন।
মৃত্যুর বহু বছর পরও অম্লান স্মৃতি
তার মৃত্যুের প্রায় দুই দশক পেরিয়ে গেলেও স্থানীয় মানুষ, সহকর্মী সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী নেতারা আজও তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। সমাজের জন্য তার নিরলস কাজ, সততা এবং মানবিক আচরণ তরুণ সমাজকেও অনুপ্রাণিত করে।
গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, “ফকীর আব্দুর রাজ্জাক ছিলেন একজন উদার মনের মানুষ। গৌরনদীর সাংবাদিকতা ও সমাজসেবায় তার অবদান ইতিহাস হয়ে থাকবে।”
মরহুমের পরিবার তার আত্মার মাগফিরাতের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন।




