সু-স্বাধু ফল- কামরাঙ্গা

কামরাঙ্গাকে আমরা অনেকেই সু-স্বাধু ফল হিসাবেই জানি। মিষ্টি, টক, ঝাঁঝালো নানা স্বাদের কামরাঙ্গ আমাদের দেশে মেলে। শতবর্ষ প্রাচীন এ ফলটি গুরুত্বপূর্ণ একটি ওষুধও। এ গাছের ফল থেকে বাকল পর্যন্ত সবই
হারবাল মেডিসিন জগতে ওষুধের গুরুত্বপর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ফল হিসেবে কামরাঙ্গা কেমন সেটা আর নতুন করে বলার দরকার নেই। কামরাঙ্গ ফলে রয়েছে ওকজালিক এসিড। এ কারণে স্বাদে টক এ ফল কাঁচা খাওয়া যায়। আচার কিংবা জেলি করেও খাওয়া যায়। মানুষের পাকস্থলির বেশ কিছু সমস্যায় কামরাঙ্গ ফল খুবই উপকারী। মুখের অরুচি কাটাতে এটা খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়। বর্ষা মৌসুমে কামরাঙ্গ গাছ লাগানোর সবচে উপযোগী সময়। বাংলাদেশের সব জেলাতেই কামরাঙ্গা গাছ দেখতে পাওয়া য়ায়। প্রধানত বীজের মাধ্যমে এ গাছের বংশ বৃদ্ধি ঘটে। জোড় কলম এবং অঙ্কুর কলম দিয়েও এ গাছের বংশ বৃদ্ধি ঘটানো যায়। যেকোন নার্সরীগুলোতেও কামরাঙ্গার চারা পাওয়া যায়। উপযুক্ত পক্রিয়ায় গাছ লাগালে ২/৩ বছরের মধে ফল পাওয়া যায়। চিরহরিৎ কামরাঙ্গ গাছের ছাল মসুন এবং কালচে রঙের। কামরাঙ্গা ফল ১০ থেকে ১৫ সে. মি সাইজের। ফলের রং সবুজ। পাকা অবস্থায় ফল অনেকটা হলুদ রং ধারণ করে। এপ্রিল জুন মাসে কামরাঙ্গা গাছ পুষ্পায়িত হয় এবং সেপ্টেম্বর নভেম্বর মাসে ফল পাকে।