Gournadi.com

শুভ জন্মদিন প্রিয় অভিনেতা মোশারফ করীম, তার নামই এক প্রকার বিশেষণ

বর্তমানে টিভি নাটক/টেলিফিল্ম এর প্রিয় মুখ ও একজন সফল অভিনেতা মোশারফ করীম। টিভি নাটকে তাকে জীবন্ত কিংবদন্তী বললেও ভুল হবেনা। অভিনয়ের ভিন্নতা, বিভিন্ন অঞ্চলের ভাষার উচ্চারন দক্ষতা এবং সাবলীল অভিনয়ের মাধ্যমে আমাদের আনন্দ দিয়ে যাচ্ছেন নিয়মিত। তার সম্পর্কে কিছু তথ্য দেয়ার চেষ্টা করবো এই লেখায়ঃ

◆ ১৯৭২ সালের ২২ আগস্ট ঢাকায় জন্মগ্রহন করেন। ঢাকায় জন্মগ্রহন করলেও মোশারফ করিমের হোমটাউন বরিশালের গৌরনদীতে।

◆ অভিনয়ের প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয় স্কুল থিয়েটারে,পরে ১৯৮৬ সালে অভিনয়ে পদার্পণ করার সিদ্ধান্ত নেন এবং “নাট্যকেন্দ্র” নামক একটি মঞ্চনাটকদলে যোগদান করেন।

◆ দীর্ঘদিন থিয়েটারে কাজ করার পর ১৯৯৯ সালে প্রথম “অতিথি” নামক নাটকে অভিনয় করেন।

◆ ১৯৯৯ সালে থেকে ২০০৪ পর্যন্ত তাকে অনেক স্ট্রাগল করতে হয়, পাশাপাশি কাজের তুলনায় তেমন পরিচিতিও পাচ্ছিলেন না। এক পর্যায়ে অভিনয় করেন “ক্যারাম” টেলিফিল্মে, এই টেলিফিল্ম দর্শকদের মধ্যে তুমুল জনপ্রিয়তা পান এবং তিনিও ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন।

◆ মোশারফ করিম ২০০৪ সালে বিয়ে করেন, স্ত্রী-রোবেনা রেজা জুঁই। মোশাররফ করিম এর সাথে জুই এর প্রথম পরিচয় হয় ২০০০ সালে। সে সময় মোশাররফ করিম জুইদের বাসার সামনের গলির একটি কোচিং সেন্টারে পড়াতো। সেই কোচিং সেন্টারেই কোচিং করতেন জুই। সেখান থেকেই দুজনের প্রাথমিক পরিচয়,প্রেম ও বিয়ে। তাদের একমাত্র সন্তান রায়ান। পুরো নাম রোবেন রায়ান করিম।

◆ মোশারফ করিম ২০০ টিরো বেশি একক-নাটকে (এক-পর্বের) অভিনয় করেছেন।

কিছু বিখ্যাত নাটকের নামঃ
ফ্লেক্সিলোড, আউট অফ নেটওয়ার্ক, ঠুয়া, বিহাইন্ড দ্যা সিন, ক্যারাম(প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র) , হাতেম আলী, জর্দা জামাল, হ্যালো,হাওাই মিঠাই, বারাবারি, মানিব্যাগ,উচ্চ মাধ্যমিক সমাধান, কথা দিলেম তো, যমজ, সিকান্দার বক্স (সিরিজ) , সেই রকম চা খোর ইত্যাদি
তার বিখ্যাত নাটকের নাম বলে শেষ করা যাবেনা।
মোশারফ করিমের নাটকের সম্পূর্ণ লিস্ট দেখতে চাইলেঃ http://bit.ly/1Lqfzek

◆ ৩৩টির মত ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেছেন।
তার বিখ্যাত ধারাবাহিক নাটকঃ
এফ এন এফ ,৪২০,ফিফটি ফিফটি, ভবের হাট, হাউস ফুল,চাঁদের নিজস্ব কোন আলো নেই, মাইক, লং মার্চ, ইউনিবার্সিটি, চলিতেসে সার্কাস ইত্যাদি।
সম্পূর্ণ লিস্টঃ http://bit.ly/1fxzhGx

◆ মোট চারটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন, ২০০৭ সালে “দারুচিনি দ্বীপ” , ২০০৯ সালে “থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার” , ২০১২ তে “প্রজাপতি” এবং ২০১৩ তে “টেলিভিশন”।

তাছাড়া আগামী বছর তার নতুন সিনেমা “Jalal’s Story-জালালের গল্প” মুক্তি পাচ্ছে।
ইতিমধ্যেই পর্তুগালের আভাঙ্কা চলচ্চিত্র উৎসবের ১৯তম আসরে “জালালের গল্প” সেরা ছবি নির্বাচিত হয়েছে এবং একই ছবির জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার অর্জন করেন মোশাররফ করিম।
এই সিনেমার ট্রেইলারঃ http://bit.ly/1LqfRld

◆ তার অসাধারন অভিনয়ের জন্য পেয়েছেন একাধিক পুরুস্কার। “মেরিল প্রথম আলো পুরষ্কার” এ তার প্রাপ্তিঃ (সমালোচক পুরষ্কার) ২০০৮ সালে “দেয়াল আলমারি”, ২০১২ সালে “জর্দ্দা জামাল”, ২০১৩ সালে “সেই রকম চা খোর”।
(তারকাজরিপ পুরষ্কার) ২০০৯ সালে “হাউজফুল”, ২০১১ সালে “চাঁদের নিজস্ব কোন আলো নেই”,২০১৩ সালে “সিকান্দার বক্স এখন বিরাট মডেল” এবং ২০১৪ সালে “সেই রকম পানখোর”।


ফেসবুকে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। Gournadi.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে Gournadi.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো পোষ্ট...

Leave a Reply