গৌরনদী সংবাদ

গৌরনদীতে ফুটপথে বসেছে শীতের পোশাকের দোকান, নেই বেচা-বিক্রি

বেলাল হোসেন: গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডে ফুটপথে পসরা সাজিয়ে বসেছে শীতের পোশাকের দোকান নেই তেমন বেচা বিক্রি।

উপজেলা গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডের পাশে ফুটপথে পসরা সাজিয়ে বসেছে শীতের পোশাকের দোকানীরা রংবেরঙ্গের পোশাক নিয়ে কিন্তু ক্রেতাশুন্য বললেই চলে। আশা একটাই শীত যত বাড়বে বিক্রি ততই বাড়বে। পুরনো পোশাক বিক্রেতা মোঃ ফয়সাল বলেন, গত বছরের এই দিনে শীতের প্রভাব এর চেয়ে অনেক বেশি ছিলও তাই বেচা বিক্রিও বেশি ছিল। তুলনামূলক গত বছরের চেয়ে এবছর শীত কম তবে আগামীতে শীতের-প্রভাব বেশি হবে বলে আশা করেন পোশাক বিক্রেতা মোঃ মোস্তফা। পুরনো পোশাক বিক্রেতা জাহিদুল ইসলাম বলেন, বছরের ৮ থেকে ৯ মাসই প্রায় বেকার থাকি তাই শীতের মৌসুম এলে পুরনো পোশাক কিনে এনে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডে ফুটপথে সাজিয়ে বিক্রি করে পরিবার নিয়ে দু বেলা দু মুঠো খাবারের ব্যবস্থা এই শীতের দুই মাসের বেচা বিক্রির উপরই নির্ভর করে।

অপর দিকে শীতে হরেক রকমের পিঠের দোকান নিয়ে বসেছে আব্দুল হক সহ অনেকেই। গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডের ব্যবসায়ী মো: আলমাছ বলেন, এই শীতে প্রতিদিন সন্ধ্যায় গরম গরম শীতের পিঠা খেতে অনেক ভালো লাগে, মো: জালাল সরদার বলেন ছোট বেলায় দেখেছি শীত এলে মা বারিতে বিভিন্ন রকমের পিঠের বাসায়ই তৈরি করতো কিন্তু এই ডিজিটাল যুগে মানুষেরা সেই কষ্টটুকু আর করতে চাচ্ছেননা এখন কিছু পয়সা দিলেই যেহেতু পাওয়া যায় শীতের পিঠে তাই আমিও পিঠে কিনে বাসায় নিয়ে সবাই এক সাথে বসে খাই। রফিকুল ইসলাম সবুজ বলেন একই কথা, এই শীতে গরম গরম পিঠাতো আমার অনেক পছন্দ। শীত চলে গেলেই এই সিজনাল দোকানীরা অন্যের ক্ষেতে-কোলায় কাজ করে থাকেন আর অপেক্ষা করতে থাকেন আবার শীত এলেই বসবে পিঠের দোকান অথবা শীতের পোশাকের দোকান নিয়ে।


ফেসবুকে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। Gournadi.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে Gournadi.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো পোষ্ট...

Leave a Reply