আন্তর্জাতিক

লন্ডনে নির্বাচনী ইশতেহার ষ্টাইলে যা যা বললেন তারেক রহমান

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ লন্ডন শাখার সেমিনারে অনেকটা নির্বাচনী ইশতেহারের স্টাইলে দেশের কল্যাণে কৌশলপত্র পেশ করেছেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে অসহনীয় এবং অগণতান্ত্রিক উল্লেখ করে তিনি এই অবস্থার জন্য শেখ হাসিনাকে দায়ী করে বলেছেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের কন্ঠকে চেপে ধরে আছে এবং অবৈধভাবে বাংলাদেশের মানুষের অধিকারকে ধরে রেখেছে। এই শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে কারচুপির নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করার কয়েকদিন পরই ঢাকার পিলখানায় বাংলাদেশ সশস্র বাহিনীর ৫৭ জন সেনা অফিসার সহ ৭৪ জনকে হত্যা করা হয়।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সর্বোপরি জাতীয় স্থবিরতা থেকে মুক্ত হওয়ার একমাত্র উপায় হচ্ছে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করে গণতন্ত্রের সুষ্ঠু চর্চাকে পুনঃস্থাপন করা।

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ লন্ডন শাখার আয়োজনে ‘সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের জন্য কৌশলপত্র’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। লন্ডনের দ্যা আর্টস টু লেকচার থিয়েটার ভবনে রবিবার রাতে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে তারেক রহমান অনেকটা নির্বাচনী ইশতেহার টাইপে তার বক্তব্যে একটি উন্নয়নশীল ও উৎপাদনমুখী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার সময়োপযোগী নীতিমালা বিষয়ে তার বিভিন্ন খাতওয়ারী চিন্তাভাবনাসমূহ উপস্থিত পেশাজীবীদের কাছে উপস্থাপন করেন।

যে ছয়টি খাতের ওপর তিনি তার রূপরেখা প্রদান করেছেন সেগুলো হচ্ছে- শিক্ষা, শিল্পায়ন, কৃষি, অবকাঠামো, পরিবেশ এবং জ্বালানি। সেমিনারে তার বক্তব্যের প্রস্তাবনাসমূহ ‘প্রয়াস’ নামে একটি পুস্তিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

নিম্নে তারেক রহমানের খাতওয়ারি প্রস্তাবনাগুলো তুলে ধরা হলো-

শিক্ষা

শিক্ষিত জাতি তৈরির লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও বেশি যুগোপযোগী ও ব্যবহারিক করতে দীর্ঘমেয়াদি ও সুপরিকল্পিত শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা; দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে হিসেবে ইংরেজি শিক্ষার উপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করা; বহুভাষা শিক্ষার মাধ্যমে রেমিটেন্স ২৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা; বিষয়ভিত্তিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের জন্য পাঠ্যসুচিতে খেলাধুলা, সংগীত, নৃত্য, অংকন, অভিনয়, ফটোগ্রাফি ইত্যাদি চারু ও কারুকলা সংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা; পাঠ্যসুচীতে ‘ব্যক্তিগত এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ণ’ নামে নতুন একটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে কর্মজীবনে বাস্তবমুখী করা; পাঠোত্তর মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শতভাগ নাম্বার লিখিত পরীক্ষার জন্য বরাদ্দ না রেখে এক-তৃতীয়াংশ নম্বর এসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন এবং গ্রুপ প্রজেক্টের জন্য বরাদ্দ রাখা; কর্মমূখী শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নে গুরুত্ব আরোপ করা হবে এবং এই লক্ষ্যে পৃথক বিভাগ বা মন্ত্রণালয় গঠন করা; কর্মজীবী বাংলাদেশীর সংখ্যা ৫.৫ কোটি থেকে ৮ কোটিতে উন্নয়নের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করে দারিদ্র্য সীমার নীচে বসবাসকারী মানুষের হার মোট জনসংখ্যার ৩১% থেকে ১০% এ কমিয়ে আনা; বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার বানিজ্যিকীকরন রোধ করে মান সম্মত উচ্চ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা; মেধাবী শিক্ষার্থীদের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জনের সুযোগ করে দিতে বৃত্তির ব্যবস্থা করা; সকল পর্যায়ের শিক্ষকদের বেতন কাঠামো পুনর্বন্টনের মাধ্যমে তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষাদান ও প্রশিক্ষণ সুবিধা প্রদান করা এবং শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; এবং মেধা পাচার রোধ করতে দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা সকল চিকিত্‌সক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, সাংবাদিক ও বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ যেন বাংলাদেশের মাটিতে তাদের পেশাগত দক্ষতা অনুযায়ী কাজের অনুকুল পরিবেশ পান, তা নিশ্চিত করা।

শিল্পখাত

বাংলাদেশকে একটি শিল্পোন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলা; প্রতিষ্ঠিত শিল্পখাতগুলোকে আরও বেশি অবকাঠামোগত সুবিধা প্রদান করা; ক্ষুদ্র ও মাঝারী ব্যবসা সমপ্রসারণের লক্ষ্যে উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সুবিধা সহজলভ্য করা; গার্মেন্টস শিল্পের মালিক, শ্রমিক, উপাদান সরবরাহকারী ও বিক্রয়কারী, সরকার ও বিদেশি ক্রেতা গোষ্ঠী, সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে শ্রমিকদের বেতন, নিরাপত্তা, এবং সুষ্ঠু কাজের পরিবেশ এবং স্থিতিশীলতার স্থায়ী সমাধান করা; স্বয়ংসম্পূর্ণ শিল্পপার্ক নির্মাণ করা; গার্মেন্টস শিল্প প্রসারের জন্য আলাদা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা; কৃষিকে রপ্তানিমূখী শিল্পায়নের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত করা যেন আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশী কৃষি ও খাদ্যপন্যের প্রবেশ নিশ্চিত হয়; মেশিনারিজ শিল্প বিকাশে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা; কৃষি নির্ভর শিল্প, নির্মান কলকারখানা ও যানবাহনের যন্ত্রাংশ তৈরীর শিল্প, হালকা যানবাহন এবং জাহাজ নির্মান ও ভাঙ্গা শিল্পের মত কৌশলগত খাতগুলোকে আর্থিক, ব্যাংকিং, অবকাঠামোগত এবং প্রশিক্ষন সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা; প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবসা প্রসারে সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদান করা; ইন্টারনেট সেবা নিরবিচ্ছিন্ন করতে আরেকটি সাবমেরিন কেবল বসানোর ব্যবস্থা করা এবং পর্যটন শিল্পকে ঢেলে সাজানো (কক্সবাজারে গলফ রিসোর্ট, সিলিকন বিচ, পার্বত্য এলাকায় কেবল কার নির্মাণ, সুন্দরবনে ওয়াটার বেসড সাফারি জঙ্গল, থিম পার্ক ইত্যাদি নির্মাণ)।

কৃষি

কৃষির জন্য প্রয়োজনীয় মূলধনকে কৃষকদের কাছে সহজলভ্য করে তোলা; কৃষি ভর্তুকির সর্বোচ্চ উপযোগীতা এবং কৃষকের জন্য সেই ভর্তুকির সুবিধা পাওয়া নিশ্চিত করা; কমপক্ষে ১০-১৫% হার লাভে বিক্রির জন্য কৃষকের অনুকূলে বাজার ব্যবস্থা পুনর্গঠনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা; দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে উৎপাদিত কৃষি পণ্যের সুষ্ঠু ও সুষম বিতরণ নিশ্চিত করা; কৃষি সংক্রান্ত সকল উপাত্ত এবং তথ্য এক সাথে পাওয়ার জন্য ‘কৃষি তথ্যভান্ডার’ গড়ে তোলা; সমতলের কৃষকদের পাশাপাশি সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পাহাড়ি কৃষিকে মূল কৃষি পরিকাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসা; কৃষিপণ্যে ফরমালিন তথা ভেজাল নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা।

অবকাঠামো

দেশের প্রধান ২ টি শহর ঢাকা ও চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের আদলে মেট্রোপলিটান এরিয়া গড়ে তোলা; ঢাকা-নারায়নগঞ্জ-গাজীপুর এই তিনটি জেলা নিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটান এরিয়া গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে; রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় সকল কল-কারখানা, রাসায়নিক পদাথের্র গুদামসহ পরিবেশের জন্যে ক্ষতিকর সকল স্থাপনা সরিয়ে অন্যত্র স্থানান্তর করা যেখানে সেইসকল কলকারখানার বর্জ্য পরিশোধনের ব্যবস্থা থাকবে; ঢাকার চারপাশ ঘিরে ওভারগ্রাউন্ড রেল চালু করা; নতুন-নতুন রাস্তা গঠনের সাথে-সাথে ঢাকায় প্রবেশ ও নির্গমনের জন্য আরো কয়েকটি পথ নির্মান করা; দেশ জুড়ে নতুন শিল্পাঞ্চল তৈরী করে ঢাকায় অবস্থিত কল-কারখানাগুলোকে সেখানে স্থানান্তরে করা; সরকারী অফিস-আদালতকে কার্যকরভাবে বিকেন্দ্রীকরণ করা; ঢাকার নিকটবর্তী জেলাগুলোয় কয়েকটি আধুনিক স্যাটেলাইট শহর গড়ে তোলা; দেশব্যাপী যাত্রীদের চাহিদা মেটাতে সম্পূর্ণ নতুন রেল লাইন স্থাপন, রেলপথে দ্রুতগতির রেলগাড়ী সংযোজন করা; বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরের সাথে একই বৈশিষ্ট্যের আন্তর্জাতিক শহরগুলোর মধ্যে পার্টনার সিটি সম্পর্ক গড়ে তোলা; যেমন ঢাকার সাথে লন্ডন, নিউইয়র্ক ও প্যারিস; সমুদ্র বন্দর ও বানিজ্যিক ঐতিহ্যের কারণে চট্রগ্রামের সাথে লস-এঞ্জেলস, মুম্বাই ও সাংহাই ইত্যাদি এবং কৃষিজমি হ্রাস রোধ করতে গ্রামবাসীর জন্য স্বল্প জমিতে বহুতল আবাসন নির্মাণ করা।

পরিবেশ

আগামি প্রজন্মের স্বার্থে পরিবেশ দূষণ রোধে কার্বন-ডাই-অঙাইড নির্গমন কে ৫০ হাজার কিলোটনের নিচে নামিয়ে আনা; কার্বন-ডাই-অঙাইড হ্রাসে পুরাতন বেসরকারী যানবাহনগুলোকে প্রতিস্থাপন করে হাইব্রিড যানবাহনের প্রচলন করা; দেশের মোট আয়তনের ২৫ ভাগ বনায়নের লক্ষ্যে সুদুরপ্রসারি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা; শহীদ জিয়ার খাল খনন কর্মসূচী বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভূ-পৃষ্ঠস্থ জলাধার তৈরী ও সরবরাহের মাধ্যমে পানি সংকট মোকাবেলা করা; ঢাকাসহ সকল বড় শহরে সিঙ্গাপুরের ন্যায় সুপেয় পানি ধরে রাখতে জলাধার তৈরি করে সারাবছর বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা করা।

জ্বালানীখাত

বিদ্যুতের দীর্ঘমেয়াদী ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদন নিশ্চিত করতে মোট উৎপাদনের কমপক্ষে ২৫% নবায়নযোগ্য প্রাকৃতিক জ্বালানী ব্যবহারের প্রকল্প গ্রহন করে ২০২৫ সাল নাগাদ দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ২৫,০০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করার ব্যবস্থা করা; সৌরশক্তি, বায়ুপ্রবাহ, সমূদ্র স্রোত, বর্জ্য এবং জৈববর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে অগ্রাধিকার দেওয়া; প্রত্যেকটি বিভাগে সোলার পার্ক স্থাপন করার ব্যবস্থা করা; সুন্দরবনের রামপালে পরিবেশ বিধ্বংসী বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের চিন্তা পরিহার করা; গ্রীন প্যানেল গঠনের মাধ্যমে পরিবেশ বান্ধব জ্বালানী ব্যবহার নিশ্চিত করা;

সেমিনারের বক্তব্যে তারেক রহমান বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ডের সমালোচনা করে সবাই মিলে দেশকে উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতির দিকে এবং জনকল্যানমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সরকারের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহবান জানান।

সেমিনারটিতে কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক এবং সংগঠনের আহবায়ক ডক্টর কে এম এ মালিকের সভাপতিত্বে সংগঠনের ফার্স্ট জয়েন্ট কনভেইনর জনাব নসরুল্লাহ খান জুনায়েদ এর পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সদস্য সচিব ব্যারিষ্টার তারিক বিন আজিজ।

আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, সাংবাদিক জগলুল হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ডক্টর এম আব্দুল মুমিন চৌধুরী, বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসিরুদ্দিন অসীম এবং তারেক রহমানের নবনিযুক্ত শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদি আমীন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের ব্যাক্তিগত সহকারী আব্দুর রহমান সানি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি পারভেজ মল্লিক, যুক্তরাজ্য বিএনপি‘র সভাপতি শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুস, সাধারন সম্পাদক কয়সর এম আহম্মেদ, ডঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ব্যারিস্টার মীর হেলাল, ডঃ হাসনাত, ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম, ফরিদ উদ্দীন, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাহিদ হোসেন, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ আন্তজার্তিক বিষয়ের সম্পাদক শফিক রিবলু, বিএনপি নেতা আমীর হামজা, বিএনপি‘র যুগ্ম সম্পাদক নাসিম চৌধুরী, যুবদল নেতা রহিম উদ্দীন, সাবেক যুবদল নেতা দেওয়ন নিয়াজ, বগুড়া জেলা সমিতির ইউকে‘র সাধারন সম্পাদক প্রফেসর শামসুদ্দোহা, বগুড়া জেলা সমিতির ইউকে‘র যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক শিক্ষক আলীম আল রাজী, মোঃ ফয়েজ এমবিই, সাংবাদিক তাসলিমা তাজ, আইনজীবি কুমকুম হক, আইনজীবি রবিউল্লাহ, আইনজীবি জাকিয়া সুলতানা, আইনজীবি পল্লবী, খালেদ মিল্লাদ ব্যারিস্টার আশরাফুল আলম চৌধুরী, শাহরিয়ার শোভন, ব্যারিস্টার হাফিজুর রহমান, ব্যারিস্টার নুরুজ্জামান, ব্যারিস্টার শামসুজ্জোহা, ব্যারিস্টার হামিদুল হক আফিন্দি লিটন, ব্যারিস্টার তমিজ উদ্দীন, ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম সহ বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিত্ব।

পার্ট-১

পার্ট-২


ফেসবুকে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। Gournadi.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে Gournadi.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

Tags

আরো পোষ্ট...