সরকারি কাজে বাঁধা দেয়ার মামলায় সাত বছর পর নানক-বাহাউদ্দিন-লিয়াকতের অব্যাহতি
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালের ২ এপ্রিল তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিনাঞ্চল সফরে আসেন। ওইদিন দুপুর সাড়ে বারোটায় গৌরনদী বাসষ্টান্ডে পথসভা করার জন্য তার (শেখ হাসিনার) গড়ি বহর থামেন। এ সময় তৎকালীন আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির নানক, স্বেচ্ছাসেবকলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি বাহাউদ্দিন নাসিম ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি লিয়াকত সিকদারের সাথে কর্তব্যরত পুলিশের সাথে অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তৎকালিন গৌরনদী থানার এস.আই মোঃ আহসান হাবিব বাদি হয়ে উক্ত তিন নেতার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ৮ আগস্ট ওই তিন নেতাকে
অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করা হয়। গত ২৯ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাটি প্রত্যাহারের সুপারিশ করে। যার প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার বরিশালের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক খাদেম উল কায়েস মামলাটি প্রত্যাহার করেন।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২ এপ্রিল তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে দক্ষিনাঞ্চল সফরে আসেন। সফরের প্রথমদিনে (২ এপ্রিল) তার গাড়ি বহর গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছলে স্থানীয় বিএনপি দলীয় সাংসদ জহির উদ্দিন স্বপনের ক্যাডার বাহিনী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গাড়ি বহরে হামলা চালায়। ওই সময় ক্যাডাররা পুলিশের উপস্থিতিতে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপরও হামলা চালিয়েছিলো। একইদিন বিএনপি ও জামায়াত ক্যাডাররা ফুলের তোড়া নিয়ে শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানাতে আসা গৌরনদী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কালিয়া দমন গুহ, উপজেলা ওলামালীগের সভাপতি হাফেজ নুরুল হকসহ আওয়ামীলীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করেছিলো।