আর্কাইভ

গৌরনদীতে রাতের আধারে বিএনপি নেতার জমিদখল করে যুবলীগ নেতার ঘর নির্মান

সম্পত্তি জবর দখল করে রাতের আধারে গাছ কেটে ও পান বরজ ভেঙ্গে ঘর নির্মান করেছে এক যুবলীগ নেতা ও তার সহযোগীরা। ঘর নির্মানে বাঁধা দিতে গিয়ে লাঞ্জিত হয়েছেন ওই বিএনপির নেতা ও তার পুত্র।

গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আবুল হোসেন মিয়ার চাচা ও বিএনপির নেতা হারুন অর রশিদ অভিযোগ করেন, তার ক্রয়কৃত টরকী বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন ১৬ শতক সম্পত্তি দীর্ঘ দিন যাবত তিনি ভোগ দখল করে আসছেন। উপজেলার দক্ষিন রামসিদ্ধি গ্রামের বাসিন্দা ও গৌরনদী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের আহবায়ক কমিটির প্রভাবশালী সদস্য সলেমান হাওলাদার তার সহযোগীদের নিয়ে গত ১৭ সেপ্টেম্ভর রাতের আধারে তার জমির ওপরে ২০/২৫ টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ঘর নির্মান শুরু করে। এ সময় বাঁধা দিলে তাদের লাঞ্জিত করে। বিষয়টি গৌরনদী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে গৌরনদী থানার এএসআই নুরুল ইসলাম বাদল এক দল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘর নির্মান কাজ বন্ধ করে আসেন। পুলিশ ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর পূর্নরায় সলেমান তার দলবল নিয়ে ঘর নির্মান শুরু করেন।

হারুন অর রশিদের পুত্র মো. পান্না মিয়া অভিযোগ করেন, গতকাল রবিবার সকালে সলেমান হাওলাদার তার সহযোগীদের নিয়ে তাদের পান বরজ ভেঙ্গে জবর দখল করে মাটি ভরাট করছে। মাটি ভরাট কাজে বাঁধা দিলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে জীবন নাশের হুমকি দেয়। হুমকির মুখে পান্না উক্ত স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। তিনি আরো বলেন, দলীয় ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে আমার দশ লক্ষাধিক টাকার পৈত্রিক সম্পত্তিতে থাকা পান বরজ ভেঙ্গে ও গাছ কেটে অবৈধ ভাবে দখল করে পাঁকা ও আধা পাঁকা ঘর নির্মান করছে।

গৌরনদী থানার এএসআই নুরুল ইসলাম বাদল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি শান্তি ভঙ্গের আশংকায় একাধিকবার ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ বন্দের নির্দেশ দিয়ে আসি। আমি ফিরে আসার পর পূর্নরায় সলেমান কাজ শুরু করেন। গৌরনদী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. নুরুল ইসলাম বলেন, পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে নির্মান কাজ চালিয়ে যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা সলেমান হাওলাদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি নিলাম খরিদ সূত্রে  উক্ত সম্পত্তির মালিক।

Back to top button