১৩০ বছর বয়সেও চলাচলে সক্ষম ‘হারান ফরাজী’

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া দু’নাতনীর সাথে হারান ফরাজী
কুষ্টিয়া সংবাদদাতাঃ দেশে এই মুহুর্তে সবচেয়ে বেশি বয়সের মানুষ-কে? এই পরিসংখ্যান জানা না থাকলেও ১৩০ বছর বয়সের এক ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া গেছে। সেই ব্যক্তির নাম হচ্ছে হারুন-অর-রশিদ ওরফে হারান ফরাজী। তিনি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের পঁচাভিটা গ্রামের মৃত কাফি ফরাজীর ছেলে। বয়োবৃদ্ধ হারান ফরাজী এখনো লাঠি ছাড়াই স্বাভাবিক চলাচলে সক্ষম। তবে সম্প্রতি তিনি কানে শুনতে পান না, স্মৃতি শক্তিও লোপ পেয়েছে অনেকখানি। ব্যক্তিগত জীবনে হারান ফরাজী সারভানু, মোশারফ ফরাজী, কদভানু, আফসার ফরাজী, জাফর ফরাজী, লিয়াকত ফরাজী, সিদ্দিক ফরাজী, হাবিল ফরাজী, মহাসীন ফরাজী, লোকমান ফরাজী, সাজেদা ও সামাদ ফরাজী নামের ৯ ছেলে ও ৩ পুত্র সন্তানের জনক।
ছোটবেলায় বাবা-মা হারিয়ে এতিমের খাতায় নাম ওঠে তাঁর। যার কারনে এতিম হারান ফরাজীর সাথে কোন মেয়ের বাবা বিয়ে দিতে চাইতেন না। অবশেষে শেরপুর গ্রামের ইশারুন নাহার খুকির সাথে হারান ফরাজীর বিয়ে হয়। হারান ফরাজীর নিকট কিশোর ও যৌবন বয়সের সুখ-দুঃখের স্মৃতিময় ঘটনার কথা জানতে চাইলে তিনি জানান, ১৯১২ সালে যখন পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রীজ নির্মাণ হয় তখন তিনি তাঁর নববধু ইশারুন নাহার খুকিকে সাথে নিয়ে মহিষের গাড়িতে চড়ে হার্ডিঞ্জ ব্রীজ দেখতে গিয়েছিলেন।