বরিশাল

আগৈলঝাড়ায় এমপি হাসানাতের মত বিনিময় সভা

“ধর্ম যার যার, দেশ সবার” এ আদর্শকে ধারণ করে আমাদের আবহমান বাঙ্গালীর চির ঐতিহ্যর পরিচয় দিতে হবে। এক ধর্মের লোক অন্য ধর্মের লোকজনকে তাদের ধর্ম পালনে সহায়তা করতে হবে। সাপ্রদায়িক সম্প্রিতী বজায় রাখতে হবে। সারা দেশে যে পুজা হয়, তার সমান পুজা অনুষ্ঠিত হয় গৌরনদী-আগৈলঝাড়ায়। দেশের সবচেয়ে বেশী পুজা আগৈলঝাড়ায় অনুষ্ঠিত হওয়ায় এলাকার গুরুত্বও অনেক বেশী। প্রশাসনের পাশাপাশি সকলকে শারদীয় উৎসবের জন্য মন্দিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বরিশাল-১ আসনের এমপি আলআজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ উপজেলার ১শ ৪২টি পূজা মন্ডপের সভাপতি-সম্পাদকদের হাতে সরকারী অনুদানের অর্থ বিতরণ করেন।

এসময় সংসদ সদস্য, জেলা আ’লীগ সভাপতি ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, আমার জীবন থাকতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতি নষ্ট হতে দেবনা। তাই পুজা মন্ডপে বিঘ্ন সৃষ্টিকারীদের কোন রকম ছাড় দেয়া হবেনা।

গতকাল ২৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে প্রশাসন ও পুজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে উপজেলার শ্রীমতী মাতৃ মঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় হল রুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবী চন্দ’র সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান ইলিয়াস তালুকদার, বাবুল ভাট্রি, আবুল হোসেন লাল্টু, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদ হোসেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ইউসুফ মোল্লা, গৌরনদী পৌর মেয়র হারিছুর রহমান হারিছ, জেলা পুলিশ সুপার এহ্সান উল্লাহ, উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খান, পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ, সাধারন সম্পাদক ও চেয়ারম্যান বিপুল দাস, রবীন্দ্রনাথ হালদার, সজল দত্ত, কুমোদ রায়, হরেকৃষ্ণ হালদার, নিত্যানন্দ মজুমদার।
পূজা মন্ডপের সরকারী অনুদান প্রদার করছেন আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ
সরকারী হিসেব মতে, উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে এবছর ১শ ৪২ টি পূজা মন্ডপ তৈরি করা হয়েছে। এরমধ্যে উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নে ৪২টি, বাকাল ইউনিয়নে ৩৪টি, বাগধা ইউনিয়নে ২০টি, গৈলা ইউনয়নে ২২টি ও রত্নপুর ইউনয়নে ২৪টি পূজামন্ডপে পূজার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

১শ ৪২টি পুজা মন্ডপের মধ্যে ৫২টি পূজা মন্ডপকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, ৬৫টি পুজা মন্ডপকে কম ঝুকিপুর্ন ও ২৫টি পুজা মন্ডপকে সাধারন মন্ডপ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

পুজায় নিরাপত্তা দেয়া, বিশৃংখলা ও নাশকতা রোধে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরী করতে বিপুল পরিমান পুলিশের পাশপাশি আনসার ও সাদা পোষাকধারী পুলিশ নিয়োজিত থাকবে বলে জানান পুলিশ সুপার মো. এহ্সান উল্লাহ। পাশাপাশি র‌্যাবের টহল দল থাকবে ভ্রাম্যমান নজরদারীতে।

প্রসংগত, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দেবীর অধিবাসের মধ্য দিয়ে শারদীয় উৎসবের ৫ দিন ব্যপী পূজা অনুষ্ঠিত হবে।


ফেসবুকে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। Gournadi.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে Gournadi.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো পোষ্ট...