যারা প্রতিশ্রুতি রাখেন না তাদের ভোট দেয়ার প্রশ্নই আসে না
নিজস্ব সংবাদদাতা ॥ “একটা ইউনিয়নের অবস্থা এ রকম থাকতে পারে না। সারা ইউনিয়নটার দিকে তাকিয়ে দেখেন,
বিগত ছয়টি বছরে কোথায়ও কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে কিনা। এমনকি পার্শ্ববর্তী প্রত্যেকটি ইউনিয়নের একটি করে কমপ্লেক্স ভবন থাকলেও আমাদের ভাগ্যে বিগত ছয়টি বছরে একটি কমপ্লেক্স ভবন পর্যন্ত জোটেনি। একটি সনদপত্র লাগলে ফোনের পর ফোন করে চেয়ারম্যানের খোঁজ নিয়ে বরিশাল পর্যন্ত যাইয়া আনতে হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় কথা বলা হলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। তবে কাজ একটা হয়েছে, সেটা হলো চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত তোতার ভাগ্য উন্নয়ন ঠিকই হয়েছে। এটা শুধু নামেই একটা ইউনিয়ন। ক্ষোভের সাথে কথাগুলো বলেছেন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের ভোটার হেলাল সরদার, গোপাল চন্দ্র মজুমদার, আব্দুস সাত্তার সরদার, নিহার রঞ্জন, শেফালী রানীসহ অনেকেই। তারা আরো বলেন, গত নির্বাচনে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে আনোয়ার সাদাত তোতা ভোটারদের মন জয় করে নির্বাচিত হয়েছিলো। এইবার ওই প্রতিশ্রুতিতে আর কাজ হইবে না। চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আমরা তরুন সমাজ সেবক সৈকত গুহ পিকলুকেই বেঁছে নিয়েছি। ২৯ মার্চের নির্বাচনে বিপুল ভোটের মাধ্যমে পিকলুর আনারস মার্কার বিজয় আমরা করবোই। ভোট নিয়ে এভাবেই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন মাহিলাড়া ইউনিয়নের খেটে খাওয়া দিনমজুর অসংখ্য সাধারন ভোটাররা।