দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিএনপি-জামায়াত: নানক
আওয়ামীলীগের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন বানচালে বিএনপি-জামায়াত জোট দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক। শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে তরান্বিত করা এবং বিএনপির অপ-রাজনীতিকে প্রতিহত করা শীর্ষক যুবলীগের রাজশাহী বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন। যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নজিবুল্লাহ, মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি মহিউদ্দিন মাহি, নুরুন-নবী চৌধুরী শাওন এমপি, নওগাঁ-২ আসনের সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য সাধন চন্দ্র মজুমদার, জুনায়েদ আহমেদ পলক এমপি, যুবনেতা আতিকুুর রহমান আতিক প্রমুখ।
তিনি আরো বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, ২১ আগষ্টের গ্রেনেড হামলা, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা, তারেক রহমানের দুর্নীতি, বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের বিচারও বাধাগ্রস্ত করতে চায় বিএনপি-জামায়াত। ২০০১ সালে ক্ষমতায় গিয়ে আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করতে বিএনপি-জামায়াত জোট প্রশাসনকে ঢেলে সাজিয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বিএনপি-জামায়াতের সমর্থক কর্মকর্তাদের কারণে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ব্যাহত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। চাল-ডালসহ নিত্যপণ্য গুদামজাত করে বিএনপি-জামায়াত সমর্থক ব্যবসায়িরা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির চেষ্টা করছে বলে জানান জাহাঙ্গীর কবির নানক। এসব ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করতে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহবান জানান তিনি। তিনি বলেন, সমবায় আন্দেলনের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের বেকার সমস্যার সমাধান সম্ভব। কৃষকদের ন্যায্য পাওনা দিতে সমবায়ের কোনো বিকল্প নেই। দেশের যুবসমাজকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সাথে সম্পৃক্ত হতে হবে। যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, সরকারের মধ্যে এমন লোক আছে যারা যুদ্ধাপরাধীদের মদদ দিচ্ছে এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালের চেষ্টা করছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা আমাদের নির্বাচনী অঙ্গিকার। আমরা যদি তা পূরণ করতে না পারি তাহলে জনগণও আগামীতে আমাদের ভোট দেবে না।