রং নাম্বারের ফোন : অতঃপর
নিজস্ব সংবাদদাতা॥ রং নাম্বারের ফোন কল থেকে পরিচয়। স্কুল পড়ুয়া মেয়ের কাছে ধর্মের পরিচয় গোপন রেখে প্রেমের সম্পর্কের তিন মাসের মধ্যে
আজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমাতে গিয়ে জনতার হাতে গণধোলাই খেয়ে প্রেমিক বেটার ঠাঁই হয়েছে শ্রীঘরে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাতে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার টরকী বাসষ্ট্যান্ড এলাকায়।
জানা গেছে, উপজেলার ধুরিয়াইল গ্রামের মোস্তাক হোসেনের নবম শ্রেনীতে পড়ুয়া কন্যা অঝরার (১৬) সাথে গত তিনমাস পূর্বে রং নাম্বারের ফোন কল থেকে পরিচয় হয় টরকীরচর গ্রামের মৃত আশিষ হালদারের পুত্র সুধীর হালদারের (২২)। পরিচয়ের সূত্রধরে সুধীর ধর্মের কথা গোপন রেখে নয়ন নাম দিয়ে অঝরার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। একপর্যায়ে তারা অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমাতে গত সোমবার বাড়ি ছাড়েন। ওইদিন প্রেমিক জুটি আগৈলঝাড়ার পয়সারহাট এলাকায় রাত্রিযাপন করে। তখনও অঝরা জানতো না নয়ন নয় প্রেমিকের নাম হচ্ছে সুধীর। পরেরদিন মঙ্গলবার পালিয়ে কক্সবাজার যাওয়ার সময় টরকী বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় স্থানীয়রা তাদের আটক করে। এসময় সুধীর প্রেমিকা অঝরাকে রেখে দৌড়ে পালানোর সময় স্থানীয়রা ধাওয়া করে সুধীরকে গণধোলাই দেয়। একপর্যায়ে থানা পুলিশকে খবর দিয়ে ওই প্রেমিক জুটিকে পুলিশের হাতে সোর্পদ করা হয়। পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সুধীর তার আসল পরিচয় খুলে বলে। এসময় ধর্মের পরিচয় গোপন রেখে প্রেমের সর্ম্পক করার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। থানার এএসআই আনোয়ার হোসেন বলেন, স্কুল ছাত্রীর পিতার জিম্মায় তার কন্যা মেরিনা আক্তার অঝরাকে দেয়া হয়ে। আর সুধীর হালদারকে গতকাল বুধবার দুপুরে বরিশাল আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ইতিপূর্বেও সুধীর হালদার একাধিক মেয়ের সাথে পরিচয় গোপন রেখে প্রেমের সম্পর্কের একপর্যায়ে আপত্তিকর অবস্থায় জনতার হাতে ধরা পরেছে।