আগৈলঝাড়া বিএনপি ব্যক্তি কেন্দ্রীক রাজনীতিতে ব্যস্ত
ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতিতে উদারনীতি থাকলেও আগৈলঝাড়ায় বিরোধী দলের রাজনীতি এখন ব্যক্তি কেন্দ্রীক ও ঘরোয়া রাজনীতিতে পরিণত হয়েছে। দলীয় রাজনৈতিক আদর্শ বিসর্জন দিয়ে ব্যক্তি কেন্দ্রীক হয়ে পড়ায় হিংসা ও হানাহানি বেড়েই চলেছে। সরকার দলের ভয়েনা নিজেদের গ্র“পিং-এর করনে বিএনপির কোন কর্মসূচি আগৈলঝাড়ায় পালন হচ্ছে না। এনিয়ে বিএনপির তৃনমূল নেতাকর্মীদের সাথে উপজেলা সদরের নেতাদের মতোবিরোধ রয়েছে। অন্যদিকে আওয়ামী দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালের নির্বাচনের পর আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক কমিটি গঠন হয়। দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৯০ দিনের আহবায়ক কমিটি দিয়ে ৯ বছর ধরে চলছে আগৈলঝাড়া আওয়ামীলীগের রাজনীতি। বর্তমান মহাজোট দল ক্ষমতায় আসার প্রায় দেড় বছর হলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি আওয়ামীলীগ। সাবেক চীফ হুইপ ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর নির্দেশের পরেও নেতারা এখন পর্যন্ত কমিটি গঠন করতে পারেনি। অন্যদিকে বিরোধী দলের রাজনীতি এখন ব্যক্তিকেন্দ্রীক ও ঘরোয়া রাজনীতিতে পরিণত হয়েছে।
ক্ষমতাসীন দলের নেতারা বার বার বিরোধী দলকে উপজেলা সদরে তাদের দলীয় কর্মসূচি পালনের আহবান জানালেও তারা সদরে কোন দলীয় কর্মসূচি দিচ্ছেনা। বিএনপির একটি স্ত্রূ জানিয়েছে, নিজ দলের গ্রপিংএর কারনে ও দলে বর্তমানেযোগ্য নেতৃত্বের নেতা না থাকায় বর্তমান উপজেলা বিএনপির কমিটির ওপর আস্থা রাখতে পারছেননা সাধারন নেতা কর্মীরা। নাম প্রকাশ্যে আনিচ্ছুক একাধিক নেতারা বলেন, বর্তমান কমিটি তারা উপজেলার বিএনপির সভাপতি আঃ লতিফ মোল্লার বাড়ীতে বসেই নামকাওয়াস্তে দলীয় কর্মসূচি পালন করছে। উপজেলা বিএনপির রাজনীতি বর্তমানে সাবেক এমপি জহির উদ্দিন স্বপন, কেন্দ্রীয় নেতা আকন কুদ্দুসুর রহমান ও ইঞ্জিনিয়ার সোবহানের হয়ে তিন গ্রপে বিভক্ত হয়ে মাঝে মধ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি হাতে নিলেও কোনটাই সফলভাবে পালন করেনি। প্রতিপক্ষ গ্র“প সব সময়ই প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাদের বক্তব্য সংবাদ কর্মীদের কাছে তুলে ধরছে। যাও বাস্তবায়ন হচ্ছে তাতে তৃনমূল কোন নেতাকর্মী অংশ গ্রহন করছে না। বিগত সংসদ নির্বাচন থেকে আগৈলঝাড়া বিএনপি তিন গ্র“পে বিভক্ত হয়ে পরে। পরে উপজেলা আহবায়ক কমিটির গঠন, পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ও বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দু’গ্র“পের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আনা হয়। এদিকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় শীর্ষ তিন নেতা গ্রেফতার হলেও আগৈলঝাড়ায় জামায়াতের কোন কর্মসূচি পালিত হয়নি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জামায়াতের এক নেতা জানান, মুলত নেতা-কর্মীরা গ্রেফতার হওয়ার আশংকায় এখানে কোন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে না।