গৌরনদী সংবাদ

গৌরনদী বিএনপির নেতা-কর্মীরা উল্লাসিত, এলাকায় মিষ্টি বিতরন

মোঃ আহছান উল্লাহ, গৌরনদী: টানা প্রায় দশ বছর দলীয় কর্মকান্ড থেকে দূরে সরিয়ে রাখা দলের সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ও বরিশাল-১ আসনের সাবেক সাংসদ এম, জহির উদ্দিন স্বপনকে ডেকে বিএনপির চেয়ার পার্সন বেগম খালেদা জিয়া দলীয় কর্মকান্ডে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেয়ার খবরে ভিষন উল্লাসিত বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের বিএনপির নেতা-কর্মীরা। গতকাল শনিবার সকাল থেকে দিনভর এ দুই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দলের উল্লসিত নেতা-কর্মীরা নিজ নিজ উদ্যোগে মিষ্টি বিতরণ করেন ও উল্লাস প্রকাশ করেন।
জানাগেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে পৌঁনে ১টা পর্যন্ত দলের গুলশান কার্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে রুদ্ধদার বৈঠক করেন বিএনপির সংস্কার পন্থি নেতা এম, জহির উদ্দিন স্বপন। বৈঠকেকালে বেগম খালেদা জিয়া এম, জহির উদ্দিন স্বপনকে দলে সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তার করণীয় নির্ধারণ করে দেন। এ খবর গতকাল শনিবার দেশের বেশ কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়। পত্রিকাগুলোর খবর দ্রত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আনন্দ উল্লাস শুরু হয় দলের নেতা-কর্মীদের মাঝে।

উল্লাসিত নেতা কর্মীরা বলেন, এম, জহির উদ্দিন স্বপনের প্রত্যাবর্তনে দীর্ঘদিন ধরে ঝিমিয়ে পড়া গৌরনদী-আগৈলঝাড়া বিএনপির দলীয় কর্মকান্ড এখন বেশ চাঙ্গা হবে। আশা করছি এম, জহির উদ্দিন স্বপনের নেতৃত্বে আবার আমরা বরিশাল-১ এর হারানো আসনটি পূনঃরুদ্ধার করতে সক্ষম হব।

গৌরনদী পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান খান মুকুল,সাধারন সম্পাদক জহির সাজ্জাত হান্নান,গৌরনদী উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক আবু বক্কর গাজী সরকারি গৌরনদী কলেজের সাবেক ভিপি ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেন রাজা, সাবেক ভিপি কে এম আনোয়ার হোসেন বাদল, উপজেলা যুবদলের নেতা সামীম খলিফা, গৌরনদী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ফরিদ মিয়াসহ স্থানীয় নেতা কর্মীরা তাদের প্রক্রিয়ায় বলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন সময়উপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সংস্কারপন্থীর ধূয়া তুলে দীর্ঘদিন দূরে সরিয়ে রাখা শীর্ষ নেতাদের আগেই দলে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজন ছিলো। দীর্ঘদিন পরে হলেও চেয়ারপার্সন সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখনও ওইসব নেতাদের দলে গুরুত্বপূর্ণ পদ-পদবি দিলেই বিএনপি পূর্ণরায় চাঙ্গা হবে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

বরিশাল ১-(গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে বিএনপির সাবেক এমপি এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আমরা বিএনপিতে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। নেত্রী আমাদের মায়ের মতো। তিনি দলের জন্য কাজ করতে বলেছেন।
সূত্রমতে, বিগত ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী সময় থেকে সংস্কারপন্থির ধূয়া তুলে জহির উদ্দিন স্বপনসহ দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ডজনখানেক নেতাকে বিএনপির রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়। এসময় ওইসব সংস্কারপন্থিদের স্থানে একাধিক নেতার আত্মপ্রকাশ ঘটলেও কেহই আর পূর্বেরন্যায় রাজনীতির হাল ধরতে পারেননি। বরং প্রতিটি এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে একাধিক গ্রুপিংয়ের সৃষ্টি হয়। কোনঠাসা হয়ে পরে বিএনপির প্রকৃত নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।


ফেসবুকে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। Gournadi.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে Gournadi.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো পোষ্ট...

Leave a Reply